De første 200 linjer.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় প্রমিত সরকার ধ্রুব
কিছু কিছু মেয়েরা সবার জীবন-সঙ্গীতের সকল কথা জানে।
তারা তাদের হাসির মাঝে সুর খুঁজে পায়।
তাদের জীবনের প্রতিটা মোড় সুরের মাধ্যমে প্রতিধ্বনিত হয়।
কী হবে যদি আমি সুরে সুরে গুনগুন করতে না পারি?
কী হবে আমার গুনগুন সুর যদি কেউ না শোনে?
- অনেক উপরে উঠে পড়েছি রে! - এসব নিয়ে ভাবিস না।
শুধু মনে রাখ, তাড়াতাড়ি উঠতে চাইলে ধীরগতিতে চড়তে হবে।
ঠিক আছে।
হলওয়েতে কী হয়েছিল?
জানিনা। বোধহয় ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলাম।
ক্লান্ত?
কীসের জন্য ক্লান্ত?
এমনিতেই।
দেখে তো মনে হলো রেগে ছিলে।
এই স্কুলের ওপর। হ্যানার ব্যাপারে।
আপনার উপর রেগে নই?
অবশ্যই।
এক অহেতুক মৃত্যু নিয়ে রাগান্বিত।
হ্যানার বিষয়টি নিয়ে আমারো খারাপ লাগছে...
শুধু আমারই খারাপ লাগছে না, যারা...
যারা তাকে চিনত, তাদেরও খারাপ লাগছে।
আপনি আমাকে শাস্তি দিবেন নাকি?
তুমি কি এটাই চাইছ?
আপনি কি পানিশমেন্টের কথা বলে ছেলেমেয়েদের এখানে নিয়ে আসেন?
তোমার শাস্তি কেমন হওয়া উচিত বলে তুমি মনে কর?
সেটা আপনার ব্যাপার নয় কি?
মানে, আপনাকে তো মনোবিজ্ঞানী হওয়ার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়নি, তাইনা?
না।
কিন্তু আমি সম্ভবত তাদের সাহায্যে আসতে পারি...
যারা কষ্টে আছে,
যারা তাদের অনুভূতিকে ধরতে পারছে না, যারা একা...
- আমি নিঃসঙ্গ নই। - যারা নিজেকে আহত করতে পারে।
আর নিজেকে আহতও করবো না।
- তাদেরকে আলোর পথ দেখাতে... - আপনি নিজেও জানেন না আপনি কী বলছেন...
কী আজাইরা পেঁচাচ্ছেন!
ঠিক আছে।
- দুঃখিত। - না, সমস্যা নেই।
তুমি কষ্ট পাচ্ছ।
আর আমি তোমায় সাহায্য করতে চাই।
আমি তোমার পাশে থাকতে চাই, ক্লে।
তুমি কীসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছ সেটা আমি ধরতে পারছি না,
কিন্তু তুমি যদি আমার সাথে এবিষয়ে কথা বল...
চেষ্টা করব।
সবাই কথা বলতে চায়।
কেউ কিছুই করতে চায়না।
তুমি কী করতে চাও?
আমার ক্লাসে যাওয়া উচিত।
এসব ঘটার কারণ হচ্ছে আমি পথ হারিয়ে ফেলেছিলাম।
আমার তখন একজন দিকনির্দেশকের দরকার ছিল।
যেকোনো বিষয়ে দিকনির্দেশনার জন্য।
আমার সাথে তোর মজা করতেই হবে।
গাড়িতে ওঠ।
একটা জিনিস দেখানোর আছে।
আগে বল তুই এটা কীভাবে জানলি।
বল, আমি হ্যানার সাথে কী করেছি।
পরে দেখা হবে, টনি।
আসলে, কখনোই যেন আমাদের দেখা না হয়।
কখনোই না।
ক্লে, গাড়িতে ওঠ।
না।
তাহলে কীভাবে যাবি? তোর বাইকটাও তো নেই, দোস্ত।
আমাকে একা ছেড়ে দিচ্ছিস না কেন?
টেপগুলো ফাঁস করে দে। যা ইচ্ছে তাই কর।
শুধু আমাকে যেতে দে।
আমি এগুলো ফাঁস করবো না, যদি...
যদি তুই গাড়িতে উঠিস আর আমার সাথে আসিস।
- Hi, আমি ক্যাভিন পর্টার। - Hi.
আর মাঝে মাঝে তুমি মুক্তির যেই পথই পাওনা কেন, সেই পথেই বেরিয়ে যাও।
ঠিক আছে, চল।
- কোথায় যাচ্ছি আমরা? - গেলেই দেখতে পাবি।
ওর মাথার তার ছিড়ে গেছে।
আমরা হ্যানার নিয়মানুযায়ীই চালিয়েছি।
টেপ ফাঁস হয়ে গেলে ব্যাপারটা ঠিক হবেনা, কারণ ক্লে ডাকবিভাগে গিয়েছিল।
- সে জনসমক্ষে যাবে না। - আমার মনে হচ্ছে সে যাবে।
ও শুধু একটু মনমরা হয়ে আছে, ঠিক আছে? ওর যা ইচ্ছা...
পেটে কি আবার কোনো সমস্যা হচ্ছে, এলেক্স?
- এখানে এক মিনিট বস। - পেটে কীসের সমস্যা?
ও তাকে ভালোবাসতো, আর সে মারা গেল।
বুঝলি? ও পাগল হয়ে যাচ্ছে।
একটু সময় দে তাকে।
ও মনমরা হয়ে নেই, ঠিক আছে? ও প্রতিশোধ নিচ্ছে।
আমদেরও তো এই প্রতিশোধটা প্রাপ্য।
এলেক্স, এখানে এসে বস।
দোস্ত, দেরী করে ফেললি।
টনির সাথে কথা হয়েছিল। ও বলল ব্যাপারটা ও দেখে নেবে।
এর মানে কী?
- টনি একটা আবাল। - টনি আবাল না।
ও একটা আবাল, ও একটা গর্দভ, ও একটা মাদারী।
সবগুলোর মানে তো একটাই।
না, সামান্য পার্থক্য আছে।
হুম, ঠিক।
দেখ, টনি কোনো বাল করবেনা।
যা করার আমাদেরই করতে হবে।
ওই বাইঞ্চোদটাকে একেবারে খতম করে দিই।
ছি, ছি!
আমি জানি না।
যদি আমরা ব্যাপারটাকে আত্মহত্যার মতো সাজাই?
কি দুঃখজনক ব্যাপার হবে?
মানে, প্রেমিকার জন্য প্রেমিকেরও মৃত্যু।
একটু বড় হ, জাস্টিন।
সত্যিই তুই আমাকে বড় হতে বলছিস, ছোট্ট বাবুটা?
হ্যাঁ, বলছি।
দোস্ত, তুই গিয়ে ডাক্তার দেখা।
ডজনখানেক দেখিয়ে ফেলেছি, দোস্ত।
একটা কথা।
যদি কোনো একটা ঘটনা একটু অন্যরকম ভাবে ঘটতো...
তাহলে হয়তো এসব কিছুই ঘটতো না।
ওইযে ওখানেই।
তারা বলে, বড় স্বপ্ন দেখো।
অনেক বড় কিছুকে লক্ষ্য কর।
তারপর তারাই আমাদের ১২ বছর নির্বাসিত করে ফেলে আর বলে কোথায় বসতে হবে,
কখন প্রস্রাব করতে হবে, আর কী ভাবতে হবে।
প্রিন্সিপাল এবং ভাইস-প্রিন্সিপালের কাছ থেকে রেফারেন্স পেতে কি এগুলোই যথেষ্ট?
আমার কি অধ্যক্ষের কাছে যাওয়া উচিত?
আমাদের স্কুল জিপিএ বাড়িয়ে দেয় না, তাই আমি মাত্র ৪.০ পেয়েছি।
এজন্য কোনো অসুবিধা হবে?
আরে! খেলার জন্য সি-মাইনাস এভারেজ থাকলেই হবে।
ওই চিয়ারলিডারের দুদুগুলা দেখ!
ধুর, দেখিনি।
তারপর আমাদের বয়স ১৮ হয়ে যায়, কিন্তু তখনো আমাদের মনে এখনও বাস্তব চিন্তার উদয় হয়না,
তবুও এসময়ে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো আমাদেরকেই নিতে হয়।
ভবিষ্যতের বীজ বপনের জন্য প্রস্তুত?
ভাববেন না এই বিষয়টি আমার দারুণ পছন্দের, সত্যি বলছি।
তোমার বৃত্তির কী খবর?
তোমার জিপিএ কতো?
আরো ভালো হতে পারতো।
পি.এস.এ.টি? এ.সি.টি?
এখনো...
এখনো পি.এস.এ.টি দাওনি?
না।
দারুণ!
বেশ, আমি তোমাকে বলে দিতে পারি যে তোমার বৃত্তি
আরও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে চলে যাবে,
যাদের এস.এ.টি স্কোর ৯০ শতাংশের উপরে।
বাহ! ধন্যবাদ।
অবশ্যই।
আর যদি তোমার কাছে টাকা না থাকে আর গ্রেডও ভালো না থাকে,
অনেকগুলো সিদ্ধান্ত তোমার সামনে দেয়ালের মতো দাঁড়িয়ে যাবে।
কোন ভবিষ্যতকে তুমি আঁকড়ে ধরতে চাও?
তুমিই অনুমান করে বল।
মজুতদার?
প্রায় কাছাকাছি বলেছো।
লাইব্রেরিয়ান।
লাইব্রেরিয়ান? অসম্ভব!
জানি।
যখনই কেউ "লাইব্রেরিয়ান" শব্দটি শোনে,
তখনই তাদের চোখে ৬০ বছরের সাদা চুলওয়ালা মহিলার ছবি ভেসে ওঠে।
আমরা...
রিব্র্যান্ডিং করছি।
কিছু মনে করোনা, কিন্তু এটি তো এখন মৃতপায় এক শিল্প, তাইনা?
মানে, ট্রাভেল এজেন্সি বা কাপকেক স্টোরের মতো?
খুব সম্ভবত তুমি কিন্ডেলের মালিক।
জীবনেও না।
না, আমি...
একটা নরম মলাট, নির্দিষ্ট মার্জিনের ভেতর চলতে হয়।
এক সদৃশ আত্মা।
তো, ডিউই ডেসিমাল সিস্টেম ছাড়া,
লাইব্রেরীতে আর কী চলবে?
বেশ, আমি ভাবি আমরা এমন একটি জায়গা যেখানে লোকজন একসাথে আসবে,
নিজের জাতকে খুঁজবে।
তুমি লেখালেখি কর?
দেখে তো তাই মনে হচ্ছে!
না।
লেখি, কিন্তু... কাউকে কখনো দেখাই না।
আমাদের জায়গাটা খুবই নিরাপদ।
আমরা সব গোপন রাখি,
আর আমাদের কাছে যত-পারো-খাও কুকি প্লেটারও আছে।
বেশ, ধন্যবাদ।
হয়তো ওখানে আমাদের দেখা হবেনা, কিন্তু ধন্যবাদ।
অবশ্যই।
একটা ইস্তাহার নে। তাদের স্কলারশিপ আছে।
আমার কোনো ইস্তাহারের দরকার নেই, তোর স্কলারশিপেরও দরকার নেই,
আর আমার এই চার বছর নষ্ট করারও দরকার নেই।
আমার দক্ষতা আছে।
আর একটা সুন্দর মুস্টেং।
ধন্যবাদ।
তো, তুই আমাকে অপহরণ করছিস?
তুই কোর্টেনিকে অপহরণ করেছিলি?
একটা উদ্দেশ্য ছিল।
আমারো আছে।
এলেক্স।
ঠিক আছো তুমি?
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
এ নিয়ে ভেবো না।
এসব এই বালের টেপের জন্য হচ্ছে, তাইনা?
সব ঠিক হয়ে গেলে, তুমিও ঠিক হয়ে যাবে।
হ্যাঁ, কিন্তু সব ঠিকঠাক হবে কীভাবে?
কী, জেস? আসবে কি না?
এক মিনিট। এলেক্সের সাথে কথা বলছি।
ও, কী নিয়ে?
সে আমাকে কতটুকু মিস করে সেটা নিয়েই বলছে।
আমি বয়ফ্রেন্ড হিসেবে আমি তোর চেয়ে কত ভালো সেটা নিয়ে বলছে।
আমার সাথে ব্রেক-আপ করে কী ভুল করেছে, সেটা নিয়ে ভাবছে।
- তোর শরীরে কি বাজে গন্ধ, এসব নিয়ে বলছে। - আরে, এলেক্স!
- চুদি তোরে, এলেক্স। - কী? সত্যিই বলেছি।
সে বলল, "জাস্টিনের শরীরে বাজে গন্ধ"। আমি বললাম "জানি"।
আমি এসব বলিনি।
- তুই খুবই পুংটা, স্ট্যান্ডাল। - না, পুংটা হলি তুই, জাস্টিন।
"ওই বাইঞ্চোদের খেল খতম করে দিই"? এর মানে কী বুঝাতে চেয়েছিস?
No comments yet. Be the first to leave one.