Prvních 200 řádků.
এই সাবটাইটেলটি স্পন্সর করেছেন, একজন বাংলা সাবটাইটেল প্রেমী, তৌহিদ হাসান ভাই।
জোসেফ, আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছি,
কোনো রক্তারক্তি চলবে না, অপেরা হাউসটি কিন্তু ১৩৯ বছরের পুরনো।
শুধু কার্পেটে রক্ত লাগবে।
এই ১০ সেকেন্ড বেঁচে থেকে কী লাভ?
কোনো লাভ নেই।
অস্ত্র ফেলে দেও!
চলো, এখান থেকে বের হতে হবে।
ধরেছি তোমাকে, চলো।
- ঠিক আছো? - হ্যাঁ।
কী হয়েছে জানো?
এই দুনিয়ায় তো কতো কিছুই হয়!
- পা ঠিক আছে? - হ্যাঁ।
হেই।
কী নাম তোমার?
জো।
ধন্যবাদ, জো।
তুমি ঠিক আছো?
হেই, ঠিক আছো?
এই, পানি আছে?
একটু আসো।
বাল।
আচ্ছা, টিউমারের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
- তাই চিন্তার কিছু নেই। - আচ্ছা।
দুনিয়ার সব চোট তোমার গায়েই লেগেছে দেখছি।
হ্যাঁ, এতো অভিজ্ঞতা তো এমনি এমনি হয়নি।
হ্যাঁ।
এসব না করলে হয় না?
এতো বড়ো শরীর নিয়ে ইনজেকশনে ভয় পাচ্ছ?
ইনজেকশন দিয়ে আমি খুনও করি।
এইতো আসল পুরুষ।
জো, এতো গুলো বছর
মাথায় কতবার আঘাত পেয়েছ তার কোনো হিসাব আছে?
হিসাব করার সময় নেই।
মাঝে মাঝে উল্টাপাল্টা দেখো?
বমি-টমি করো কিনা।
জীবনেও বমি করিনি।
হ্যাঁ, কেবল মাঝে মাঝে
প্রচণ্ড মাথা ব্যথা করে।
ঘন ঘন মাথায় সমস্যা দেখা দিলে কিন্তু
সিটিই হয়ে যেতে পারে,যেই রোগ স্ক্যান করেও ধরা যায় না। [সিটিই(CTE) = মাথায় বারবার আঘাত পাওয়ার কারণে সৃষ্টি হওয়া মস্তিষ্কের এক দুরারোগ্য রোগ]
কী বলছ?
আমি বলতে চাইছি, এইবার অন্তত
তোমার জীবন-ধারাটা পাল্টানো দরকার, সার্জেন্ট ফ্লাড।
- ঠিক আছে? - হ্যাঁ।
আমি আরো কয়েকটা টেস্ট দিচ্ছি।
জোসেফ, ১১ টা বেজে গেছে।
তোমার দেরী হলে আমার চিন্তা হয় জানো তো।
কারণ চিন্তা ছাড়া কিছুই করো না তুমি।
ডক্টর ক্যাগেনের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। তোমার কথা বলল।
আবার ব্যথা পেয়েছ?
না, আমার...
কয়েক দিন ধরে প্রচণ্ড মাথা ব্যথা হচ্ছে,বলেছিলাম তো।
ডাক্তাররা।
- ডাক্তাররা কোনো বালটাও জানে না। - হ্যাঁ।
সবকিছু দুইটা দেখছি আজকাল, তাই যেতেই হল।
খুবই খারাপ।
এই গেমে তো বলা যায় না, কখন কাকে মারতে হয়।
কফিটা খাবে না কি
ঠাণ্ডা করে ফেলবে?
আমার কফি নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবে না।
আমাদের এক বন্ধুর সাথে কথা হয়েছিল।
পুলিশরা ভাবছে
পেট্রোভের নিজস্ব সিকিউরিটি টিমের একজন
কাজটা করেছে, তাই তোমাকে কেউ ধরতে আসবে না।
তাই?
খাতির করতে চাইছ, না কি আসলেই বিশ্বাস হচ্ছে না?
জানি না।
মাঝে মাঝে নিজেকে প্রশ্ন করি,
"এইসব কেনই বা করি আমি?"
পেট্রোভ বজ্জাত লোক ছিল, মেয়েদের পাচার করতো সে।
দুনিয়ার মঙ্গল করেছ তুমি।
এইসব করার পর শেষ সময়
মানুষ আমাকে কী ভাববে?
মানুষ তো এইসব বুঝবে না।
এসব ঈশ্বরের উপর ছেড়ে দেও।
আমাদের কাজ আমাদের করে যেতে হবে।
এখন একটা ভালো খবর আছে।
কীসের ভালো খবর ?
তোমার সবে বানানো ৯ কোটি ১০ লাখ টাকার মধ্যে
৩০% খরচ হয়েছে টাকা সাদা করতে...
অন্যান্য খরচা-পাতি বাদ দিলাম...
তোমাকে দেখছি একটা ক্যালকুলেটর কিনে দিতে হবে।
আর আমার কমিশন রাখলাম।
মেলা টাকা রয়ে গেছে।
এতসব খরচার ব্যাপারে আমাদের কিন্তু কথা বলা উচিত।
কোথাও গিয়ে একটু ঘুরে আসো।
আরাম করো, ভালো কোনো মেয়ে নিয়ে একটু ফুর্তি করো।
ভালো মেয়ে পাবো কোথায়?
তা আমি কীভাবে বলবো?
আমাকে আরেকটা কাজের ব্যবস্থা করে দেও।
জোসেফ, কাজ করতে করতে
নিজের জীবনের কথাটা ভুলে যেও না।
সোলাইমান সুখন বলেছে নাকি এই কথা?
এটা বিখ্যাত গায়ক ডলি পার্টন বলে গেছে, বন্ধু।
বাহিরের লোকদের জন্য রিহার্সাল এখন বন্ধ।
এখানকার একজন ড্যান্সারের ফোন এটা।
ধন্যবাদ।
হেই।
- হাই। - হেই।
- জো? - হ্যাঁ।
- হ্যাঁ। - হাই।
দুঃখিত, এটা আমার কাছে ছিল, বুঝতে পারিনি।
এটা তাহলে তোমার কাছে ছিল?
হ্যাঁ।
তুমি জীবন বাঁচালে আমার।
প্রথম শুনলাম এই কথা।
আমার জীবনই তো বাঁচিয়েছ তুমি।
পায়ের কী অবস্থা?
ভালো, তেমন কিছু হয়নি, একটু দাগ পড়েছে শুধু।
আমার সাথে ডিনার করবে?
মানে, কৃতজ্ঞ প্রকাশের জন্য আরকি...
যদি পারো আরকি, হয়তো পারবে না।
না, আসলে...
আচ্ছা আমি আমার নাম্বারটা দিয়ে রাখছি।
আমাকে আবার রিহার্সালে যেতে হবে,
কিন্তু পাঁচটার সময় শেষ হয়ে যাবে।
তখন কল দিও
যদি তুমি...
চাও আরকি।
"মেজ।"
মেইজি।
মেইজি।
কী?
মেইজি।
দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
দেখা হয়ে ভালো লাগলো?
এতো নাচলে নিশ্চয়ই খুব খিদা লাগে।
না।
কী খবর, সুন্দরী?
না।
আমি জো।
একসাথে ডিনার করা যায়।
পাঠিয়ে দিলাম।
এতো খাও কীভাবে?
কোনো শো শুরু হওয়ার আগে,
আমরা দিনে আট ঘণ্টা রিহার্সাল করি।
এখন চার ঘণ্টা করা হয়, কারণ সপ্তাহে ছয়টা শো থাকে।
তাই শুধু ভাত আর সবজি খেয়ে তো থাকা যায় না।
বুদাপেস্টে কীভাবে এলে?
মিলোস, সে বিশ্বের সবচেয়ে ভালো কোরিওগ্রাফারদের মধ্যে একজন।
হ্যাঁ।
শো-টা বেশ জমেছিল, কিন্তু...
- তারপর গোলাগুলি শুরু হয়ে গেল? - হ্যাঁ।
এরকমটা তো হওয়ার কথা ছিল না।
তুমি কেন গিয়েছিল সেখানে?
আমেরিকানরা মূলত ওইদিকে তেমন একটা যায় না।
কাজ ছিল।
কাজের খাতিরে সাড়া ইউরোপ ঘুরে বেড়াতে হয় আমাকে,
এই জায়গাটা মাঝখানে পড়েছে, সাধ্যের মধ্যে থাকাও যায়।
পরিবার আছে তোমার?
১৮ বছর বয়সে আর্মিতে যোগ দিয়েছিলাম।
তখনও বিদায় দেওয়ার জন্য কেউ ছিল না আমার।
তাদের মনেও করতে চাই না আমি।
এখন কী করো?
অবসরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।
কী?
কোনো ড্যান্সার লাগবে নাকি, যে তোমার সাথে অবসরে যাবে।
না তোমার এখনও অবসরে যাওয়ার সময় হয়নি।
ড্যান্সাররা অনেকটা বক্সারের মতো হয়।
কখনো হারতে শেখেনি তারা।
নাচতে ভালোবাসো না?
শেষ দশ বছরে দুইবার গোড়ালির সার্জারি,
ছিঁড়া লিগামেন্ট, আর এতবার পা ভাঙ্গার পরেও
মানে, অভিযোগ করছি না।
নাচতে ভালোবাসি আমি। সত্যিই বাসি।
আমাকে ব্যালে নৃত্যের ক্লাস করানোর জন্য আমার মা দুইটা চাকরি করতো,
তাই এটা আমার কাছে শখের চেয়েও বেশি কিছু।
তাই আমি ভেবেছি, অবসরের পর,
আমার মতো বাচ্চাদের জন্য একটা নাচের স্কুল চালু করবো।
যেখানে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারবে,
তারা আসলে কী হতে চায়।
একটু পাগলাটে মনে হচ্ছে, কিন্তু
আমার তো তা মনে হচ্ছে না।
না, আমার কাছে শুনতে ভালোই লাগছে।
আর, এরকম কিছু করতে না পারলে,
বিড়ালের মতো লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে চুরি করবো।
একজন ড্রাইভার লাগবে, যে আমাকে নিয়ে দ্রুত পালাতে পারবে।
হুম, ড্রাইভার হলে আর কী কী সুবিধা পাবো?
আমাকে বিড়ালের পোশাকে দেখতে পারলে আর কী লাগে!?
কোথায় আবেদন করতে হবে?
তুমি এই মাত্র হাসলে না?
- না তো। - হেসেছ।
- হাসিনি। - অবশ্যই হেসেছ।
এখনো হাসছ।
- তাই? - হাসলে তোমাকে ভালো লাগে।
- হতে পারে। - সত্যি বলছি।
- ওহ, তোমার তো দেখি কাতুকাতু নেই। - না, নেই।
- কিন্তু এটা কীভাবে। - কাতুকাতু নেই আমার।
সে একজন ড্যান্সার।
পার্টিতে নাচে নাকি?
না, কী যে বলো!
ব্যালে ড্যান্সার সে। বলশই থিয়েটারে নাচ করে।
- কোনো নাম আছে তার? - হ্যাঁ, মেইজি।
মেইজি? সে তোমার কাজের ব্যাপারে জানে?
এটা তাকে বলতে পারবো না, জাভি।
তার ব্যাপারে তুমি সিরিয়াস তো?
হ্যাঁ, সিরিয়াস না হলে তো, সে জেনে ফেলার আগেই
এসব থেকে বেড়িয়ে আসতে চাইতাম না।
এই মরণ খেলার থেকে বের হওয়ার দুইটা রাস্তা আছে, জোসেফ।
No comments yet. Be the first to leave one.