Prvních 200 řádků.
অনুবাদে: জাহিদ হাসান। সহযোগিতায়: মোহাম্মদ সায়েম।
আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছো?
দয়া করো, আমি গর্ভবতী।
কেউ আসছে।
যেমন বলেছি, তেমনি করো।
বাল পাকনামি করলে খবর আছে!
চলো।
তুমি এত দূরে, রাস্তা ছেড়ে এলে কেন, ভাই,
এমন এক জনকে নিয়ে?
এক বুড়ো ঘোড়া, যা আর টানে না।
পম্পেই যাওয়ার জন্য এই জঙ্গলের রাস্তাই আমার স্ত্রীর জন্য ছোটো।
সাবধানে না চললে এই ছোটো রাস্তাই হোগা মেরে দিবে।
কিছুদিন আগেই স্পার্টাকাস আর ওর লোকেরা কাছাকাছি একটা গাড়ি আক্রমণ করেছে।
স্পার্টাকাস?
আচ্ছা, আমাদের জলদি যেতে হবে, সোনা...
নয়তো আমাদের উপরও দুর্ভাগ্য নেমে আসবে।
দেখে তো মনে হচ্ছে, এসেই গেছে!
ওটা কীভাবে হয়েছে?
ঘোড়াটা পড়ে গিয়েছিল।
পম্পেই যাওয়ার রাস্তায়, হ্যাঁ?
সেখানে কী কাজ তোমার?
সেখানে মাংস আর হাড় বিক্রি করি,
তুমি কসাই?
হুঁ।
একজন কসাইয়ের স্ত্রীর সাজ তো বেশ জমকালো!
ও গ্ল্যাডিয়েটর। আর আমি প্রেইটরের--
দুঃখিত!
বাঁচাও!
কেউ আছো? আমাকে বাঁচাও!
বাঁচাও!
আরেকবার চেঁচালে,
জিভ কেটে হাতে ধরিয়ে দেবো।
তুমি কী চাও?
যা চাইবে আমার স্বামী দেবে, শুধু আমাকে ফিরিয়ে দাও।
আমি মুক্তিপণ চাই না।
আমাকে মেরে ফেলবে নাকি?
না। তোমার জীবন নেওয়ার অধিকার আমার নেই।
আমি ওকে বর্শা দিয়ে শেষ করে দিতে পারতাম।
এটা তোমার নাগালের বাইরে ছিল।
আমার নাগালের কথা তুমি জানলে কীভাবে?
অনেক কিছু জানি, মহৎ আর শক্তিশালী স্পার্টাকাস সম্পর্কে।
মহৎ আর শক্তিশালী?
উদার ও ন্যায়পরায়ণও।
তোমার হৃদয়ে আমি দৃষ্টি দিয়ে দেখেছি,
আমি জানি সেখানে কী লুকিয়ে আছে।
যদি যুবক বয়সে আমায় দেখতে,
তবে হয়তো এতো ভালো লাগতো না তোমার।
হুঁ,
আমি তখন মানুষ কম, জানোয়ার বেশি ছিলাম।
আর সেই বুনো জানোয়ারকে কে শান্ত করেছিলো?
তোমার স্ত্রী, নিঃসন্দেহে।
দুঃখিত!
গ্ল্যাবারের স্ত্রীকে মেরে ফেলো,
যেভাবে সে তোমার স্ত্রীর প্রাণ নিয়েছিল।
এই প্রতিশোধের পরিসমাপ্তি ঘটাও
আর এর সঙ্গেই শেষ হোক সমস্ত কষ্ট,
যা তৈরি হয়েছে তোমার আর প্রতিশোধতৃষ্ণার মাঝখানে।
ওর এই পরিণতির জন্য আমি দায়ী।
আমি যদি গ্যানিকাসের সাথে ওই কথাগুলো না বলতাম—
তাহলে কখনোই জানতো না যে ইলিথিয়া রওনা দিয়েছে।
সবখানে গিয়ে পিরিতির আলাপ লাগিয়ে দাও!
আমি শুধু গ্যানিকাসকে সঠিক পথে আনতে চেয়েছিলাম—
যাতে ও স্বেচ্ছায় তোমার আদেশ মেনে চলে,
এবং স্পার্টাকাসের খোঁজে অভিযানে যোগ দেয়।
সে হয়তো ওই অভিশপ্ত থ্রেশিয়ানদের সাথ হাত মিলিয়েছে।
ওরা দুজনেই তো তোমার গৃহের দাস ছিল, তাই না?
তবে মাঝখানে অনেক বছর ছিলো।
ওরা কখনো একে অপরকে দেখেইনি।
আমাদের জানা অনুযায়ী,
যদিও এখন সেটা কোনো ব্যাপার নয়।
গ্যানিকাস এখন আমার স্ত্রীকে
এবং অনাগত সন্তানকে আটকে রেখেছে!
যদি সে এখনো বেঁচে থাকে।
না, ওকে শহর থেকে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে...
মেরে ফেলার মতো এতো বড় ঝুঁকি সে নিবে না,
সে এখনো বেঁচে আছে।
আমি তার হৃদয়ের স্পন্দন অনুভব করি, আমার স্পন্দনের মতোই।
তোমার লোকেরা চারপাশ চষে ফেলুক যতক্ষণ না ওকে খুঁজে পাওয়া যায়।
এই পুরো এলাকা চষে বের করতে তো মাসের পর মাস লেগে যাবে।
তাহলে রোমে সাহায্যের জন্য বার্তা পাঠাও।
এই খবর যেন এই প্রাসাদের বাইরে না যায়।
কিন্তু ইলিথিয়া--
রোমের একজন প্রেটরের চোখের সামনে থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সিনেটে আমার ব্যাপারে ফিসফাস হবে, আমি নিজের স্ত্রীকে নিরাপদ রাখতে পারিনি।
এটা আমি সহ্য করবো না।
বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত।
তোমাকে তোমার ভবিষ্যতের কথা ভাবতে হবে।
তুমি এখন রাজনীতি নিয়ে কথা বলছ?
ইলিথিয়া আমার প্রিয় বন্ধু এবং তোমার স্ত্রী।
সে তোমার সন্তানের আশীর্বাদ নিয়ে আছে,
এবং তার সঙ্গে আলবিনিয়াসের সম্পদের সূক্ষ্ম সংযোগ রয়েছে,
যদি তাকে না পাওয়া যায় তাহলে সেটা ছিন্ন হয়ে যাবে ।
কী ভয়ংকর ঝুঁকিতে আছি আমি, সেটা নিয়ে জ্ঞান দিতে এসো না!
প্রেটর।
সব কিছু গোপন রাখা হয়েছে তো?
আপনার স্ত্রীর দুর্ভাগ্যের কোনো চিহ্নই আর বাকি নেই।
কেউ কিছু জানতে পারবে না।
ভালো।
তোমার লোকদের জড়ো করো।
সেপিয়া, এদিকে এসো।
ওর সঙ্গে আর কখনো এত উচ্চ স্বরে কথা বলবে না...
যদি এই দুনিয়ায় নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে চাও।
ইলিথিয়ার আশীর্বাদ ছাড়া
এই জায়গা আমি খুব সহজেই হারিয়ে ফেলবো।
আমি কখনো তোমাকে এত নিচে পড়ে যেতে দেবো না, সোনা,
যতক্ষণ না আমি তোমার সান্নিধ্যকে মূল্য দিচ্ছি।
ভালো।
এখন আমার কাঁধের কোণ লক্ষ্য করো।
এটাই তোমায় ইঙ্গিত দেবে আমার পরবর্তী—
তুমি খুব দ্রুত শিখছো।
আমার তো সুবিধাই,
কারণ এক খোদার কাছ থেকে শিক্ষা পাচ্ছি।
আবার শুরু করো।
হারুডেস,
তুমি পাগলা ছাগলের মত চিৎকার করছো!
নেমেটেস, সেক্সা, নিজেদের জায়গা নাও।
তাহলে কি লড়াইয়েও কাঠের লাঠি ব্যবহার করবো?
মুখ বন্ধ করে এনাযাসের কথা শোনো।
আমার আর শেখার দরকার নেই। আমি যুদ্ধ করতে পারি।
আমি তোমায় যুদ্ধ নয়, জেতার কৌশল শেখাচ্ছি,
যাতে আবার রোমানদের হাতে বন্দি না হতে হয়।
অবস্থান নাও।
আক্রমণ!
নেমেটেসের কথায় একটা যুক্তি আছে,
অন্তত অস্ত্রের অভাবের বিষয়ে।
দেবতারা ধ্বংস হোক।
তুমি গ্ল্যাবারের স্ত্রীকে ধরে এনেছো?
না। তাকে আমার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
এবং আমরা তাকে পৌঁছে দেবো সঠিক পরিণতিতে।
মাগী! তোর প্রাণভিক্ষা চা!
তোর গলা কেটে ফেলবো!
খানকি!
এটাই তবে এখন আমাদের ন্যায়–
এক অসহায়, সন্তানসম্ভবা নারীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়া?
গ্ল্যাবার আমার স্ত্রীর জন্য করুণা দেখায়নি–
যে ঢের বেশি মর্যাদাবান ছিলো,
তোমাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এই মহিলার চেয়ে!
খানকি! মাগী!
হারামজাদি।
কয়েন ছাড়া কোন মাগী পাবি না, বুঝলি বাইনচোদ!
এবার চোখের আড়াল হ।
ওঠ, বুড়ো বাইনচোদ!
একটু দাঁড়াও,
আমার বন্ধু!
তোমাদের সঙ্গ উপভোগ করতে চাই।
এখন কী চাও আমার কাছে, সিরিয়ান?
গ্যানিকাস।
কাপুয়ার এক বিখ্যাত গ্ল্যাডিয়েটর।
শোনা যায়, সে নিয়মিত
তোমার আস্তানায় আসে,
মদ আর দেহের সুখ নিতে?
হ্যাঁ, প্রিটর।
আমি তার সঙ্গে কথা বলতে চাই।
সে এখানে নেই।
তবে নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ
তার সঙ্গে পান করেছে,
আর ভোগ করেছে অন্য সুখও।
আমি জানতে চাই, সে কী বলেছে,
যাতে করে বুঝতে পারি সে কোথায় লুকিয়ে আছে।
আর আমি চাই আরেক গ্লাস মদ আর আমার বাঁড়ার উপর একটা নারী।
আর কিছু না।
আমি আবারো জিজ্ঞেস করছি।
তোমাদের মধ্যে কে গ্যানিকাসের সঙ্গে কথা বলেছে?
হতাশাজনক।
থামো। থামো।
আমি গ্যানিকাসকে কথা বলতে দেখেছি।
কার সাথে?
আমার দাসী মার্সিয়া।
সে কোথায়?
তোমার এই সিরিয়ান তাকে শূলে চড়িয়েছে।
আর আমি এখনো সেটার কোনো ক্ষতিপূরণ পাইনি।
গ্যানিকাস আমার কাছ থেকে কিছু কেড়ে নিয়েছে!
আর আমি সেটা ফেরত নেবই।
সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করো।
দয়া করে এটা কোরো না।
এই একই কথা কি আমার স্ত্রীর মুখ থেকেও বের হয়েছিলো....
যখন রোমানদের তলোয়ার তাকে চিরদিনের জন্য আমার বুক থেকে আলাদা করেছিলো?
আমি তার কিছু জানতাম না।
এই ঘটনায় আমার হাত রক্তমাখা নয়।
তোমার স্বামী সেটা বলতে পারবে না।
সেই তাকে দাসত্বে ঠেলে দিয়েছিলেন।
এই কারণেই সে আজ পৃথিবীতে নেই।
আর আমি সমান প্রতিশোধ চাই!
তুমি এটা কোরো না, আমার সন্তান–
সুরা আর আমি প্রায়ই সন্তানের কথা বলতাম,
একটি পরিবার গড়ার স্বপ্ন দেখতাম,
যার দরজা আজ আমার জন্য চিরতরে বন্ধ,
তাই আমি গ্ল্যাবারের কাছ থেকেও সেই স্বপ্ন কেড়ে নেবো।
সন্তানটা তোমার।
তুমি মিথ্যে বলছো।
আমার জিভ যদি মিথ্যা শব্দ করেও,
তবুও এটি তিক্ত সত্যই প্রকাশ করে।
বাটিয়াতুসের ভিলায় আমাদের সাক্ষাতের পর, আমার মাসিক বন্ধ হয়ে যায়।
লুক্রেশিয়া ক্রিক্সাসকে কথা দিয়েছিল–
এটা একটা নিষ্ঠুর রসিকতা
এটা এমন এক স্মৃতি যা থেকে যায়, তাই না–
সেই রাতের,
তুমি যখন আমার ভেতর প্রবেশ করেছিলে?
হ্যাঁ,
তেমনি এখনো স্পষ্ট মনে পড়ে তোমার গলায় আমার হাত রাখার মুহূর্তটা।
No comments yet. Be the first to leave one.