The Big Bang Theory

The Big Bang Theory

Stáhnout Bengali titulky

Série 4

Informace o verzi

The Big Bang Theory S04 E04 - 720p BluRay 2CH x265 HEVC-PSA
Komentář od Tasnuva_Sheikh
S04E04 "The Hot Troll Deviation" Runtime: 19:38

Tagy

BluRay
720p
720
x265
HEVC
2CH
Zveřejněno: 2021-06-13
Stažení: 62
Pro sluchově postižené: No

Náhled titulků v jazyce Bengali

Prvních 151 řádků.

আমি তোমাকে বলছি, যদি জিনন অতিবেগুনি রশ্মি সরিয়ে দেয়,

তাহলে, ডার্ক ম্যাটারের আবিষ্কার ভুল হতেই হবে।

হ্যাঁ, যদি আমরা এমন একটা দুনিয়ায় থাকতাম, যেখানে ধীরে গমনকৃত জিনন আলো তৈরি করতে পারে,

তাহলে তুমি ঠিকই হতে। এছাড়া, শুকরও উড়তে পারতো,

আমার পাছা দিয়ে হাওয়াই মিঠাই বের হতো।

আর ফ্যান্টম মিনেস সর্বকালের ক্লাসিকের স্বীকৃতি পেতো।

তুমি প্রচণ্ড দাম্ভিক।

যদি তুমি কোন সুপারহিরো হতে, তোমার নাম হতো ক্যাপ্টেন অহংকারী।

আর জানো তোমার সুপার পাওয়ার কী হতো? অহংকার।

আবারো ভুল বললে। যদি আমার সুপার পাওয়ার অহংকার হতো...

আমার নাম হতো ডক্টর অহংকারী।

শেল্ডন আর রাজকে একসাথে কাজ করার চেষ্টা করতে দেখলে আমার সেই লাগে দেখতে।

হ্যাঁ, মনে হয় যেন এলিয়েন আর প্রিডেটর একসাথে জাম্বো জুসের ব্যবসায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তোমার কি কখনো মনে হয়েছে যে তুমি বড় বিষয়টাই বাদ দিচ্ছ? যদি তুমি নিউটনের ...

-পেনি? পেনি? -কী হয়েছে?

কিছু না। আমি শুধু রাজের কথা বলা থামাতে চেয়েছিলাম।

না, না, না, ও জিতে গেছে। মেনে নাও সেটা।

আমি ডেজার্টের কথা জিজ্ঞেস করতাম...

কিন্তু আমি জানি শেল্ডন মঙ্গলবার ডেজার্ট খায় না।

রাজ যদি কিছু চায়ও, তাও মুখ ফুটে বলতে পারবে না।

হাওয়ারড কিছু অর্ডার করবে না, কিন্তু ও "পাই" বা "চিজকেক"...

জাতীয় কিছু একটা মন্তব্য করবে।

আর লেনারডের দুগ্ধ দ্রব্যে এলার্জি। ও ওর অন্ত্র বেলুনের কোনো...

পশুর মতো না ফুলিয়ে এখানকার কিছুই খেতে পারবে না।

-এক সেকেন্ড, আমি ফলের প্ল্যাটার নিতে পারি। -তুমি কি ফলের প্ল্যাটার নেবে?

-তরমুজ আছে এটাতে? -হ্যাঁ।

না, আমি তরমুজ খেতে পারি না।

ওহ হাওয়ারড, ওদিকে দেখো। তোমার প্রাক্তন গার্লফ্রেন্ড মাত্র ওর শিফটে এসেছে।

-তুমি ওকে শেষ কবে দেখেছ? -ব্রেকাপের পর আর না।

আমি কিভাবে ওর মুখোমুখি হবো?

বাস্তবসম্মত আর চিন্তামুক্ত? বন্ধুবৎসল, প্রতিজ্ঞামুক্ত?

শীতল আর দূরত্ব বজায় রাখা?

-হাই, সবাই। -হেই।

হ্যালো।

দেখতে পাচ্ছি তুমি করুণার পাত্র আর ভয় পাওয়ার রাস্তায় গেলে।

এটাকে ওর সেরার মধ্যে একটা চাল বলতে পারো।

S04 E04 - The Hot Troll Deviation

তো, প্রিয়া, আবার দেখা হলো।

হ্যালো হাওয়ারড, তোমাকে মিস করেছি।

আমি তোমাকে মিস করেছি, কেটি স্যাকফ।

-একটা প্রশ্ন। -যেকোনো কিছু।

আমি আমার ব্যাটেলস্টার গ্যালাক্টিকা ফ্লাইট স্যুট বিছানায় পরে আছি কেন?

তুমি আমার সাথে বিছানায় আছ কেন?

মানে, যদি আমরা এটাও প্রশ্ন করি, তাহলে সবই মিথ্যে হয়ে যায়।

দুঃখিত।

ওহ, আমাকে পাগল করে দাও, হাওয়ারড। আমার নিতম্ব তোমার পথ চেয়ে আছে।

ঠিকাছে, যদি তুমি চাও।

হাওয়ারড, তুমি কি আমার কোমরের বেল্ট দেখেছ?

না, মা!

আমি তো খুঁজে পাচ্ছি না। আমার ওজন কমানোর মিটিং এ যেতে দেরি হয়ে যাচ্ছে।

হয়তো ওটা আত্মহত্যা করে ফেলেছে ! আমাকে একা থাকতে দাও!

আচ্ছা, কোথায় ছিলাম আমরা?

আমার ধারণা তুমি তোমার দাঁত দিয়ে আমার ইউনিফর্ম ছিঁড়তে যাচ্ছিলে।

বার্নাডেট, তুমি এখানে কী করছ?

যদি আমাকেই ভাবতে হয়, তাহলে বলবো, কারণ তুমি আজকে সন্ধ্যায় আমাকে দেখেছ...

-আর তুমি এখনো আমার কথাই ভাবছ। -একদমই না।

অবশ্যই ভাবছ।

নাহলে, আমার এতদিনের অভিজ্ঞতায়, এতক্ষণে হয়ে যাওয়ার কথা।

আচ্ছা, আমি কিছু জিনিস বুঝতে পারছি না।

ওহ তাই? আমি কি সাহায্য করতে পারি?

-ওই ধরণের বিভ্রান্ত না। -জর্জ টাকেই এখানে কী করছে?

হাওয়ারড, তোমার কি লুকানো সমকামী সম্পর্কের ঝোঁক আছে নাকি?

-অবশ্যই না। -তুমি যাই বলো, তাও কিন্তু আমি এখানে।

জর্জ, তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি।

তুমি বিজ্ঞান-কল্পকাহিনীর একজন আদর্শ হিসেবে বারবার একই চরিত্র করার ব্যাপারটা কিভাবে সামলাও?

কাজটা কঠিন। অভিনেতা হিসেবে তুমি যতই নিজেকে বর্ধিত করতে চাও, স্ট্রিম্বার করো বা ও'নেইল...

কিন্তু ওরা চাইবে, "রাস্তা অপরিবর্তিত আছে, ক্যাপ্টেন।"

আমারো তো, কি বিচ্ছিরি একটা ব্যাপার।

দাড়াও, কেটি। তুমি চলে যাচ্ছ কেন?

ও চলে যাচ্ছে কারণ তুমি আমার সাথে থাকতে চাও।

হাওয়ারড, কোমরের বেল্ট পেয়েছি! ড্রায়ারে ছিল!

চমৎকার, মা!

মনে হচ্ছে বেল্টটা ছোটো হয়ে গেছে।

আমি পুরো পিলসবারির আটার ময়ান মাসকট ছেলেটার মতো গলে পড়ছি!

আর ওই ছবি চিন্তা করতে করতে, আমার মনে হয়, আজকে রাতের জন্য এখানেই সমাপ্তি।

তুমি কিন্তু আমাকে কখনো বলো নি তোমার আর বার্নাডেটের মধ্যে ঠিক কী হয়েছিল।

-আমি একটা বোকামো করেছি। -হ্যাঁ, সেটা বুঝতে পেরেছি।

আসলে এমন একটা কাজ যেটার কারণে এখন ওর মুখোমুখি হওয়ার সাহস হচ্ছে না।

সেটা তো বিছানায় পাদ মারা থেকে শুরু করে গৃহহীন একজন মানুষ খুন করে ফেলা পর্যন্ত যায়।

হায় ঈশ্বর, তুমি গৃহহীন কাউকে চাপা দিয়েছ।

না। আরে চুপ করো তো।

বেশ। তো তুমি ওর কাছে ফিরতে চাও।

কিন্তু তুমি যা করেছ, তার জন্য লজ্জা পাচ্ছ।

-সংক্ষেপে। -ঠিকাছে, তো, এটা কেমন হয়?

ভয়ঙ্কর একটা মুখোশ পরে বার্নাডেট কে অপেরা থেকে অপহরণ করো...

যাতে ও না বোঝে এটা তুমি।

দেখেছ, এবার আমি ধরতেই পারছি না তুমি মজা করছ নাকি আসলেই বলছ।

তুমি যুক্তিহীন কথা বলছ। আমি নিজের ডেস্ক কেন পেতে পারি না?

আমাদের একসাথে কাজ করাটা বুদ্ধির প্রয়োগ। আমাদের ডেস্ক প্রয়োজন নেই।

-তোমার ডেস্ক আছে। -ঠিক।

-কিন্তু আমি পেতে পারি না। -দুই এর মধ্যে দুই পেয়েছ।

-ওকে ডেস্ক দিলে কী সমস্যা, শেল্ডন? -হায় রে, এসব প্যাঁচাল কি আর শেষ হবে না?

আমি বারবার করে ডক্টর খুত্রপালি, যার কিনা,

অ্যামেরিকান বাগধারা বোঝার সময় আসলেই সেটা বোঝার...

দক্ষতা পালায়, তাকে বলেছি, অতিরিক্ত অফিস আসবাবের জন্য...

আমার বাজেটে কোনো টাকা নেই।

আচ্ছা, কিন্তু এক ড্রয়ার ভরতি রেড ভাইন্স, মারশমেলো ছোড়ার...

রাইফেল আর রাতে ঝিকমিক করে...

এমন বালির ওপর একটা বিশেষ কর্তব্যনিষ্ঠ পিঁপড়ের খামারের জন্য টাকা আছে?

হ্যাঁ।

-আচ্ছা, ও নিজের ডেস্ক কিনে নিলে কেমন হয়? -হ্যাঁ, আমি নিজের ডেস্ক কিনে নিলে কেমন হয়?

-হাস্যকর। -কেন?

কারণ...

হ্যাঁ?

অফিসটা আমার।

-শেল্ডন ! -ঠিক আছে, ঠিক আছে।

-ও ওর ডেস্ক কিনে নিক। -আর তোমার অফিসে রাখতে পারবো তো?

ভালোই পরিকল্পনা মোতাবেক...

-আগাচ্ছ, তাই না? -তুমি রাতে ঝিকমিক করা...

-পিঁপড়ের খামার কেন রাখো? -ওরা ওদের সেরা কিছু কাজ রাতেই করে।

লাগবে না।

পেনি।

পেনি।

পেনি।

পেনি।

আমি এসেছি বুঝলে কি তুমি দরজা খুলতে?

তোমার দেয়া টেডি বিয়ারের গায়ে ওয়েব ক্যাম আছে, সেটা বোঝার পর থেকে না।

আমার একটা প্রশ্ন ছিল। বার্নাডেট কি আমার কথা কিছু বলে?

-হ্যাঁ, অবশ্যই। -বলে?

হ্যাঁ, এই তো কালকেই ও জিজ্ঞেস করছিল, "হাওয়ারড টেবিলের নিচে লুকিয়ে আছে কেন?"

-ও দেখেছে, না? -ওহ, না। শুরুতে দেখে নি।

আমি ওকে দেখানোর পর।

অন্য কিছু জিজ্ঞেস করি। ও কি প্রেম টেম করছে?

আমার জানামতে না।

আচ্ছা, আমরা যেহেতু এই বিষয়ে কথা বলছিই, তোমরা ব্রেকাপ করেছিলে কেন আসলে?

-ওহ, সেটা না বলাই ভালো। -হাওয়ারড, তুমি যদি আমার সাহায্য চাও...

-কী হয়েছে আমাকে জানতে হবে। -ব্যাপারটা লজ্জাজনক।

হ্যাঁ, সেটা আমি ধরেই নিয়েছি। বলে ফেলো।

আচ্ছা, বেশ। তুমি কি "ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ারক্র্যাফট" এর নাম শুনেছ?

ওই যে অনলাইন গেম? নিশ্চয়ই।

তুমি কি জানো...

যে গেমের মধ্যে চরিত্ররা একে অপরের সাথে সেক্স করতে পারে?

হায় ঈশ্বর, মনে হয় বুঝতে পারছি আলোচনা কোনদিকে যাচ্ছে।

ওর নাম ট্রল গ্লিসিন্ডা।

যখন আমরা ব্রিজ অফ সোউলসের...

নিচে সাইবার-অপকর্মে জড়িত ছিলাম, বার্নাডেট চলে আসে।

ঠিকই বলেছ, ব্যাপারটা লজ্জাজনকই।

-তুমি কি ওর সাথে কথা বলবে? -বার্নাডেট নাকি ট্রল?

বার্নাডেট। ও আমার ওপর এত রেগে গিয়েছিল যে আমার কোনো কথাই শুনতে চায় নি।

তো, তোমার কি বলার ছিল?

যেটুকু বলতে পারি, ট্রল গ্লিসিন্ডা তো আসল মেয়েই ছিল না।

কে জানে হয়তো নিউ জার্সির পঞ্চাশ বছর বয়সী ট্রাক ড্রাইভারও হতে পারে।

তাই? এটা শোনার পরও ওর মন ভালো হয় নি?

তুমি কি ওর সাথে কথা বলবে?

একটু দেখবে আমাদের এক হওয়ার কোনো আশা আছে কিনা?

আসলে, হাওয়ারড, আমি এর মাঝে সত্যিই আসতে চাইছি না।

না, তা কেন আসবে?

আমি তো নিজের মায়ের সাথে বাস করা একাকী এক আতেল,

যে যেখানেই পারে, একটু খানি সুখ খোঁজার চেষ্টা করে চলেছে।

হয়তো ওর বাবা ওকে ১১ বছর বয়সে ছেড়ে চলে গেছে এই কারণেই।

আচ্ছা, আমি ভেবে দেখবো।

Komentáře

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left