De første 185 linjer.
পৃথিবীতে এমন কিছু নেই যা একজন বাবা তার ছেলের জন্য করতে পারে না।
তোমার মা এটা কখনোই বুঝতে পারেনি।
সে কেবল তোমার মধ্যকার জানোয়ারটাকেই দেখতো।
আমি দেখেছিলাম সম্ভাবনা।
যখন কেউ তোমার টাকা ছিনিয়ে নিবে তুমি তার চোখ উপড়ে নেবে।
যখন কেউ তোমাকে পাগল বলবে তুমি তার জিভ ছিঁড়ে নেবে।
কিন্তু যে কারণে আজ তোমাকে এখানে এনেছি।
দয়া দেখাতে?
নাকি ভালোবাসা?
না।
কারণটা হচ্ছে, আমি যা গড়ে তুলেছি তা যেন আমার সাথেই শেষ না হয়ে যায়।
আমার উত্তারাধিকার যেন বেঁচে থাকে,
কারণ ছেলে আর বাবার সম্পর্কের উপরে কিছু হয় না।
এই কাজটার জন্য কেবল একজনের উপরেই ভরসা রাখতে পারি।
তুমি।
আমার সবচেয়ে দক্ষ লোকগুলো টাকার গুদামের উপর নজর রাখছিল,
অথচ ডমিনিক টরেটো ওদের নাকের ডগায় বসে আমার সম্পদ পোড়াল।
আমি ডমিনিক টরেটোকে খুন করবো
ওদের সবাইকে শেষ করে দেবো।
খুন করবে? অর্থাৎ দয়া দেখাবে?
না, পুত্র আমার,
যখন কারো জন্য ভোগান্তি বরাদ্দ থাকে, মৃত্যু দিয়ে তা পরিশোধ কোরো না।
টোরেটোকে ভোগাবে।
এখন আমাদের কাজ শুরু হবে।
এখানে বসে,
আজ আমরা আমাদের পরিবারকে সত্যিকার ক্ষমতার চূড়ায় নিয়ে যাবো।
চলো শুরু করা যাক।
হচ্ছেটা কী?
ওরা ভল্টটা চুরি করছে।
ভল্টটা নিয়ে পালাচ্ছে!
কীহ?
পুরো ভল্ট!
শিট!
ওদের পেছনে লেগে থাকো।
সেতুতে উঠলে আর পালাতে পারবে না।
হেই, ওদের জনবল অনেক!
- আমরা পালাতে পারবো না। - না, পারবো না।
- কিন্তু তুমি পারবে। - না, তোমাকে ছেড়ে যাচ্ছি না।
আমাদের প্ল্যান মাফিক কাজ করো।
আসল প্ল্যান তো এটাই ছিল।
ওদের পালানোর কোন পথ নেই।
করছে কী ও?
ধরো ওকে!
প্রায় করে ফেলেছিলে।
ধারেকাছেও না।
বি, কেউই প্রথমবারে জিততে পারে না।
তোমাকে বিশ্বাস রাখতে হবে।
আজকের অনুশীলনের শিক্ষা মাথায় রাখবে।
গন্তব্য স্থির করবে,
বাহনকে অনুভব করবে,
তারপর উড়াল দিবে।
আর ভয় পাওয়াটা খারাপ কিছু না।
কোন কোন সময় ভয়ই হচ্ছে সর্বোত্তম শিক্ষক।
আমি ভয় পাইনি।
- সবাই ভয় পায়, বাছা। - তুমি তো পাও না।
তুমি কোন কিছুকেই ভয় পাও না।
জলদি চলো।
তোমার বড় মা এসে পড়েছে।
আর উনি তার বিখ্যাত কাঁচকলা ভাঁজা বানাচ্ছেন।
ওগুলো রোমান আঙ্কেলের হাতে পড়ার আগেই আমাদের যেতে হবে।
এটা আসলেই ভয়ের কথা।
তুমি ছিলে এতোদিন মরা মানুষ
সেখন সময় ফুর্তি করার।
বললাম তো ভাই, এসবের দরকার নেই।
তোমার প্রোফাইল কমপ্লিট।
ধন্যবাদ দিতে হবে না।
এখন তিন-চারদিন অপেক্ষা করো...
সাথে সাথে তো আর কিছু হয় না,
- ওরে ওরে? - হুম
ওয়াও!
তোমার খোমাটা দেখি একবার!
নির্ঘাত ফিল্টার মারসো।
তোমরা কী দেখছ?
- আরে এটা ভিডিও গেম। - না, না, দাড়াও!
- আস্তে, ভায়া। - শুধু ভিডিওগেম।
তোমাদের সাথে বসতে পারি?
ড্রিফটিং করছো তো?
করেছি
আমাদের দেখলে বুঝতে, মা। অস্থির ছিল।
হেই!
ওহে, পরিবার আমার!
ক্ষুধায় পেট জ্বলছে!
এসো।
আর সবাইকে একবার করে জড়িয়েও ধরতে চাই...
ওহ
দেখছো না বিশাল লাইন?
তোমার ভালোবাসা নেয়ার জন্য সবাই লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে, দাদী।
- আবার জিগায়! - আগে খেয়ে দেখো।
আসলেই ভালো।
এটা আমি খাচ্ছি না।
দোয়া করে সবাই একটু চুপ করো
দাদী তোমাদের কিছু বলতে চায়।
শোরগোল বন্ধ একদম
যখন আমি এই অসাধারণ পরিবারটার দিকে তাকাই,
আমি অনেক বেশি গর্ব অনুভব করি।
যেরকম অনুভব করতো আমার ছেলে... তোমার বাবা...
যদি ও এখানে থাকতো।
জানি এই পথটা অনেক বেশি রুক্ষ,
আর বন্ধুর ছিল।
তারপরও তোমরা সবাই এখানে,
সব বাঁধা পেরিয়ে,
তৈরি করেছ এই অসাধারণ...
এটা এমন এক পারম্পর্য যেটা প্রজন্মের পর প্রজন্ম চলতে থাকবে।
কেউ এটা ছিনিয়ে নিতে পারবে না।
এখনও না,
কখনোই না।
নিশ্চয়ই!
পরিবারের তরে।
পরিবারের তরে।
সবসময়।
হেই, এগুলা আমার নতুন জুতা, খেলাধুলা থামা! ধেত্তেরি...
কিন্তু রোমান, এজেন্সি যখন তোমাকে দায়িত্ব দিল
তুমি বলেছিলে আমি গাড়ি চালাবো।
আমার যেটা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে
তোমার ওই সুবিশাল মস্তিস্ক।
যে কথা তোমান পিয়ার্স কোনদিন স্বীকার করেনি।
তাহলে ব্যাপারটা খুলে বলো, বিস্তারিত জানতে চাই।
আসলে এজেন্সি কিছু চুরি যাওয়া মিলিটারি যন্ত্রাংশের খবর পাইসে।
আগামীকাল, রোমের রাস্তা দিয়ে কিছু অত্যাধুনিক
কম্পিউটার চিপ নিয়ে যাওয়া হবে।
আর ওরা চায় আমরা সেগুলা হাতায় নেই।
রোমানের তথ্যের ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছি আমি।
কোন ভুল নেই।
ভুল আসবে কইত থেকে!
কথা হইতেসে রোম নিয়া...
রোম, রোমান!
বুঝো একবার।
এ যেন আমার ঘরের পিছনে সিঁদ কাটতেসি।
রোমের ব্যাপারে তোর জ্ঞান 'রো-মান' নুডুলস পর্যন্তই।
একটা ব্যাপার তুই পরিষ্কার করিস নাই।
আমাদের কেন একটা খেলনা গাড়ি,
সোনালি ল্যাম্বরগিনি আর ১২ সিলিন্ডার লাফিং গ্যাস লাগবে?
আমি আছি, কারণ মনে হচ্ছে তোমার
অনেক বেশি মস্তিষ্কের প্রয়োজন।
তুই কিছু একটা পাকাচ্ছিস।
- হেই, রোমান... - কথা বইলো না তো ভাই।
কোন কথা শুনতে চাই না।
- ঠিক আছে। - আর শুনে রাখ,
এই অসম্মানজনক আচরণ বন্ধ হওয়া চাই।
এখনই!
আসলে এটা ছিল... মানে বুঝতেছিস তো?
একটু নেতাসুলভ কথাবার্তা প্র্যাক্টিস করতেসিলাম।
বুঝতে পারছি কী হচ্ছে এখানে...
তেজ, নিজেরে তুই অনেক চালু ভাবিস।
দেখো দেখি।
আমার উপর গোয়েন্দাগিরি করছো।
এই পুরনো নৌকার নোঙর নিয়ে কী করছো?
কোন ফুয়েল ইনজেকশন দেখছি না।
তোমার থেকে আরও বড় এবং
ভালো কিছু আশা করছিলাম, ডম।
আমি আর ছোট্ট বি মিলে এটা বানাচ্ছি।
কারবুরেটরের গর্জনে ও কথা শুনতে বাধ্য হচ্ছে।
আজকাল এটাই একটা সমস্যা হয়েছে।
- কেউ কথা শুনে না। - সাবধানে থেকো, ভায়া।
পিচ্চি দেখা যাবে ১২ বছর বয়সেই আমাদের যে কারো চেয়ে
ভালো মেকানিক ভয়ে যাবে।
সেটাই তো মূল লক্ষ্য, তাই না?
শিখিয়ে যাওয়া।
প্রতিটা প্রজন্মকে আগের থেকে দক্ষ করে গড়া।
কথা সত্য।
এটাই পিতৃত্ব।
সেই সময়টা কত দূরে হয় যখন আমরা দুইজন
- গ্যাস ট্রাক চালিয়ে বেড়াতাম? - সেরকমই মনে হয়।
সময়গুলো বেশ কঠিন ছিল।
সময়গুলো অসাধারণ ছিল।
ওহ, তোমরা... মিটিং করতেসিলা নাকি?
আমার ভুল হয়েছে।
তোমাদের বিরক্ত করতে চাই নাই।
হান, চলো ভায়া।
রোমান আমার কাছে এই মিশন পরিচালনার আবদার করে।
আমি কীভাবে ওকে মানা করি?
কিন্তু এটাও জানো যে তোমাকে ছাড়া রোমে ওদের একা ছাড়তে পারি না।
মোরা আজীবন দস্যু।
আজীবন দস্যু।
তুমি ওর নামের মর্যাদা রেখেছ।
আমাদেরকে হৃদয়ে বেঁধেছ...
...আর তুমি কখনোই তোমার পথ হারাবে না।
তুমি আমার থেকেও বেশি দক্ষ হবে।
কী দেখছ?
তোমাকে।
- পিচ্চি ঘুমিয়ে গেছে? - হু
তুমি এতো সুন্দর কীভাবে হচ্ছ?
ওটা চলে এসেছে?
না।
- যখন সময় হবে এসে পড়বে। - হুম
No comments yet. Be the first to leave one.