Caché

Caché

Download Bengali undertekster

Udgivelsesinfo

Cache (2005) Bangla sub
En kommentar af Luca

Tags

bluray
Udgivet den: 2025-08-24
Downloads: 46
Hørehæmmede: No

Forhåndsvisning af Bengali undertekster

De første 200 linjer.

সাবটাইটেল বাই: AR SOUROV

তো কী বলবে?

কীইবা বলার আছে?

ওটা কোথায় ছিলো?

বারান্দায়, একটা প্লাস্টিক ব্যাগের মধ্যে।

কী সমস্যা?

ব্যাটা হয়ত এখানেই ছিলো।

ভেতরে এসো।

রোঁশা আর বোফেদের জিজ্ঞেস করে দেখবনে, কাউকে দেখেছিলো কিনা।

আন্তোয়ানকে কল করেছিলাম। বলল, কাউকে দেখেনি।

মারি ফোন রিসিভ করেনি।

ক্যাসেটটার রানটাইম ২ ঘন্টারও বেশি।

তুমি কখন বের হয়েছিলে?

তুমি বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই। এই ধরো, ৮:৩০ টার দিকে।

ফ্রঁসোয়া ফোন করেছিলো...

দেখো!

দেখি দাও তো।

আজব ব্যাপার! তখন তো কাউকে দেখতে পাইনি।

সম্ভবত গাড়ির ভেতর থেকে ভিডিও করেছিলো।

না, কাঁচের ভেতর ভিডিও করলে বোঝা যেত।

বা হয়ত... রাস্তার ঐ পাশের বাড়ির ভেতর থেকে করেছে।

কী যে বলব তা নিজেও জানি না!

এমন রসিকতা কে করতে পারে?

খাবার ঠান্ডা হওয়ার আগে জলদি খেয়ে নেওয়া উচিত।

হয়ত পিয়েরোর কোনো বন্ধু করেছে।

বন্ধুর বাবা-মায়ের সঙ্গে মজা করতে চেয়েছে।

মনে হয় না। তাছাড়া, এটা মোটেও কোনো হাসির ভিডিও নয়।

তা ঠিক।

ও কোথায়?

- কে? - পিয়েরো।

জানি না। শীঘ্রই চলে আসবে।

ওটার মধ্যে ছিলো?

- কী ছিলো? - ক্যাসেটটা?

না, বাজারের ব্যাগের মধ্যে ছিলো।

ব্যাগটা কোথায়?

হয়ত ডাইনিং টেবিল বা হলঘরে পড়ে আছে।

কী করবে শুনি?

ভেতরে কোন নোট ছিলো না?

এত উৎসুক হলে নিজেই গিয়ে দেখো।

সালাদটা আনতে পারবে?

আজ বেশি কিছু রান্না করিনি।

নাও।

ঐ ব্যাগের মধ্যে ছিলো?

আমাকে কি বলদ মনে হয়?

আরে বাবা, নজর এড়িয়েও তো যেতে পারে!

ক্যাসেটটাও খুলে দেখো, হয়ত লেবেল-টেবেল নজর এড়িয়ে গেছে।

আমি কেবল বোঝার চেষ্টা করছি...

সাহেব এলেন!

শেষমেষ এলে!

কী খবর, বাবা?

এই তো।

পিয়েরো বসে পড়ো, খাবার বেড়ে দিচ্ছি।

কোথায় ছিলে?

ইভের বাসায়। কেন?

ছেলের ভালোমন্দ জানতে চাওয়াটা কি অপরাধ?

- শুভসন্ধ্যা, পিয়েরো। - শুভসন্ধ্যা, মা।

ঠিক আছো?

তো?

মঙ্গলবার, ইভের বাসায় গিয়েছিলাম।

বুধবার জ্যামিতির ক্লাস আছে তাই ও হোমওয়ার্কে সাহায্য করেছিলো।

হয়ত তোমার কোনো ভক্তের কাজ।

পিয়েরো, পানির নিচে দম নিও না।

আন্দ্রেও একই ভুল করছো।

জি?

পানির নিচে দমটাকে ধরে রাখো।

থমাস, পা'টাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করো।

পিয়েরো, বাঁক নেওয়ার সময় একটু নিচু হয়ে ঘুরো।

আন্দ্রে ভালো করছো তবে একটু বেশি গভীরে চলে যাচ্ছো।

বেশি গভীরে চলে যাচ্ছো।

থমাস, দমটাকে ধরে রাখো।

২ সপ্তাহ পর ঠিক একই সময়ে ফিরে আসব।

পরবর্তী পর্বে দেখা হচ্ছে তাহলে।

ভালো বই পড়তে ভুলবেন না।

বরাবরের মতো আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

শুভরাত্রি।

দয়া করে শেষ না হওয়া পর্যন্ত জায়গা থেকে নড়বেন না!

সবাইকে ধন্যবাদ!

হ্যাঁ, বলো।

ক্যাসেটটা ভেতরে মোড়ানো ছিলো।

কী হয়েছে?

কী সমস্যা?

জর্জ?

হ্যাঁ?

ও কিছু না।

আমি একটু...

ক্লান্ত বোধ করছি।

তো, এখন কী করবে?

মানে?

পুলিশকে বলবে সবকিছু?

হ্যাঁ...

না...

জানি না। ড্রয়িংটা আরেকবার দেখতে দাও তো।

পুলিশকে এখনি জানালে ভালো হয়।

দেখে তো মনে হয়, কোনো শিশুর হাতে আঁকা।

জানি না বাপু।

পিয়েরোকে জিজ্ঞেস করব?

করে লাভ কী?

ওর ক্ষুদে বন্ধু সারারাত জেগে আমাদের ওপর নজর রাখবে?

এটা কি আদৌ বিশ্বাসযোগ্য?

বন্ধ করলে কেন?

কেন নয়?

আর কী দেখতে চাও?

যদিও আহামরি কিছু না, তবুও ভিডিওটা দেখলে অস্বস্তি লাগে।

পিয়েরোর সঙ্গে কথা বলেছো?

কথা বলা কি উচিত?

জানি না।

এসব কোনো ছেলেপুলের কান্ড বলে তো মনে হয় না।

- তাহলে এখন কী করবে? - আজব! তা আমি কী করে বলব?

মিসেস. লরা?

হ্যালো, মানু বলছি। জর্জ কি বাড়িতে আছে?

দুঃখিত, একটু আগে চলে গিয়েছে।

একটা ফাইলের ব্যাপারে ফোন করেছিলাম।

হ্যাঁ, যাওয়ার সময় ওর হাতে ফাইলটা দেখেছি।

বেশ, অসংখ্য ধন্যবাদ! আপনার দিনটা ভালো কাটুক!

আপনারও ভালো কাটুক।

মি. জর্জের সঙ্গে কথা বলতে চাই।

আপনি কে?

মি. জর্জের সঙ্গে কথা বলতে চাই।

কে আপনি? কী চান?

মি. জর্জের সঙ্গে কথা বলতে চাই, অনুগ্রহ করে তার কাছে দিন।

আপনার স্ত্রী ফোন করেছেন। কলব্যাক করবেন?

ধন্যবাদ।

এটা কী?

খামের মধ্যে ছিলো।

দেখে চালা, বোকাচোদা!

কী বললেন?

সাবধানে চালানো যায় না? হাদারাম কোথাকার!

বাদ দাও।

আরেকবার বলুন তো, কী বললেন?

চোখে কি ছানি পড়েছে?

অবিশ্বাস্য!

বলদের মতো না তাকিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন কেন?

উল্টো পথে গরুর মতো তেড়ে আসছিলে কেন?

শোরগোল করুন!

গলায় কত জোর আছে দেখতে চাই!

ঝামেলা করে লাভ নেই।

দোষ তোমারও আছে, আমাদেরও আছে।

বালের মুখটা বন্ধ রাখলেই বরং ভালো হয়!

দুঃখিত।

যাই হোক...

এই উটকো ঝামেলা এখন আমাদেরই সামলাতে হবে।

আপাতত নাহয় ভালো আছি কিন্তু সামনে যদি ক্যাসেটের বদলে আগুন কিংবা বোমা ছুঁড়ে মারে, তখন কী হবে?

অমন কথা মুখে আনতে নেই।

কী খবর, বাবা?

কী খবর, পিয়েরো?

- কী মনে করে এলে? - মানে?

হঠাৎ নিতে এলে যে?

কাজের চাপ ছিলো না। ভাবলাম, তোমায় নিয়ে যাই।

ওহ আচ্ছা।

তোমার মাকে অফিসে নামিয়ে দিয়েছি। আমাদের একটু কথা বলা দরকার।

কী কথা? এতক্ষণ তোমরা কোথায় ছিলো?

কিছু কাজ ছিলো। একারণেই তোমার সঙ্গে কথা বলতে এসেছি।

ওহহ আচ্ছা।

কার্ড পাঠিয়েছো কেন?

কিসের কার্ড?

এইটা।

টিফিন টাইমে ক্লাসটিচার আমার হাতে দিলেন।

উনি ড্রয়িংয়ের আগামাথা কিছুই ধরতে পারেননি,

তবে বললেন, এভাবে স্কুলের মধ্যে কার্ড চালাচালির ব্যাপারটা বেশ অদ্ভুত!

তো, উনি একদম কোনার দিকে আয়নার কাছাকাছি বসে ছিলেন।

হাজার হোক, বৃদ্ধ মহিলাকে বসিয়ে রাখাটা মোটেও ভদ্রতার পরিচয় নয়, তাই কাছে গেলাম।

নিজের পরিচয় দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ঠিক কী কারণে ডেকেছেন।

এভাবে হুটহাট ডাকার জন্য উনি ক্ষমা চাইলেন।

বসতে বললেন, উনাকে দেখে ভীষণ আবেগপ্রবণ মনে হচ্ছিলো।

কথামতো বসলাম।

বললেন, এর আগে এখানে কখনো আসেননি।

এভাবে অপরিচিত ব্যাক্তির সঙ্গেও কখনো কথা বলেননি।

কিন্তু আমার চেহারা নাকি কারো কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিলো, তাই ডাকতে বাধ্য হন।

খুবই কাছের একজন ছিলো। কী আর বলব বলো?

তার বয়স প্রায় ৭০। কাঁপা কাঁপা হাত দেখে বেশ মায়া লাগছিলো।

যাই হোক...

জানোই তো, আমি মানুষটা কিন্তু মোটেও আবেগপ্রবণ নই।

তবে উনাকে দেখে হৃদয় ছুঁয়ে গেলো।

ঠিক কার কথা মনে করিয়ে দেয়, সেটা জানতে বেশ উৎসুক হয়ে পড়লাম।

কে হতে পারে বলে মনে হয়?

প্রেমিক? বাবা? স্বামী?

আমার চেহারা নাকি... পোষা কুকুরটার কথা মনে করিয়ে দেয়। ঠিক এটাই বলেছিলো।

আমার জায়গায় তুমি হলে কী বলতে? তৎক্ষণাৎ উঠে দাঁড়িয়ে বললাম,

অনেক হাসি-ঠাট্টা তো হলো, এবার তাহলে চলি।

উনি শান্ত মুখে বসে পড়তে অনুরোধ করলেন।

বললেন, শুনতে অদ্ভুত লাগলেও একটু সময় নিয়ে যেন উনার কথাগুলো শুনি।

উনি কিন্তু মোটেও রসিকতা করছিলেন না।

গোটা ব্যাপারটাই অদ্ভুত লাগছিলো, তবুও উনার চাহনি দেখে ফের বসে পড়লাম।

পুনরায় গল্প শুরু করলেন। উনার কুকুরটা ১৯৬৪ সালে মারা যায়।

ব্যাপারটা হাস্যকর! কেননা ৬৪ সালে আমি জন্মেছিলাম।

উনার কথাকে সিরিয়াসলি নিইনি দেখে একপ্রকার মনঃক্ষুণ্ণ হয়েছিলেন।

আমার দিকে বিষণ্ণ চাহনি দিয়ে বললেন,

১৯৬৪ সালের ১৭ই এপ্রিল, রাস্তা পার হওয়ার সময় কুকুরটা ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে।

১৭ই এপ্রিল আমার জন্মদিন।

কী বলছো?

আমিও ঠিক এটাই বলেছিলাম।

তিনি বিস্তারিত বলতে লাগলেন।

তারা রাস্তা পার হচ্ছিলো, আচমকা একটা বড় গাড়ি এসে ভ্যানটাকে আড়াল করে দেয়।

ফলস্বরুপ, কুকুরটা চাপা পড়ে।

বাম্পারটা, সোজা ঘাড়ে আঘাত করে। মারাত্নকভাবে জখম হয়।

কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যায়।

শুনতে অবিশ্বাস্য লাগতে পারে...

হাতটা দাও।

আমারও ঘাড়ের পেছনে আঘাতের দাগ রয়েছে।

তো, এই কাহিনী কি সত্যি নাকি বানোয়াট ছিলো?

Kommentarer

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left