Prvních 200 řádků.
অনুবাদে: সাঈম শামস্ মিস্টার ডেন্টিস্ট সজিব খান ইমরান
অনুবাদে: নূরুল্লাহ মাশহুর হাসান বিন ইসলাম সোহান ডাঃ প্রীতম চন্দ্র দে
সম্পাদনায়: ডাঃ প্রীতম চন্দ্র দে এমবিবিএস, বিসিএস, এমডি রেসিডেন্ট (স্কিন-SOMCH)
মন্সটার ভার্সের চতুর্থ সংস্করণ গডজিলা ভার্সেস কং (২০২১)
উম।
এলার্ট, বায়োডোম ব্রিচ।
এলার্ট, বায়োডোম ব্রিচ।
ড. এন্ড্রুস, এটা দেখেছেন?
এই আবাসস্থল বেশিক্ষণ টিকবে না।
আমাদেরকে অফ-সাইট কোনো সমাধানের ব্যাপারে ভাবা শুরু করতে হবে।
এই দ্বীপটাই একমাত্র তাকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।
ও যদি এই স্থান ত্যাগ করে, গডজিলা ওর পিছু নিবে।
দুটো আলফা টাইটান পৃথিবীতে থাকতে পারবে না।
এই প্রাচীন প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্পূর্ণ তত্ত্ব
এসেছে ইউই মিথোলজি থেকে।
সময়ের সাথে সাথে ওর আকার ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই পরিবেশ বেশিদিন টিকবে না।
এটা বেশ অস্থিতিশীল।
হেই।
ও রাগান্বিত।
গিয়ে আমার জন্য অপেক্ষা করো, সোনামণি।
অফ-সাইট হবে মৃত্যুদন্ডের শামিল।
তোমার মনে হয় না কিং নিজের খেয়াল রাখতে পারবে?
অন্য একটা পথ নিশ্চয়ই থাকবে।
এই জন্তুগুলোর উৎপত্তির ইতিহাস জানা
মানবজাতির টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পৃথিবীর অভ্যন্তর
অসংখ্য প্রকোষ্ঠ আর বায়ুগহ্বর দ্বারা সৃষ্ট,
প্রাকৃতিক পথ দ্বারা যেসব একে অপরের সাথে যুক্ত।
এডমিরাল নিজের অভিযান শুরু করেন,
এক গোপন দুনিয়ার প্রবেশদ্বার খুঁজে বের করার লক্ষ্যে।
এন্টার্কটিকার অজানা ধনভাণ্ডারের
এই আবিষ্কার
এবং বিশ্ববাসীর কাছে প্রচারের উদ্দেশ্য
হচ্ছে সমস্ত মানবজাতির কল্যাণ।
হারানো দলের সদস্যদের আর কখনও দেখা যায়নি।
তাদের ভাগ্যে কী জুটেছে সে ব্যাপারে এখনও কিছুই জানা যায়নি।
ওখানে এমন এক বাস্তুতন্ত্র আছে,
যা আমরা কখনও কল্পনাও করতে পারব না।
আর এটা খুঁজে বের করার স্থান হচ্ছে এই দ্বীপ।
হ্যালো, শ্রোতামণ্ডলী।
স্বাগত টিটিপিতে, টাইটান ট্রুথ পডকাস্ট।
এপিসোড নম্বর ২৪৫।
আজ সেই দিন।
হয়তো এটা আমার রেকর্ডকৃত শেষ পডকাস্ট।
আর দেখুন, জানি আমি এটা গত সপ্তাহেও বলেছি
আর হয়তো তার আগের সপ্তাহে বা আরও কয়েকবার।
কিন্তু, দেখুন, আসল ব্যাপার হচ্ছে এই।
৫ বছর অ্যাপেক্স সাইবারনেটিক্সে আন্ডার কভার থাকার পর,
আমি অবশেষে একটা সুযোগ নিতে যাচ্ছি।
এখানে অসাধু কোনো ব্যাপার চলছে।
জানি না সেটা কী,
তবে আমি এ ব্যাপারে শক্ত প্রমাণ ডাউনলোড করতে
আর এক বিশাল কর্পোরেট ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন করতে যাচ্ছি।
হুম, আপনার সবাই আমাকে তথ্য ফাঁসকারী বলতে পারেন,
কিন্তু আমি স্রেফ ফাঁস করছি না।
মানে, এটা শুধু লিকের চেয়ে বেশি কিছু। এটা একটা বন্যার মতো।
আর বিশ্বাস করুন, এই বন্যা
অ্যাপেক্সের সমস্ত মিথ্যাকে ভাসিয়ে দিতে চলেছে।
এটুকু বিশ্বাস রাখতে পারেন।
অ্যাপেক্স সাইবারনেটিক্সে স্বাগত।
এই পয়েন্টের ভেতরে কোনো অননুমোদিত ব্যক্তির প্রবেশ নিষিদ্ধ।
আমরা যখন অ্যাপেক্স সাইবারনেটিক্স চালু করি,
আমরা মানব সক্ষমতার সীমারেখাকে
ছাড়িয়ে যাওয়ার নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনের স্বপ্ন দেখেছিলাম।
রোবটিক্স, মানব মন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
কে জানে এরপর আমরা কোন নতুন ভবিষ্যতের সাহসী স্বপ্ন দেখব?
আমি ওয়াল্টার সিমেন্স,
আর মানবজাতির নতুন যুগে
অ্যাপেক্সকে নেতৃত্ব দিতে পেরে আমি সম্মানিত।
আমরা কোথাও যাচ্ছি না।
আপনারাও যাচ্ছেন না।
এইতো, সোনা।
না, এটা খেয়ো না!
এটা চরম অস্বাস্থ্যকর।
এগুলো সব জেনেটিক্যালি মডিফাইড।
দ্বিতীয় একটা মাথা গজানোটা কাজের হতে পারে।
আমাকে জানাতে পারো।
কারণ, আমি?
আমি এই একটা মাথাই সামলাতে পারি না।
বার্নি, তোমার এখানে থাকার কথা না।
কখনও ভেবেছ এখানে আমরা আসলে কী করছি?
মানে, আসলে কী করছি এখানে।
তুমি এখানে কেন?
এটা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট না।
কারণ, আমাকে অপেক্ষা করতে হবে,
কারণ ওরা নতুন কিছু স্পেসিফিকেশন রেন্ডার করছে
যার জন্য কিছুটা, আহ...
ক্যালকুলেটর মোড।
...এক ঘণ্টার বেশি, বা তারও বেশি সময় লাগবে।
তাই আমার বস বলল একটু হেঁটে আসতে
- আর কিছু নতুন বন্ধু বানাতে। - ওহ।
ওহ! এখন যেহেতু আমরা নতুন বন্ধু,
তোমার সাথে একটা ব্যাপার শেয়ার করতে পারি তো?
এখানেই কোথাও আছে এটা, জানি।
এই হ্যান্ড স্যানিটাইজারটা আমি নিজের বাগানের জিনিস থেকে বানিয়েছি।
এটা সত্যিই দারুণ।
জানি না এটা ব্যবহার করেছি কি না।
হ্যাঁ। এটা। ব্যবহার করে দেখো।
এখানে যে জিনিসটা দেখছ তা হচ্ছে রেডিও মেশ নেটওয়ার্কিং
সাথে একটা ভয়েস-রেকর্ড সাবপ্রসেসর।
- কোথা থেকে পেয়েছি অনুমান করো। কাম অন। - আমার বয়েই গেল।
টোস্টার থেকে!
এটা একটা টোস্টার থেকে পেয়েছি। জিনিসটা দেখো।
আমাকে বাথরুমে যেতে হবে।
এক নাম্বার না দুই নাম্বার?
কারণ যদি দুই নাম্বার হয়, সেটা হয়তো এই আপেলের কারণে।
হেই, আমার বানানো হ্যান্ড স্যানিটাইজারটা ব্যবহার করতে চাও?
সমস্যা নেই।
ওকে, আমি এখানেই থাকছি।
ওকে। ইয়াহ।
আহ, দেখা যাক।
হু।
স্ক্রিন।
হংকং এ ওরা কী পাঠাচ্ছে?
সাবলেভেল ৩৩ কী?
হোয়াট দ্যা...?
ইভ্যাকুয়েশন, টাইটান এলার্ট।
এটা কোনো ড্রিল নয়।
অ্যাপেক্সের সমস্ত কর্মীবৃন্দ, দয়া করে...
এটা আমার পালা। এটা আমার পালা।
এটা কোনো ড্রিল নয়।
সিঙ্গেল ফাইল-লাইনে করে ফলআউট শেল্টারের দিকে এগিয়ে যান।
চলো!
সিক্রেট আড়াল করার জন্য ওরা
ফলআউট শেল্টারের বদলে সায়ানাইড ক্যাপসুল ব্যবহার করেছিল,
কিন্তু, এটা এখানেও না, ওখানেও না,
তাই আমার কথা শুনবেন না।
লেভেল টু এর কর্মীবৃন্দ, এই পথে! চলো, চলো!
হুম, ওই পথে।
সময় হয়ে গেছে!
আমাদের এখন যেতে হবে!
স্থান ত্যাগ করুন।
এক বারে একটা করে লেভেল, ওকে।
- না। - হেই, তুমি!
- তোমার ক্লিয়ারেন্স ট্যাগ কোথায়? - শোনো ভায়া?
এই বিপদের সময় যে
তুমি ক্লিয়ারেন্স ট্যাগ নিয়ে কথা বলছো
এটা কিন্তু চরম অপেশাদার আচরণ।
আমাদের এখন ইভ্যাকুয়েশনের ব্যাপারে কথা বলা উচিত।
ইয়ো! ওকে!
ওহ, মাই গড।
ওহ, নো। এটা কী জিনিস?
সিএনএন ব্রেকিং নিউজ।
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর চতুর্থ নৌবহরকে
আমেরিকার দক্ষিণ-পূর্ব সমুদ্র উপকূলে মোতায়েন করা হয়েছে
গতকাল রাতে গডজিলার অকস্মাৎ আক্রমণের প্রেক্ষিতে।
আপাত শান্তিময় পরিস্থিতি বরবাদ হয়ে যায়
যখন এই দানবাকার টাইটান,
যাকে একসময় মানবজাতির হিরো ভাবা হতো,
পেন্সাকোলা, ফ্লোরিডাতে আগমন করে।
ক্ষয়ক্ষতি প্রধানত অ্যাপেক্স সাইবারনেটিক্সের
ইউএস হেডকোয়ার্টারেই সীমাবদ্ধ থাকা স্বত্বেও,
প্রায় তিন বছর পর প্রথমবারের মতো
এই টাইটানের পুনরাবির্ভাবের পর বিশ্বজুড়ে সরকারসমূহ
কোনো প্রকার ঝুঁকি গ্রহণ করতে চাইছে না।
সিইও ওয়াল্টার সিমেন্সের বক্তব্য ছিল এই।
আমাদের লক্ষ্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ার উদ্দেশ্যে একসাথে কাজ করা।
গডজিলা মানবজাতির জন্য একটা হুমকি,
আর অ্যাপেক্সের প্ল্যান রয়েছে একে সামলানোর জন্য,
একদম চিরতরে।
ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষকবৃন্দ, দয়া করে জেনে রাখুন
আজ বিকাল ২টায়
একটি বাধ্যতামূলক অ্যাসেম্বলি অনুষ্ঠিত হবে।
সমস্ত স্বতন্ত্র এবং গ্রুপ সেশনের জন্য
গাইডেন্স কাউন্সিলররা এই পুরো সপ্তাহ জুড়ে
অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা ব্যয় করবেন।
সুপ্রিয় শ্রোতাবৃন্দ, স্বাগত জানাচ্ছি,
টাইটান ট্রুথ পডকাস্ট, এপিসোড ২৪৬-এ।
ওহ, খোদা, আমি ওখানেই ছিলাম।
গডজিলার বিধ্বংসী আক্রমণ। আমি নিজ চোখে দেখেছি!
আপনার কি মনে হয়, তার ফিরে আসাটা কোনো কাকতালীয় ঘটনা?
এবং বিশেষ করে ওই ফ্যাসিলিটিকে ধ্বংস করাটা?
হা-হা, না, না, না। কাকতালীয় হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।
বাবা, আমি বলছি তোমাকে,
ওকে কেউ উস্কানি দিচ্ছে যা আমরা এখান থেকে দেখতে পাচ্ছি না।
আশেপাশে আর কোনো টাইটান না থাকলে
কেন শুধু শুধু গডজিলা এভাবে আক্রমণাত্মক হবে?
ওই পডকাস্ট তোমার মাথাটা খেয়ে দিয়েছে।
- তোমার স্কুলে যাওয়া দরকার। - আমি স্রেফ সাহায্য করতে চাচ্ছি।
কিন্তু তা আমি চাই না। আমি চাই তুমি নিরাপদে থাকো।
এদের মাঝে শান্তি স্থাপনের জন্য পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল,
আর যে সেরা পরিকল্পনাটা ছিল তাও ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।
এখন আর আমার কাছে কিছুই নেই।
আর এখন যেটা প্রয়োজন, তা হলো তোমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
গডজিলা আমাদের বাঁচিয়েছে। মায়ের সাথে তুমিও সেখানে ছিলে, দেখেছো সেসব।
তারপরও কীভাবে ওকে সন্দেহ করছো?
- কোনো না কোনো প্যাটার্ন তো অবশ্যই আছে। - কিছুই নেই।
- কেন ও এরকম করছে। - কিচ্ছু নেই।
তুমি কীভাবে জানো?
কারণ প্রাণীরাও, আমাদের মতোই, পরিবর্তনশীল।
আর এখন, গডজিলা বাইরে উন্মুক্ত,
আর সে মানুষদের আক্রমণ করছে, যার কারণ আমাদের অজানা।
তো এখন এসব বাদ দিবে?
বাসায় দেখা হবে, বাবা।
আমার থিওরি কী জানতে চান?
মানে, অবশ্যই চান। সেজন্যই তো শুনছেন।
এই সবকিছুই ভ্যারিয়েবল আর প্যাটার্নের সাথে সম্পৃক্ত।
আচ্ছা, দাঁড়ান, আমি সহজ করে
বাচ্চাদের উপযোগী করে বুঝিয়ে দিচ্ছি, ঠিক আছে?
No comments yet. Be the first to leave one.