Prvních 200 řádků.
তিন, দুই, এক!
-চিজ! -চিজ!
..:: অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ::.. .:: MD MARUF::.
কিস! কিস!
একটা অদ্ভুত অনুভূতি, যেটা আমি উপেক্ষা করতে পারছি না।
GRADE 10, CLASS 1
আজকের জন্য এটুকুই।
আমি একটা ঘোষণা দিতে চাই।
আজকের শেষ দুই ক্লাসে,
আমরা জিয়াংই ইউনিভার্সিটি থেকে একজন সাইকোলজি লেকচারারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি,
তিনি আমাদের স্কুলে সাইকোলজি বিষয়ক
সেমিনার নেবেন।
যেসব স্টুডেন্টের মনে হয় দরকার আছে,
তারা অংশ নিতে পারবে।
তবে এটা বাধ্যতামূলক নয়।
যারা অংশ নেবে না,
তারা ক্লাসরুমে বসে পড়াশোনা করবে।
চুপচাপ থাকবে। বুঝেছো?
-ইয়েস! -ইয়েস!
আজকে এ পর্যন্তই।
তোমরা কি সাইকোলজি সেমিনারে অংশ নিবে?
না।
শুনে তো একঘেয়ে লেকচারের মতো
মনে হচ্ছে যেখানে কিছুই বুঝা যাবে না।
একদম বোরিং।
জিয়াং জিয়া বলেছে ও আমাদের জন্য সিট রেখেছে।
আমি ওকে বলি ,শুধু দুইটা রাখতে। দাঁড়াও!
জিয়াং জিয়া?
ওরাও কি যাচ্ছে?
ওরা তো আগেই গিয়ে বসে আছে।
আমার মনে হয়
সাম্প্রতিক সময়ে জীবনটা অনেক চাপের হয়ে গেছে।
একটু গিয়ে শুনলেই বা ক্ষতি কী?
চলো যাই।
এই কারণেই যোগাযোগ এত গুরুত্বপূর্ণ।
ভালো ও কার্যকর যোগাযোগ
অনেক সময় সমস্যার সমাধানের চাবিকাঠি হয়।
সাইকোলজি স্পেশাল সেমিনার
আমি লক্ষ্য করেছি
কিছু স্টুডেন্ট ঘুমিয়ে পড়ছিল।
কেন?
তোমাদের কি মনে হয়েছে
আমি যা বলছিলাম সেটা বিরক্তিকর?
তাহলে চলো
আরও কিছু ইন্টারেস্টিং বিষয়ে কথা বলি।
তোমাদের কাছে কোন বিষয়টা ইন্টারেস্টিং মনে হয়?
তোমরা তো মিউজিক শুনতে পছন্দ করো, তাই তো?
তোমরা কাদের মিউজিক শুনতে পছন্দ করো?
-অবশ্যই। -জে চৌ!
তোমাদের রুচি কিন্তু বেস ভালো।
আমার মনে আছে, জে চৌ -এর একটা গান ছিল
“হিয়ার আইল্যাশেস”
যখন আমি হাই স্কুলে পড়তাম,
টিফিন টাইমে প্রায়ই ওই গানটা বাজতো।
আমি তখন দুপুরে শব্দ মুখস্থ করতাম,
আর আমার ডেস্কমেট
টেবিলে মাথা রেখে ঘুমাত।
আমি যখনই বই বন্ধ করে মুখস্থ করতে যেতাম,
চোখের কোণ দিয়ে ওর লম্বা চোখের পাপড়ি দেখা যেত।
পরে আমি দুপুরে পড়া ছেড়ে দেই,
কারণ সেটা একদমই কাজে আসছিল না।
আমি বুঝতাম না,
আমাকে এই মিউজিকটা প্রভাবিত করছিলো।
না অন্য কিছু।
এই জিনিসটা আমি বুঝি একটা শব্দ শেখার পর।
ফ্লাটারিং...
তোমরা কখনও এমন অনুভব করেছ?
যখন কেউ খুব স্পেশাল হয়ে উঠে তোমার কাছে,
তখন চাইলেও তার দিকে না তাকিয়ে থাকতে পারো না।
একদম ঠিক কথা।
একটা হালকা হাসি,
অথবা হঠাৎ চোখে চোখ পড়ে যাওয়া
যে ভালোবাসে, সে ঠিকই টের পায়।
আর সেই অনুভূতি অনেকক্ষণ থেকে যায়।
তোমাদের অনেকেরই হয়তো
এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে।
এই অনুভূতিটা একদিকে কনফিউসিং,
আরেকদিকে একদম নতুন।
আসলে,
এই সবকিছুই কিশোর বয়সের একদম স্বাভাবিক অংশ।
আমার মনে হয় না সে যা বলেছে, সেটা ঠিক।
"যখন কাউকে ভালো লাগে,
তখন আমরা লুকিয়ে ফেলি"?
আমার তা মনে হয় না।
সে বলেছে "সাবধানে", "লুকিয়ে" না।
দুটো তো প্রায় একই রকম।
যাই হোক, যদি আমি কাউকে পছন্দ করি,
সেটা খোলাখুলি ভাবে বলে দিবো।
এবং সবাইকে জানাবো।
তোমার কী মত, লুরাং?
আমার মনে হয় তুমি লুকিয়ে রাখা টাইপের হবে।
আগে নিজের ব্যাপারটাই বোঝো।
বাহ!
আজ তুমি স্ন্যাকস কিনছো না?
জিয়াংজিয়াং কালকে অনেক টাকা খরচ করেছে
একটা সুন্দর গ্লাসের বয়ামে,
ওর সব টাকা শেষ হয়ে গেছে।
কোনো সমস্যা নেই।
তুমি আমারটা খেয়ে।
তুমি বয়ামটা কেন কিনলে?
এটা একটা সিক্রেট!
আরে ঠিক।
আমি তো প্রতিযোগিতার প্রাইজ মানি পেয়েছি।
তোমরা যা খুশি নাও, আজ আমার ট্রিট।
ধন্যবাদ।
তোমরা কিন্তু খুব বেশি নিও না।
তোমরা তো অনেক খাও!
গু রান, তুমি অসাধারণ।
তাহলে আমি শুরু করলাম!
রংরাং, এগুলো সুস্বাদু। নাও।
তুমি কি জানো বেশি জাঙ্ক ফুড
খেলে মুখে কী হয়?
একটা হাসি?
আজ তোমাকে অসম্ভব সুন্দর লাগছে।
তুমি অনেক হ্যান্ডসাম।
আমরা কি করব?
চলো যাই।
ও কে আজ একটু বেশি খুশি না লাগছে?
ওই মেয়েটাকে দেখো।
সে বেশ সুন্দরী।
আর ওর হেয়ার ক্লিপটাও বেশ সুন্দর।
জিয়াং জিয়ারও কাছে একই রকম একটি আছে।
পিঙ্ক কালারের।
তবে আমার মনে হয় জিয়াং জিয়ার মাথায় এটা আরো বেশি সন্দর লাগে।
মানে,
জিয়াং জিয়ার মুখটা একটু বড়,
তাই ওর মাথায় ক্লিপটা বেশি মানায়।
এখানেই শেষ.
চলো যাই।
আজ একটা সুন্দর রৌদ্রোজ্জ্বল দিন।
তুমি কি জানো?
ওর খাওয়া শেষ হতে না হতেই স্যার ওকে ডাকলেন।
ও সব খাবারটা নিজের হাতেই থুতু ফেলে দিল।
সু জাইজাই।
জিয়াং জিয়া কোথায়?
সে কিয়ানিউ এর সাথে দেখা করতে গেছে।
ওর কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে।
আমার হঠাৎ মনে পড়ল আমি হোমওয়ার্ক আনতে ভুলে গেছি আমি গিয়ে নিয়ে আসি।
তোমরা আগে চলে যাও, আমার জন্য অপেক্ষা কোরো না।
এই সময়ে তো এখানে কেউ থাকা উচিত না, তাই না?
কোনটা কিয়ানইউ এর
ডেস্ক
"লি চেং।"
"হুয়াং মিং।"
"ওয়াং ঝি।"
খুঁজে পেয়েছি।
তুমি আমাদের ক্লাসরুমে কী করছো?
আমি...
দুঃখিত, আমি শুধু একটা জিনিস দিতে এসেছিলাম।
গু রান,
তুমি রাতে মানুষকে, কিভাবে ভয় দেখাতে পারো?
আমি তোমাকে এটা বলতে যাচ্ছিলাম।
তুমি কিভাবে
রাতে গোপনে অন্য ক্লাসে
ঢুকতে পারো?
আমি করিনি।
জিয়াং জিয়া, তুমি বোকা নাকি?
যদি তুমি উপহারে তোমার নাম না লিখো,
তাহলে যে পাবে সে কীভাবে জানবে কে দিয়েছে?
এটা আমার কাছে কোন ব্যাপার না।
সে গিফট পেলে আমার কাছে এটাই যথেষ্ট।
তুমি মাঝে মাঝে খুব ভিতু হয়ে যাও।
তোমার কোন ক্রাশ নেই,
তুমি বুঝতে না।
যাই হোক না কেন।
আমি কেন বুঝতে পারব না?
যাই হোক।
তুমি কি নিশ্চিত তোমার চাবি ক্লাসরুমেই আছে?
-কেউ আসছে। -আমি নিশ্চিত।
আমি চাবি পেয়েছি।
ভাগ্য ভালো বাইরে হারাইনি।
চলো যাই।
ভাগ্য ভালো আমরা ধরা পড়িনি।
তুমি কী দেখছো?
হঠাৎ কি অবাক হয়ে গেছো?
বাজে কথা।
আমি তো লুকাতে চাইনি।
আমরা তো কোন খারাপ কিছু করছিলাম না।
তাহলে তুমি লজ্জা পাচ্ছো কেন?
আমি না।
একটু আঁচড় লেগেছে।
সব তোমার দোষ।
তুমি না লুকাতে গেলে এসব হতো না।
তুমি কি ভুলে গেছো?
তোমার মনে আছে, যেদিন সবাই জাইজাইকে টাকার চুরির অভিযোগে দোষারোপ করেছিল?
আমি কোনো ভুল বোঝাবুঝি চাই না।
তবুও,
আমরা দুজনেই যদি লুকাতে গিয়ে ধরা পড়তাম,
তাহলে সেটা আরও বড় সমস্যা হতো না?
কেন?
স্কুল তো এখন পাপি লাভ নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।
কে আবার এত নিজের ক্ষতি চায় যে তোমার সাথে প্রেম করবে?
তুমি খুব আনাড়ি।
প্রথম হাই স্কুল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অনুরোধ ফর্ম
"বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রয়োজন।"
কিয়ানইউ
বিদেশে চলে যাচ্ছে?
আজকের ক্লাস এখানেই শেষ।
করতালি।
ঠিক আছে। সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ!
No comments yet. Be the first to leave one.