Prvních 200 řádků.
স্ট্রেঞ্জার থিংস সিজন ৩ এপিসোড ৭ অনুবাদে - কুদরতে জাহান
Join Our Group Subtitle Hut
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
- প্রত্যেকের জন্য একটা করে। - ধন্যবাদ।
যাও মজা করো।
- এই নিন। - ইয়াহ!
মনটা একদম ফুরফুরে হয়ে গেল না?
হকিন্স হাই মার্চিং ব্যান্ডের জন্য আরেকদফা করতালি হয়ে যাক!
আশা করি আজরাতে সময়টা সবার ভালো কাটছে।
আপনাদের সময় কি ভালো কাটছে?
শুনতে পাচ্ছি না!
আরেকবার বলেন, আপনাদের সময় কি ভালো কাটছে?
আপনাদের সময়কে উপভোগ্য করে তোলার জন্য চেষ্টার কোনো কমতি রাখছি না আমরা!
হাত ভেতরে ঢুকিয়ে রাখো।
আহ! বাবা আর এখন বেরোতে পারবে না।
আমাকে এত অত্যাচার কেন করো?
- এভাবেই বেশি মজা লাগে। - হ্যাঁ বাবা, এভাবেই বেশি মজা লাগে!
শুরু হয়ে গেল।
সেরেছে।
বকবক অনেক হলো।
আতশবাজি ফুটানো দেখতে চান কে কে?
দেখুন, আমি জানি আপনারা এর চেয়েও জোরে বলতে পারেন।
আতশবাজি ফুটানো দেখতে চান কে কে?
আমরা থামলাম কেন?
কারণ আমি জিমিকে ৫ ডলার ঘুষ দিয়েছি।
কী করেছ?
এই খানে বসে আতশবাজি দেখার কোনো তুলনা নেই।
কোনো তুলনা নেই।
হ্যাপি ফোর্থ অফ জুলাই!
- খুব সুন্দর, না? - হ্যাঁ।
হ্যাঁ।
মা, গাছগুলো দেখো।
- কী হয়েছে বাবু? - গাছগুলো যেন কেমন নড়ছে।
গাছের দিকে কী দেখছ, বাবু?
আতশবাজি দেখো, কত সুন্দর!
অনেক বড় ছিল ওটা, তাই না?
ও বলেছিল, ও কিছু একটা বানাচ্ছে।
সবকিছুই নাকি আমার জন্য।
কিছু একটা বানাচ্ছে...
- ও কি ফ্লেয়েডদের কথা বলতে চাচ্ছিল? - নিশ্চয়ই।
তারমানে ও ফ্লেয়েডদের আর্মি বানাচ্ছে, যেমনটা আমরা ভেবেছিলাম।
হ্যাঁ, কিন্তু সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য আর্মি বানাচ্ছে, তা না।
আর্মি বানাচ্ছে ইলেভেনকে থামানোর জন্য।
গত বছর ইলেভেন ওর গেটটা থামিয়ে দিয়েছিল।
এতে মনে হয় ও খুব রেগে গেছে।
ভয়ানক রেগে গেছে।
মাইন্ড ফ্লেয়ার জানে, একমাত্র ইলেভেনই ওকে থামাতে পারবে।
- কিন্তু ওকে যদি সরিয়ে দেয়া যায়... - গেম ওভার হয়ে যাবে।
ও আরো বলেছে যে,
ও তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলবে।
বাহ, চমৎকার।
তোমরা শুনলে কিছু?
বাজি পোড়ানোর শব্দ।
বিলি...
বিলি কি তোমাকে এই ঘরে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলেছিল?
ও জানে আমরা এখানে আছি।
খোদা, আস্তে যাও!
এটা কি গাড়ি, ইন্ডি ৫০০?
না, ইন্ডি ৩০০।
- নারে বুদ্ধু, এটা ৫০০! - না, ৩০০।!
এক মিলিয়ন হলেই কী আসে যায়।
- ওদের কী হয়েছে? - জানি না।
- ডাস্টিন, দেখে চালাও! - সেরেছে!
তোমরা ঠিকঠাক আছ?
ওরা ঠিকঠাকই আছে।
চলো, আমাদের যেতে হবে, এক্ষুণি।
- এসো! বেরোও! - চলো!
- আমরা আসছি! - যা আছে কপালে!
অসহ্য!
- আরে! মনে হচ্ছে তুমি সার্ফ করছ! - সার্ফিং! হুররে!
- ওদেরকে দেখে পাঁড় মাতাল মনে হচ্ছে। - ওরা মদ খেতে যাবে কেন?
আমি কত ভালো পারি, দেখো!
হেরে গেছ!
- জ্বরে ওর গা পুড়ে যাচ্ছে। - জ্বরে তোমার গা পুড়ে যাচ্ছে।
- এক সেকেন্ড, স্টিভ, স্টিভ! - খোদা, না।
ওর চোখের মণি টলটল করছে।
মনে হয় ওকে ড্রাগ দেয়া হয়েছে।
স্টিভ, তোমাকে কি ড্রাগ দেয়া হয়েছে?
কয়বার বলব, বাবা?
আমি ড্রাগ নেই না, শুধু মারিজুয়ানা নেই।
দেখো, এটা মজা করার বিষয় না, ওরা কী করেছে, ঠিকমতো বলো আমাকে।
- তুমি কি আমাদের ফেলে মরে যেতে চাও? - বুপ।
আমার ছোট্ট উদ্ভট বন্ধু, শুনে রাখো, আমাদের সবাইকেই মরতে হবে।
কখন...আর কীভাবে, সেটাই হলো প্রশ্ন।
ওরা আমাদেরকে খোঁজাখুঁজি করবে,
সুতরাং গাড়িটা কোথায় পার্ক করেছ, তাড়াতাড়ি বলো।
ফুডকোর্টে একবার থামা যাবে?
- হটডগ খাবার জন্য জানটা আইঢাঁই করছে। - ওহ!
ঠিক আছে, খাবার।
যত খুশি খাবার দেবো তোমাকে,
আগে বলো, গাড়িটা কোথায় পার্ক করেছ।
গাড়িটা তো চালাতে পারবে না।
- কী? - ওরা তো চাবি নিয়ে নিয়েছে।
রাশিয়ানেরা চাবি নিয়ে গেছে।
অনেক আগেই।
পোড়া কপাল আমাদের, না?
খোদা, কী মজা লাগছে!
স্টিভ, তাজা বাতাসের স্বাদ টের পাচ্ছ?
হ্যাঁ হ্যাঁ, পাচ্ছি!
- থামো! - এসো! এসো!
থামো সবাই!
- আচ্ছা, আচ্ছা! - আমরা দৌড়াচ্ছি কেন?
আচ্ছা, এভাবেই থাকো।
জানালা থেকে দূরে সরো।
ওটা কাছাকাছিই আছে।
কোথায় গেল ওটা?
সর্বনাশ!
এল!
এল!
টানো!
ন্যান্সি, গুলি করো!
এসো! লুকাস!
টানো!
এল! এল, ঠিক আছ?
- যাও, যাও, যাও! - এসো, এসো, চলো!
- যাও! - জলদি! এসো!
সবাই বেরোও!
- যাও! - যাও, জলদি!
যাও, যাও, যাও, যাও!
- এসো! - এসো!
এসো! এসো!
ঢুকে পড়ো এখানে।
চালাও! চালাও!
- হোয়া! - আমরা কোথায় যাচ্ছি?
আমার ওপর বিশ্বাস রাখো।
কেউ নাই এখানে।
ডক!
কী বলেছিলাম?!
ঘন্টায় ৮৮ মাইল!
এসো।
সময়ের স্থানচ্যুতি ঘটবে ঠিক ১টা বাজে ২০ মিনিটে...
- তোমরা দু'জন বসো। - না, না, না! সিটগুলো বেশি কাছাকাছি!
- Dude, these seats blow. - তাহলে মুভি দেখো না।
- কিন্তু আমরা তো দেখতে চাই! - দ্যাখো তাহলে!
সরি।
তোমরা যাই করো না কেন,
এখান থেকে কোথথাও যাবে না।
ঠিক আছে, "আব্বু"।
প্রশ্ন হলো "ওরা গেলোটা কোথায়?"
- আইনস্টাইন পৃথিবীর প্রথম টাইম ট্র্যাভেলার! - সরি, সরি।
আমি ওকে ভবিষ্যতে পাঠিয়ে দিয়েছি!
সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি।
জীবনে বাচ্চাকাচ্চা নেব না আমি।
- আমরা এখানে কী করছি? - লুকিয়ে আছি।
ঠাণ্ডা হচ্ছি।
কেনেডি খুনি অসওয়াল্ডের মতো।
অসওয়াল্ড ধরা পড়েছিল এক থিয়েটারেই, মারাও পড়েছিল সেখানে।
সে তো এক সপ্তাহ পরে।
মানে, ওর প্ল্যান কাজে আসেনি।
কারণ সবকিছুই আগে থেকে ঠিক করা ছিল।
- কী? - ওকে পাপেটের মতো চালাচ্ছিল অন্যেরা।
- মজা করছ নাকি। - চুপ!
চুপ!
আমাদের এখান থেকে পালাতে থাকব।
তুমি বাচ্চাদেরকে দেখে রাখো।
- ওরা যেন কোথাও যেতে না পারে। - তুমি কোথায় যাচ্ছ?
গাড়ি খুঁজতে।
সাবধান!
ডক...
- কী হচ্ছে? - বুঝতে পারছি না।
আপনি কি টাইম মেশিন বানিয়ে ফেলেছেন...
- কী বলছে ও? - ও মেশিনটা অফ করার চাবি দেখাচ্ছে।
চাবিগুলো, একটা চাবি না।
দুইজন লাগবে।
- দুইজন লাগবে? - হ্যাঁ, দুইটা চাবি, দুইজন...
নিউক্লিয়ার মিসাইল ওড়ানোর মতো।
চাবিটা পেতে গেলে ভল্ট খোলা লাগবে।
ভল্ট খুলতে গেলে,
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কনস্ট্যান্ট জানা লাগবে।
- প্ল্যাঙ্কের কী? - প্ল্যাঙ্কের কনস্ট্যান্ট।
- খুবই বিখ্যাত একটা সংখ্যা। - বেশ, আমরা চাবিটা নিয়ে মেশিনটা অফ করব।
ও সেটাই বলছে।
বেশ, কঠিন কিছু না, পারব আমরা।
জয়েস, ও বলেছে, জায়গাটা একটা দুর্গম দুর্গের মতো, শোনোনি?
হলেই কী, ঢোকার রাস্তা আছে নিশ্চয়ই।
অবশ্যই, কিন্তু তাহলে মিলিটারি নিয়ে ঢুকতে হবে।
- ওরা তো আসছেই, - কে জানে! যেভাবে ওদেরকে ধমক দিলে, মনে হলো মা ছেলেকে ধমক দিচ্ছে।
তারপর ফোনটাও কেটে দিলে, তাই কী হচ্ছে না হচ্ছে তার কিছুই জানি না আমরা।
কারণ, আমরা...আমরা, ওহ!
ঠিক!
আমরা ঐ জাঁকজমকপূর্ণ স্বাধীনতা দিবসের হাত থেকে আমাদের বাচ্চাদের বাঁচাতে যাচ্ছি!
দ্যাখো, এসবের চাপ নিতে না পারলে আমাদের নামিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যাও।
তুমি কী করবে?
হেঁটে হেঁটে হকিন্সে ফেরত যাবে?
তোমার থেকে দূরে থাকতে হলে যা করতে হয়, তাই করব!
বাচ্চারা! বাচ্চারা! শোনো!
প্রথমে তোমাদের এই খুনসুটি দেখতে মজাই লাগছিল।
কিন্তু এখন মাথা ধরে যাচ্ছে, আর সামনে লম্বা পথ বাকি।
সুতরাং তোমরা এই অহেতুক তর্কাতর্কি বন্ধ করে
নিজেদের মধ্যে স্বীকার করে নাও যে, তোমরা একে অপরের প্রতি চরমভাবে আকৃষ্ট।
- বলে কী! - এক নম্বর ভুয়া কথা!
আরে আরে, বুঝেছি, আর বলা লাগবে না!
হ্যাঁ, ও বদরাগী, জানি আমি।
হয়তো তোমাকে পুরোনো কোনো সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে ও।
আর তুমি নিশ্চয়ই একটা নিরীহ লোকের সাথে সংসার পাততে চাও।
কিন্তু ও আসলে ভেতরে ভেতরে কেমন, সেটা জানার জন্য ফেটে যাচ্ছ তুমি।
আর তুমি!
তুমি হলে একটা দৈত্যরূপী শিশু।
অযথাই বদমেজাজ দেখিয়ে নিজের ভালোবাসাকে লুকানোর চেষ্টা করছ।
কারণ শেষবার প্রেম নিবেদন করে ছ্যাঁকা খাবার দুঃখ এখনো মনে আছে তোমার।
No comments yet. Be the first to leave one.