De første 200 linjer.
এটি আমার করা ৫ম একক সাবটাইটেল। ভালো লাগলে গুডরেটিং দিতে ভুলবেন না।
ভিনসেন্ট ভ্যানগগ সম্পর্কে বেশি কিছু না জেনে থাকলে .Txt ফাইলে ঘুরে আসুন। ওখানে ভিনসেন্ট ভ্যানগগ সম্পর্কে একটি শর্ট আর্টিকেল দেয়া আছে।
ছোটখাটো ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল৷
-অনুবাদ ও সম্পাদনায়- প্রমিত সরকার ধ্রুব
ও সবসময় ঝামেলা পাকাতে পছন্দ করে।
এটা আমার বাবার জন্য।
তামাশা শেষ।
কী হচ্ছিল এখানে?
স্যার।
আপনাকে যার সাথে মারামারি করতে দেখলাম সে কি ইয়ং আরমান্ড ছিল?
জ্বী স্যার।
কী নিয়ে?
ওই এক চিত্রশিল্পীকে নিয়ে, যাকে সে চেনে।
সত্যি?
সে এটা ফেলে রেখে গেছে, স্যার।
আমি এটা নিয়ে যাচ্ছি।
সাবধান হয়ে পড়ুন।
আর যেন এরকম ঝামেলা করতে না দেখি।
আপনার চিঠিটি বাইরে ফেলে এসেছিলেন।
এটা আমার চিঠি নয়।
এটা ভিনসেন্টের চিঠি।
থিও ভ্যানগগের কাছে লিখা হয়েছে ৷
উনি তো ভিনসেন্টের ভাই, তাইনা?
হ্যাঁ, ভিনসেন্ট এটা রেখে গেছে।
তার পুরোনো বাড়িওয়ালা জেনো ঘর পরিষ্কারের কাজ করার সময় এটা খুঁজে পায় ।
তিনি এই চিঠিটি আমার বাবাকে দেন আর বাবা আমাকে বলেন..
আমাকে এটা পৌঁছে দিতে হবে।
মনে হয় যেন এটা আমার কাজের মধ্যে পড়ে।
আমার কাজ হচ্ছে ধাতব জিনিস পিটিয়ে নির্দিষ্ট আকার দেয়া, চিঠি বিলি করা নয়।
নিজেকে কেন কিনে নিচ্ছেন না?
আসলে তার এটার দরকার নেই, আছে কি?
মৃত ব্যক্তির চিঠি পৌঁছে দেয়ার মধ্যে কোনো মানে খুঁজে পাচ্ছিনা আমি।
আপনার বাবা কেবল তার শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে চাচ্ছেন।
কীসের জন্য?
পৃথিবীতে যার কোনো অস্তিত্বই নেই সে আমাদের জন্য কী করেছে?
আমার পরিবারকে কলঙ্কিত করে দেয় যখন আমার বাবা...
ওই আবেদনে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেন।
তাকে শহর থেকে বিদায় করার জন্য--
আমি স্বাক্ষর করে দিয়েছিলাম।
এবং, আবেদনপত্র ঠিকঠাকই ছিল, লোকটা পাগল ছিল।
তিনি পাগল ছিলেন না।
তিনি একজন দূর্দান্ত লোক ছিলেন ।
সবকিছু তখন থেকেই অদ্ভুত হতে থাকে যখন তার বন্ধু..
গগুইন আসে।
ভিনসেন্ট তার হলুদ বাড়িটি নিয়ে খুবই ব্যগ্র হয়ে পড়েছিলেন...
সেটা চিত্রশিল্পীদের হোস্টেল হয়ে উঠবে বলে।
আর, গগুইন হবে কর্তা ।
চেয়ারটা কোথায়?
হ্যাঁ, দারুণ।
- কিন্তু, অবশেষে সে যখন এল,
মুহূর্তের মধ্যেই তারা গলাগলি বন্ধুত্বের থেকে...
একে অন্যের গলার টুটি চেপে ধরলো।
না, না, তুই যেতে পারিস না।
না, তুই যেতে পারিস না!
শান্ত হ, ভিনসেন্ট।
বেভারলি।
হ্যালো ভিনসেন্ট।
তোমার জন্য একটা উপহার এনেছি।
মারামারি করেছ নাকি?
ভালো করে যত্ন নিও এটার।
ওহ, দারুণ।
ঠিক আছেন আপনি?
দূর্দান্ত লোক?
এভাবে আমি তাকে মনে করিনা।
ওই খ্যাপা লোকটা নিজের কান কেটে ফেলেছে।
তোমার বাবা কি সেলাই করতে গিয়েছে নাকি?
না, উনি সাহায্য করছেন।
কথাটা শুনে মনে হচ্ছে, এক পাগলে..
..আরেক মাতালকে সাহায্য করছে।
কী বললি আবার বল!
আবার বল!
আগামী সপ্তাহে মামলা শুরু হবে।
ওহ! ওরা চলে আসবে, হামাগুড়ি দিতে দিতে।
শুভসন্ধ্যা ভদ্রমহোদয়, আমার ছেলেকে দেখেছেন?
আহ! মিঃ রাওলিন। হ্যাঁ, ওকে ভেতরে পেয়ে যাবেন।
ওর না ট্রেনে করে প্যারিসে যাওয়ার কথা।
ওকে দেখে কোথাও যাবে বলে মনে হচ্ছে না।
ও বিপদের মধ্যে আছে।
ছেলেটি এই জিনিসটিই খুঁজছে।
শুভসন্ধ্যা জোসেফ।
চিঠিটা পোস্ট করতে পারলেনা কেন?
করেছিলাম, চিঠিটি অপ্রদানযোগ্য হিসাবে ফিরে এসেছে।
যদি তোমার ডাক পরিষেবাই তাকে খুঁজে না পায়,
তুমি কীভবে ভাবছ যে আমি খুঁজে পাব?
নিজের উদ্যোগ ব্যবহার করো, পুত্র।
মিঃ থিও ভ্যানগগের মতো একজন নামি-দামি লোক
আশেপাশে জিজ্ঞাসা করলেই পাবে।
- কিন্তু, খুঁজে পাওয়ার পর কী বলব উনাকে?
গতানুগতিক ভাবে বলবে 'আপনার হারানোর বেদনায় আমিও সমব্যথিত।'
চলো আগে তোমাকে ঠিক করি।
আমি যেতে পারব না, অনেক দেরী হয়ে গিয়েছে।
রাতটা খুব সুন্দর।
তোমাকে গভীর শোক প্রকাশ করতে হবে..
আমার, তোমার মায়ের আর তোমার ভাইয়ের তরফ থেকে।
ওহ, আর ছোট্ট মার্সেলের তরফ থেকে জানাতেও ভুলো না।
সেও তার বন্ধু ছিল।
তার বয়স মাত্র ১০ মাস ছিল৷
বাচ্চারা অনেকটা পশুর শাবকদের মতো।
তারা একজন লোকের আকৃতি দেখে তাদের হৃদয় বুঝে নিতে পারে।
আরে না!
এরা বড়দের চেয়ে কম চঞ্চল হয়।
জেনোর কথা ভাবো।
সে এক হাসি দিয়ে ভিনসেন্টের সারা বছরের অর্থ নিয়ে যায়
তারপর তার নিন্দা জানিয়ে আবেদনে স্বাক্ষর করে।
হেই, মনে মনে হয়তো বলছ জেনোর কাছে চিঠিটা...
...দুই বছর যাবত ছিল।
আমি চাইনা মিঃ থিও ভাবুক যে আমরা এটা নিয়ে বসে আছি।
তাকে বলো জেনো একটুও বিরক্ত না হয়ে...
কীভাবে আমাকে চিঠিটা দিয়ে দিল, যতক্ষণ পর্যন্ত সে না শুনল
যে ভিনসেন্ট...
আত্মহত্যা করেছিল৷
এটা বিশ্বাস করতে এত কষ্ট হচ্ছে কেন?
তুমি তো দেখেছ ওখানে কী হয়েছিল।
তার স্বাস্থ্য ভেঙে গিয়েছিল।
এটা মানুষের সাথে হয়েই থাকে...
যখন তারা দূর্বল হয়ে পড়ে।
দীর্ঘজীবী হও, তুমিও টের পাবে।
জীবন শক্তিশালীদেরকেও দমন করে দিতে পারে।
কান হারানোর পর, কেউ থাকে একটা সুযোগ পর্যন্ত দেয়নি।
এমনকি বাচ্চারাও তাকে পীড়া দিত।
এখান থেকে দূর হ!
যা, এখান থেকে দূর হ!
আমরা হলাম রাজা।
বাচ্চাদেরকেও তার পিছু পিছু তাড়া করতে দেয়া, আর এভাবে...
তাড়া খেতে খেতে পালিয়ে যাওয়াটাকে আমি দূর্বলতাই বলব।
আর তার প্রতিবেশী, পুলিশ, মেয়র,
এমনকি পুরো শহর!
একজন অসুস্থ লোকের বিরুদ্ধে!
সুস্থ হওয়ার জন্য সে এমনকি সেন্ট রেমিতেও থেকেছিল...
এবং তার ফলাফলও পেয়েছিল।
সে সুস্থ হয়ে ওখান থেকে মুক্তি পায়।
তার মানে এই নয় যে সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে পড়েছিল, এমনটা কি?
আমি একদম সুস্থ এবং স্বাভাবিক বোধ করছি।
মৃত্যুর ছয় সপ্তাহ আগে এটা আমাকে লিখে পাঠিয়েছিল।
একজন মানুষ কীভাবে পুরোপুরি সুস্থ থাকা সত্ত্বেও...
ছয় সপ্তাহের মধ্যে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়?
খুবই দুঃখজনক, বুঝতে পেরেছি।
কিন্তু, এখন এই চিঠি পৌঁছে দিলে কী হবে?
ওরা খুবই ঘনিষ্ট ছিল।
ভিনসেন্ট তার ভাইয়ের কাছে প্রতিদিনই চিঠি লিখত।
আমি জানি, কারণ আমিই সেই চিঠিগুলো নিতাম।
যদি আমি হতাম, আমি চিঠিটা চাইতাম।
যদি তুমি, খোদা না করুক, যদি তুমি মারা যেতে...
আর এরকম কোনো চিঠি আমার কাছে লিখতে,
আমি সেই চিঠিটা চাইতাম।
যদি আমার এমন হতো তাহলে তুমি চাইতে না?
আরে, পাগল নাকি!
আমরা পার্কে যেতে পারি।
হ্যাঁ, কিন্তু সম্ভবত এখনো কর্দমাক্ত।
শুনেছি আপনি নাকি ভিনসেন্টের জন্য রঙ সরবরাহ করতেন।
তাই মনে করলাম আপনি হয়তো থিওকে চেনেন।
আগে আমাদের পান করা উচিত।
এটা ব্র্যান্ডি। (একপ্রকার মদ)
বসুন।
আমাদের এখানে দেয়া ঠিকানায় তিনি ছিলেন না।
ওখানে একটি ছেলে বললো হয়তোবা আপনি জানতে পারেন।
আমার মনে হয় আপনি এই চিঠিটি কখনো থিও ভ্যানগগের কাছে বিলি করতে পারবেন না।
ওহ, আচ্ছা।
বেশ, কীভাবে?
দুটো হৃদয়, একটা মন। ভিনসেন্ট আমাকে এটা বলেছিল।
সম্ভবত ঘটনা এটাই ছিল।
কারণ ভিনসেন্টের মৃত্যুর পর, থিও...
সেটা মেনে নিতে পারেনি।
তোমার জন্য কিছু আনব সোনা?
সে আগে থেকেই মনমরা প্রকৃতির ছিল,
কিন্তু ভিনসেন্টের মৃত্যু তাকে ধ্বংস করে দেয়।
শেষ সময়ে তিনি সারাদিন ওর সাথেই সময় কাটাতেন..
কিন্তু ভিনসেন্ট তাদের সময়কে জীবন নিয়ে আলোচনা করার জন্য ব্যবহার করত,
মৃত্যু নিয়ে নয়।
কোনো সুইসাইড নোট পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, তাই ঘটনাটা রহস্য হয়ে থেকে গেল।
আর থিও শুধু প্রশ্ন করতে লাগল 'কেন'?
ভিনসেন্টকে কবর দেয়ার ছয়মাস পর, থিও'ও মারা যায়।
দুজনেই!
তাহলে ভিনসেন্ট কীভাবে মারা গেল?
সে নিজেকে ওভেরসের একটা মাঠের মধ্যে বন্দুক দিয়ে গুলি করে..
যেই ইজেলের মধ্যে সে আঁকতে পছন্দ করত সেটার পাশে।
কারণটা জানেন?
না।
থিও ভাবত তার(ভিনসেন্টের) দুঃখ তাকে তার শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
নিজের পরিবারে মানিয়ে নেয়ার জন্য সে তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করত।
কিন্তু, কখনো পেরে উঠতে পারেনি।
ভিনসেন্ট আমায় বলেছিল সে পরিবারের বড় সন্তান, কিন্তু প্রথম সন্তান নয়।
তার আগে আরেকজন ভিনসেন্ট জন্ম নিয়েছিল, মৃত হয়ে জন্ম নেয়া ভাই।
সে ভাবত ওই ছেলেটি আদর্শ ভিনসেন্ট ছিল...
...যেটা সে তার মায়ের চোখে হয়ে উঠতে পারেনি।
তারা যেমনটা চাইত সেরকমটা হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতো সে।
সে তার চাচার আর্ট ডিলারশিপে কাজ করতে আরম্ভ করে...
কিন্তু তাকে অপদস্থ করে তাড়িয়ে দেয়া হয়।
সে তার বাবার পেশা গ্রহণ করার চেষ্টা করেছিল, চার্চে...
কিন্তু যাজক হওয়ার পরীক্ষাটি তার জন্য খুব কঠিন হয়ে দাঁড়ায়,
তাই সে একজন ছোটখাটো ধর্মপ্রচারকের পদে চাকরি নেয়।
সেখান থেকেও সে বরখাস্ত নেয়।
আবারো ব্যর্থতা।
কিন্তু থিও বলতো সে নিজেকে খুব বিশ্বাস করে,
আর যদি ভিনসেন্ট নিজের জন্য লড়াই করে,
তাহলে সেটা নিজের সাথেই করবে।
আর, এটাই হলো৷
প্রথমবারের মতো ২৮ বছর বয়সে ভিনসেন্ট হাতে তুলি নেয়,
এবং থিওর সমর্থনের ফলে, কেউ তাকে থামায় নি।
তারপর কী হল?
No comments yet. Be the first to leave one.