Prvních 200 řádků.
Bangla subtitle by _Professor_ 🎯 সহযোগীতায় ঃ Rajdeep Das. ❤
দেখ আবসুর্দ প্রতিদিন স্কুলে যায়। আজকে স্কুল বন্ধ।
মাঝে মাঝে আমার মনে হয় তুমি আমার সৎ মা৷
আমি যদি একদিন স্কুলে না যায় তা হলে কি এমন ক্ষতি হবে?
তৈরি হয়ে নে। এখনই!
আমি স্কুলে যাচ্ছি না।
আমি অসুস্থ। আমার ভালো লাগছে না।
দেখ! স্কুলে যাওয়ার সময় হলে তুই অসুস্থ হয়ে যাস।
একবার স্কুলে গেলে তোর ভালো লাগা শুরু হবে।
-এখন গিয়ে তৈরি হ। - আমি কালকে থেকে যাব৷
আমি বলছি কাল থেকে যাব।
যা এখন তৈরি হ।
যা বলছি। তৈরি হ।
স্কুলে যেতে চাইছে না যখন না যাক।
স্কুলে গিয়েও বা কোথাকার অফিসার হবে।
এত বেশী বই পড়লে তোর মাথাও খারাপ হয়ে যাবে।
ওই রামবীরের বাচ্চাদেরই দেখো।
সিমা, আমার খাবারের বক্স নিয়ে আই। আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে।
আনছি ভাইয়া।
তোকে তো চিন্তিত লাগছে।
রতন ভাইসাব, আমার মৃত্যুর স্বপ্ন দেখেছে প্রাকাশী।
সে স্বপ্নে কি দেখেছে?
ভাবার ভাই, সে স্বপ্নে দেখেছে আমার মরণ এসে গেছে।
যদি ঘরের মহিলারা
পবিত্র চান্দি মন্দিরে দর্শন করে আসে
তাহলে বিপদ কেটে যাবে।
তানাহলে, আমার মৃত্যু হবে।
সে এখন আমাকে উভয় সংকটে রেখেছে।
এটাইতো হওয়ার ছিল।
কিন্তু চান্দি মন্দিরটি কোথায়?
দাদা এটা চন্ডিগড়ে।
এটা অনেক পুরাতন ও অলৌকিক মন্দির।
তাহলে তাদেরকে যেতে দাও।
তারা মন্দির দর্শন করে ফিরে আসবে।
সমস্যা কি?
তারা বলেছে শুধু মহিলারা যেতে পারবে।
সে ভয় পাচ্ছে যদি সে লন্ডন চলে যায়।
এখন পর্যন্ত তারা গ্রামের বাইরে পা রাখে নি।
বেকুব কোথাকার।
স্বপ্ন কখনো সত্যি হয় না।
এসব বাদ দে তো।
সে যদি মাথা না ঘামায়, তাহলে তোর এত দুশ্চিন্তা করা ঠিক না।
আরে স্বামীতো আমার মারা যাবে চন্দ্র জা (ভাসুরের স্ত্রী)
বিধবাতো আমি হব।
হা।
তুই কাঁদবি আর কষ্ট পাবি।
এটাইতো হবে।
তো আমাকে খুলে বল মাতা রাণী কি করতে বলেছে?
মাতা জি বলেছে সাবিত্রীর মত নিজের স্বামীর প্রাণ বাঁচাতে হবে।
আচ্ছা?
তারপর?
তারপর মাতা রাণী বললো এটা অনেক কঠিন।
তোমার এই কাজে অনেক বাধা আসবে।
কিন্তু হাল ছাড়া যাবে না।
কিন্তু মাতা রাণী কঠোরভাবে বলে দিয়েছে যে কোন পুরুষ আমাদের সাথে যেতে পারবে না।
তুই সবসময় আমাকে মারিস ।
আমি তোর সৎ মা না। - মরে গেলাম!
বেশ। আমার যথেষ্ট শোনা হয়েছে ।
পুরুষরা যেতে পারবে না, কিন্তু বাচ্চা ছেলেতো তো যেতে পারবে।
শচীন তুই ওদের সাথে যাবি।
হা বাবা।
এখন স্কুলে তুই যা।
তারা যদি এই বয়সে হারিয়ে যায়
তাহলে আমরা অন্য কাউকে খুজে নেওয়া ছাড়া উপায় নাই। (এটা সব পুরুষের মনের কথা 😁)
ভালো বলেছিস।
তোর জীবনও বেচেঁ যাবে আর সাথে তোর বউও।
দাদি বাস এসে গেছে।
বাস এসে গেছে?
যা।
কোথায় যাওয়া হচ্ছে শচীন?
দাদীদের সাথে চন্ডিগড় মন্দিরে।
আর তুই ?
আমিও চন্ডিগড়ে যাচ্ছি।
ডাক্তার সাহেবের সাথে যাচ্ছি।
সেখানে সে কোন এক সরকারি কাজে যাচ্ছে।
আমারতো তেমন কোন কাজ নাই
আমিতো ভাবছি তোকে সাথে নিয়ে তোর প্রিয় নায়ক নায়িকার মুভি দেখবো।
মানে মিঃ এবং মিসেস খিলাড়ি? - হ্যা।
একটু দাড়া।
দাদি। -হ্যা।
দাদি আমি তোমার সাথে যাচ্ছি না। -কি?
আমি ফারুকের সাথে সিনেমা দেখতে যাচ্ছি।
সময় মত বাস স্ট্যান্ডে চলে আসবো।
তুই পাগল হয়ে গিয়েছিস?
ফালতু কথা বলিস না। মন্দিরে চল।
বেবি
ছেড়ে দে না৷
সে তো চাইলে যেকোন সময় মন্দির দর্শন করতে পারে।
বাচ্চাটা একটু মজা করুক।
না, ভাবি.... আমি ঝুঁকি নিতে পারবো না।
বাড়ি গিয়ে সে যেকোন সময় সত্য কথা বলে দিবে।
আর শেষে সব দোষ আমার হবে। ।
চল। সে বলবে না।
ওয়াদা কর যে বলবি না।
আমি কাউকে বলবো না দাদি।
কাজী মারুফের কসম। (অক্ষয় আমার প্রিয় নায়ক 😊 )
এই কাজী মারুফই একদিন আমাকে শেষ করবে।
ঠিক আছে, যা। -কিন্তু তাড়াতাড়ি আসবি। -হ্যা।
ফারুক ভাই!
আমরা পৌছে গেছি।
এখানে থাম।
ভাড়া নাও।
এখানে দুজনের আছে।
আসো চাচী।
চন্ডিগড় ভেতেরান আন্তঃ প্রদেশ প্রবীন সুটিং প্রতিযোগিতায় স্বাগতম।
চন্ডিগড়ে আপনাদের স্বাগতম।
এই মহিলারা কোথা থেকে আসলো?
আমার মনে হয় এই প্রজাতি এখানে ভুলে চলে এসেছে।
এই বৃদ্ধ বয়সে তারা কি করতে এসেছে ?
দাদি, এই স্কার্ট আর ঘোমটা বাসায় মানায়, সুটিং রেন্জে না।
চাচী, চলে আসো।
তুই কি মনে করছিলি এটা ফেন্সি ড্রেস প্রতিযোগিতা?
আইজি স্যার আপনার কাছে আমার একটা প্রশ্ন ছিল।
আপনি একধারে কিছু সময় প্রতিযোগিতা জিতে আসছেন।
এইবার কি হবে?
এখানে কোন সন্দেহ নাই। এখানে কোন প্রতিযোগিতা হবে না।
আমার বিপক্ষে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী আপনি দেখেছেন?
আপনি একেবারে ঠিক বলেছেন স্যার। -আমি জানি, আমি কি।
বরাবরের মত আমিই জয়ী হতে যাচ্ছি।
'আমরা সবাই আমাদের দাদীদের কাছ থেকে গল্প শুনেছি। '
"কিন্তু আজকে আমি আমার দাদিদের গল্প শোনাবো। "
এরা হলেন আমার দাদিমা।
চন্দ্র তুমার।
এবং প্রাকাশী তুমার।
বড় পর্দায় সিনেমা দেখার সময়ও
তারা তাদের মুখ ঘোমটা দিয়ে ঢেকে আসতে হতো।
যে ঘোমটা টা দিয়ে তারা তাদের মুখ ঢাকতো,
সেটাই তাদের কাছে সিনেমার রং হতো।
নীল ঘোমটা দেওয়া মহিলাটি হলো চন্দ্র দাদি।
তাই আপনি বলতে পারেন তিনি আজকে নীল সিনেমা (পর্ন না 😐) দেখছে।
চাচী আমাকে রক্ষা কর।
বির্জু, ছেড়ে দে।
আমি তোকে খুন করবো।
তুমি আমাকে মারতে পারবে না।
কারণ তুমি আমার মা।
প্রথমে আমি একজন নারী।
আর আমি তোমার ছেলে।
বির্জু, আমি আমার সম্মানের জন্য আমার সন্তানকে বিসর্জন দিতে পারি।
তুমি আমাকে মারতে পার....কিন্তু আমি আমার ওয়াদা ভঙ্গ করবো না।
বীর্জু....
এটাইতো হওয়ার ছিল !!
মহিলাদের হাতে বন্দুক দিলে তারা এটাইতো করবে।
এই গর্দভ মহিলা তার ছেলেকেই মেরে ফেললো।
বন্ধ কর!
এটা তো অশ্লীল ব্যাপার!
কিন্তু এটাতো দেখাতে হবে।
সরকার থেকে বলে দিয়েছে।
সচেতনতা বাড়াতে সিনেমার সাথে এগুলো দেখানো জরুরি।
আচ্ছা...
সিনেমা শেষ হয়ে গেছে।
দ্বিতীয় বার আবার শুরু হবে না।
চলো।
মহিলা আর বাচ্চারা বের হও। উঠ, উঠ,জলদি।
জলদি।
চাচী তুমিও। বাড়ি যাও।
এখন চালা তোর সচেতনার ভিডিও।
এটাইতো হওয়ার ছিল !!
আবার চালা ভাই।
কিন্তু সরকারের এই উদ্যোগ পরিবর্তন আনতে ব্যার্থ হলো।
'আমার দাদা যদি বেলুনের গুরুত্ব বুঝতে পারতো '
'তাহলে বছরের পর বছর আমার দাদিরা বেলুনের মত ফুলে থাকতে হতো না। '
সে তো খুবই সুন্দরী।
দেখ প্রাকাশী
যা কিছু হয়ে যাক, আমাদের লড়াই করা ঠিক না।
এই ঘরে শুধু একটাই কামরা আছে।
আর দ্বিতীয়টা উপরে।
কিন্তু আজকে রাতে সব তোর।
সাত দিনে এক সপ্তাহ।
সোমবারে তোর,মঙ্গলবার আমার আর বুধবারে জা (ভাসুরের স্ত্রীকে বুঝানো হয়েছে) এর।
আবার মঙ্গলবারে তোর, শুক্রবার আমি আর শনিবারে আবার জা এর।
আর রবি বারতো তার।
কারণ ওর বেশি দরকার।
শোন....
আজ থেকে, তুই লাল ওড়না পরতে পারবি না।
লাল ওড়না জা পরবে।
আমি নীল।
বাকি রঙ থেকে যেকোন একটি তুই পছন্দ করতে পারিস।
তানাহলে, তুই সমস্যায় পরতে পারস।
একবার আমার স্বামী জা কে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিল।
কিন্তু জা তাকে কুনই দিয়ে জোরে গুতা মেরেছে যাতে সে ধরতে না পারে।
ঠিক তখন থেকে আমরা আলাদা রঙ বেছে নিয়ছি।
জা, কিন্তু লাল রঙ তোমাকে মানাবে না।
যদি তুমি কিছু মনে না কর তাহলে কি আমি এটা রাখতে পারি?
ধরো তাকে।
ভিতরে ঢোকা।
আমিতো এখনো বিয়ে করি নি।
এই জা।
পুরুষরাতো একটা কাজই ভালো পারে।
এটার উপরও যদি সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করে
তো তারা কি করবে?
আমি এটাই চাই। আর কোন উপায় থাকবে না
অন্তত, আমরা নিশ্বাসতো ফেলতে পারবো।
আজকে একটু হালকা হালকা লাগছে।
জা, তুইও কি একটা টান দিবি?
আমি?
রাম, রাম!
রাম, রাম।
আরে ইয়াশপাল, শুনলাম তুই নাকি ডাক্তারি পড়তে দিল্লি যাচ্ছিস?
হা তুমি ঠিক শুনেছ।
চাচা কে আশেপাশে দেখছি না যে?
No comments yet. Be the first to leave one.