Prvních 200 řádků.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
আমার শহরে এই খেলাকে "স্কুইড গেম" বলে ডাকা হয়।
স্কুইডের মতো দেখতে ছকে এই গেম খেলা হয় বলে এর এমন নাম।
নিয়ম একদম সহজ।
বাচ্চারা দুই ভাগে বিভক্ত হয়, অফেন্স আর ডিফেন্স।
একবার খেলা শুরু হলে, ডিসেন্স কোটের মধ্যে দুই পায়ে চলতে পারে,
অন্যদিকে লাইনের বাইরে অফেন্স ব্যস এক পায়ে লাফাতে পারে।
তোর মা!
যদি কোনো হামলাকারী ডিফেন্সকে পিছে ফেলে স্কুইডের মধ্যদেশ পার করতে পারে
তবে সে দুই পায়ে চলার স্বাধীনতা পাবে।
সিক্রেট ইন্সপেক্টর।
যে কারণেই হোক, আমরা একে সিক্রেট ইন্সপেক্টর বলি।
অন্তিম লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে,
হামলাকারীরা স্কুইডের প্রবেশদ্বারে একত্র হয়।
চল।
জিততে হলে, হামলাকারীদের
স্কুইডের মাথায় ফাঁকা জায়গাটা পা দিয়ে স্পর্শ করতে হবে।
কিন্তু ডিফেন্স তোমাকে স্কুইড লাইন থেকে বের করে দিলে,
তুমি শেষ।
হ্যাঁ, তাই। তুমি শেষ।
হুররে!
"হুররে।"
আর একবার স্পর্শ করে ফেললে, জোরে করে বলতে হয়, "হুররে"।
আর, সেই মূহুর্তে মনে হয়, যেন আমি পুরো দুনিয়া জিতে ফেলেছি,
আমার চেয়ে খুশি কেউ নেই।
RED LIGHT, GREEN LIGHT
টাকা কেন? আমার জন্য?
আজ যে গা-ইয়ংয়ের জন্মদিন তোর মনে আছে?
হ্যাঁ, আছে।
ওকে আজ রাতে খেতে নিয়ে যাস।
এ ক'টা টাকায় আজকাল ভালো খাবার পাওয়া যায় না।
জানিস তো, গা-ইয়ং ফ্রায়েড চিকেন ভালোবাসে।
ওকে নিয়ে গিয়ে ফ্রায়েড চিকেন খাইয়ে দিস।
ওকে শুধু চিকেন খাওয়ালেই হবে?
জন্মদিনের উপহারও তো দিতে হবে।
আরেকটু টাকা দাও।
আমার কাছে আর নেই।
কী বলছ তুমি?
ড্রাইভারি করে যে টাকা কামিয়েছিলাম সবই তো তোমাকে দিয়েছি।
ওরে বাবা, ঐ খুচরো ক'টা টাকা?
এই, সেটা দিয়ে তো তোর লোনের মাসিক সুদও পরিশোধ করা যাবে না।
এমনিতেও এভাবে করে আমরা ঐ টাকা পরিশোধ করতে পারব না,
তো প্রয়োজন আছে যখন ব্যবহার করে ফেললেই হয়।
খোদা গো!
আর তুমি কাজ করা ছাড়বে?
খাওয়া শেষ হলে বাসনকোসন পানিতে চুবিয়ে দিস।
সবসময় বলো তোমার কোমড় ব্যথা করে, আর রোজগারও তো বেশি হয় না!
দেখি তো…
"দ্যেহান ব্যাংক"
"পিন বসান"
"ভুল পিন দিয়েছেন"
আমার জন্মদিন হবার কথা।
তোর মা পিন বদলে দিয়েছে।
তাহলে তোর মা তোকে ত্যাজ্য করেই দিলো।
ধুর ছাই।
"ভুল পিন দিয়েছেন"
ধ্যাৎ। পিন কী দিয়ে থাকতে পারে?
তোর মায়ের জন্মদিন দিয়ে দেখ।
মায়ের জন্মদিন?
মায়ের জন্মদিন…
তোর মায়ের জন্মদিন জানিস না?
কেমন অপদার্থ তুই!
চুপ কর, বানচোত! আমি জানি!
মা লুনার ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পালন করে, তাই প্রতি বছর বদলাতে থাকে।
গাধা রে! তুই কিছুই জানিস না...
তাহলে লুনার ডেট দিয়ে দেখ।
ধ্যাৎ।
ভাল্লাগেনা!
ধ্যাৎ।
এই। দেখ।
আর একবার ভুল করলে কার্ড ব্লক করে দিবে।
ভালোকরে ভাব। আর কী হতে পারে?
চেকিং... আপনি কী পরিমাণ টাকা বের করতে চান সেটা প্রেস করুন।
কী পিন ছিল? কী বসিয়েছিলি?
আজকের দিন। আমার মেয়ের জন্মদিন।
ভাই রে, আমার মা নিজের ছেলে চেয়েও তার নাতনির বেশি পরোয়া করে।
ওহ খোদা।
নম্বর ৯ ট্রিপল লাইন আছে দ্বিতীয় পজিশনে। নম্বর ৬ ড্রাই থান্ডার আছে তৃতীয় পজিশনে।
নম্বর ৪ জ্যাক প্রিন্স আছে চতুর্থ পজিশনে।
এক নম্বর পজিশনের সাথে গ্যাপ বাড়তে আছে।
- হ্যাঁ, এই তো। নম্বর নয়! - দৌড়া! দৌড়া!
- নম্বর ৩ জ্যাক প্রিন্স গতি বাড়াচ্ছে - দৌড়া! দৌড়া!
- আর নম্বর ৯ ট্রিপল লাইনের সাথ ধরার চেষ্টা করছে। - দৌড়া! দৌড়া!
- নম্বর হোয়ারাং নিজের পজিশন ছাড়তে নারাজ। - দৌড়া! দৌড়া!
- আর নম্বর ৪ হোয়ারাং ফিনিশ লাইন পার করে ফেললো। - না, না!
ধ্যাৎ!
তুই বলেছিলি ৯ নম্বর নিশ্চিত জিতবে!
শালা বোকাচোদা।
এত ভালো ঘোড়া হবার সত্ত্বেও হারলি কীভাবে?
দশম রেসের বেটিং শেষ হতে চলেছে।
- আবারও বলছি। - একটু জলদি কর না?
দশম রেসের বেটিং শেষ হতে চলেছে।
এই।
- কী করছিস... - আমাকে জ্বালানো বন্ধ করবি কি?
আমি ভাবার চেষ্টা করছি!
ঠিক আছে।
নম্বর ৯ ব্যেকিল লেজেন্ড মধ্যে অবস্থান করছে।
- নম্বর ৬ থান্ডারফ্ল্যাশ দ্রুতই - ঠিক আছে।
- সামনের রানারদের পার করছে, - এই তো, এগিয়ে যা।
- কিন্তু গ্যাপ এখনও অনেক বড়। - দৌড়া!
- আবার ওরা বাঁকের দিকে এগোচ্ছে। - হ্যাঁ। ঘুর।
- না। ৭ গোল্ডেন বুলেট আর ৮ ম্যাড ড্যাশ। - হ্যাঁ, ঘুর।
- ওরা পুরোদমে এগোচ্ছে। - লেগে থাক! বাইরে!
কিন্তু, দাঁড়াও!
- এটা নম্বর ৬ থান্ডারফ্ল্যাশ! - হ্যাঁ!
- গ্যাপ পূরণ হচ্ছে! - দৌড়া! দৌড়া!
- নম্বর ৬ এখন দ্বিতীয় পজিশনে। - দৌড়া! দৌড়া!
- আর সে থামবার পাবলিক না। - দৌড়া! দৌড়া!
- সে এখন এক নম্বর পজিশনে! - দৌড়া! দৌড়া!
- আর নম্বর ৬ জিতে গেল! - হ্যাঁ!
জিতে গেছি!
ভাইর, সিরিয়াসলি!
কী বলেছিলাম? আজ আমার মেয়ের জন্মদিন!
৮ জুন। তো, ৬ আর ৮!
এই নিন ৪,৫৬০,০০০ উয়ন।
ধন্যবাদ।
এই নিন।
এক কাপ কফি খেয়ে নিয়েন।
আর আমি?
- মায়ের টাকা বের করেছিলাম! - আমার জন্য দাঁড়া, মামা!
এটিএম কোথায়?
"অফ ট্র্যাক বেটিং"
বাবা তোমাকে স্কুলে নিতে আসবে।
কী? ফ্রায়েড চিকেন?
এই, এর থেকেও দামী জিনিস খেতে পারো তুমি।
যা যা খেতে চাও লিখে রাখো।
না।
ক্লাস চলাকালীন লিখো না।
ব্রেকের সময় লিখবে। আচ্ছা?
ঠিক আছে। সাতটায়।
ভাবো জন্মদিনে তোমাকে কী উপহার দিব।
দেখতে পাবে।
দেখে অবাক হয়ে যাবে…
এই, গি-হুন!
এই!
অনেক দিন পর দেখা পেলাম!
আচ্ছা, গা-ইয়ং। আমিও তোমাকে ভালোবাসি।
- কী? - এই, ধর ওকে!
মাফ করবেন। দেখি!
স্যরি। বাছা, তুমি ঠিক আছ?
ইস!
- স্যরি। - ধর ওকে!
এই! দাঁড়া বলছি!
থামো। একটা সেকেন্ড। আগে আমাকে দাঁড়াতে দাও।
আমার কাছে টাকা আছে। সত্যিই আছে।
তাই?
তাহলে পালিয়েছিলি কেন?
কারণ…
তোমার যাতে ঝামেলা পোহাতে না হয় তাই সব টাকা এক সাথে দিতে চাচ্ছিলাম।
ইস রে, তোকে নিয়ে আমার গর্ব হচ্ছে।
তো? কত আছে তোর কাছে?
চার মিলিয়ন।
আপাতত এটুকু রাখো, বাকিটা পরের মাসে দিয়ে দিব…
বাছা, তুমি ঠিক আছ?
আমাকে দেখতে দে।
আরে, দে না।
ইস রে!
মিষ্টি আছে।
আমার টাকা দিয়ে অনেক ভালো ভালো খাবার খেয়েছিস নিশ্চয়ই।
আমার কাছে টাকা ছিল।
একটু আগেই, ছয় আর আট… জিতেছে, তাই আমার কাছে টাকা ছিল।
এই।
নাক দিয়ে রক্ত বের করা এত সহজ কেন জানিস?
কারণ সেখানে অনেক কৈশিক শিরা থাকে।
না, প্লিজ। প্লিজ আমাকে মেরো না।
তোর রক্ত অনেক মিষ্টি।
হয়তো এক বাটি রক্ত দিয়ে আজ রাত সুপ বানিয়ে খেতে পারব।
তোমার টাকা দিয়ে দিব।
সত্যি বলছি। তোমার টাকা দিয়ে দিব।
ওরে চুদির ভাই রে।
কাঁদিস না। তোর জন্য মায়া হচ্ছে।
আমার মন যে এত নরম ও জানলো কী করে?
এই।
এখন, চোখ মুছ
আর টিপসই দে।
যদি সামনের মাসের মধ্যে টাকা না দিয়েছিস, তবে তোর কিডনি খুলে নিব
বা এই চোখগুলো।
বুঝিসনি?
তা নয়। আমি বুঝেছি।
- নে। - আচ্ছা।
বেশ, আমাকে কালির প্যাড দাও।
এই নে। প্রাকৃতিক কালি।
মানে?
আচ্ছা, ঠিক আছে।
হ্যাঁ, ঠিক ওখানে। সুন্দর।
"শারিরীক অধিকারের ডিসক্লেইমার"
সাবাস।
তোর কাছে এক মাস আছে। নিজের খেয়াল রাখিস।
দাঁড়াও।
মাফ কোরো কিন্তু…
১০ হাজার উয়ন ধার দেওয়া যাবে?
তুই পারিসও বটে…
"কাউন্টার বন্ধ"
শুনছেন?
মাফ করবেন,
আমার দেওয়া ১০ হাজার উয়ন ফেরত দেওয়া যাবে?
"মজা কখনও শেষই হয় না, ক্রেন গেম"
ধ্যাৎ।
হ না রে বাবা!
এই তো।
No comments yet. Be the first to leave one.