প্রথম 200টি লাইন।
KIM Da-mi
CHO Min-soo
PARK Hes-soon
CHOI Woo-shik
Written and directed by PARK Hoon-jung
মাথায়, মাথায় মারো।
আর কতবার বলতে হবে আহাম্মকের দল?
একটিবারের জন্য ব্রেইন খাটাও।
PART 1. THE SUBVERSION
অবস্থা দেখো।
কষ্ট করে ওর পিছু নিলি কেন?
মাথামোটা ছোকরা।
গিয়ে পরিষ্কার হ।
চোখের সামনে থেকে দূর হ, যা দেখি!
কানে ঢোকে না?
আপদ বনিস না, ভাগ, হতচ্ছাড়া!
একদম আমার দিকে তাকানোর সাহস করবি না!
নিয়ে যাও।
আর মেয়েটা?
তাহলে ওকে হারিয়ে ফেললে?
তুমি কি সবসময়ই...
এরকম ফালতুভাবে কাজ করো?
এমনটা না যে বাচ্চাগুলো স্বাভাবিক।
সেটাই।
ওরা সহজাতভাবে অন্য লেভেলে আছে।
মেয়েটাকে খুঁজতে থাকো, যাইহোক,
ওকে সরানো হয়েছে বলে হেডকোয়ার্টারে রিপোর্ট করো।
কী?
এমনিতেও ও বেশিক্ষণ বাঁচবে না।
তুমি তো জানো।
জানো না?
ওর অবস্থা তোমার থেকে ভিন্ন, মি. ছই।
ও দৌড়ের উপর মরবে।
এটা আরও বড় সমস্যা নয় কি? বনের মধ্যে ওর বিচরণ?
সেটা নিয়ে চিন্তা করো না।
ওর বয়স মাত্র ৮
এনাফ।
যাচ্ছি, ক্ষুধায় মরছি।
এই সময়ে কী বাল করছি?
যাও!
এদিকে আয়, খা।
একটা বাচ্চা না?
খোদা...
হায় খোদা...
এই বাবু।
বাবু, খোদা...
সোনা!
অবস্থা তো খারাপ, এখনো কি বেঁচে আছে?
সোনা, এখানে আসো! তাড়াতাড়ি আসো!
সোনা!
ভয়ংকর ব্যাপার...
চিন্তার কিছু নেই।
চোটগুলো বাহ্যিক, সেরে যাবে।
জ্বী।
যাইহোক...
স্মৃতি ফিরে পাবে কিনা সে ব্যাপারে সন্দেহ আছে।
বলেছিলেন ও নিজের নাম কিংবা বয়স জানে না।
হ্যাঁ, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
সুস্থ হয়ে উঠলে ওকে কী করবেন?
আচ্ছা...
আরে, মশাই।
আমরা তো আর অপরিচিত না।
আমার বাচ্চারা আজ ২ দিন অনাহারে আছে।
তুমি তো জানো বর্তমানে কোনোকিছুর হালহকিকত ঠিক নেই।
আমি জানি তুমি কীসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছো।
তাই বলে সাহায্য করবেন না?
আপনি আর আমার বাবা অনেকদিনের পরিচিত।
অবশ্যয়ই, মি. কো আর আমি বেশ পরিচিত।
জানি সেটা।
তাই দিন না, মশাই।
এই উপকারটুকু করুন।
তবুও, তোমাকে অনেক পরিমাণে ধার দিয়ে ফেলেছি।
সামনের মাসে চুকিয়ে দেবো।
এই, দাঁড়া! পুঁচকে বাঁদর!
করছিস কী?!
বলছে ওর বাচ্চারা অনাহারে, গরুগুলোর খাওয়া দরকার।
ওরে বদের হাড্ডি!
মশাই! ১২ বস্তা নিয়ে যাচ্ছি।
ঠিক আছে, যাও।
দাঁড়াও, জা-ইয়ুন...
বাবা, যেতে দাও ওকে।
- যাও তাহলে। - যাচ্ছি!
- তাহলে, জা-ইয়ুন, উম... - সাবধানে যেয়ো।
- তুমি থামবে? - তাহলে পরের মাসে...
- ওরে খোদা, বাবা। - কিছু ধার চুকিয়ে দিয়ো...
ওরে মাথামোটা বাঁদর! মেয়েটা তোকে বশ করেছে?
বাড়িটাও দিয়ে দিচ্ছিস না কেন?
পরিচিতদের সাথে ছোটলোকি করো না!
ছোটলোকি? কী বললি!
ওকে দেখলে তোর মাথা ঠিক থাকে না কেন?
মেয়েটা দারুণ।
অপদার্থ কোথাকার!
ধুর হ, অপদার্থ একটা!
ওর চেয়ে বড় গাধা দুনিয়াতে আর একটাও খুঁজে পাবো না।
আকাশ-বাতাস দেখি বাপের ভালোবাসায় মোহিত।
কী, মেয়েটা আবারও লুট করেছে?
আরে, লুট মানে।
ওই গাধাটা মেয়েটাকে সব দিয়ে দিয়েছে।
লাইসেন্স ছাড়া ওর গাড়ি চালানো উচিত নয়।
আসলেই উচিত নয়।
দিন চালাতে।
ওর বাবা ভালো নেই।
সামনের বছরই তো প্রাপ্তবয়স্কা হয়ে যাচ্ছে।
অবশ্যয়ই চালাতে দেবো, কেবল চিন্তা হয়, এই আরকি।
একটা কফি ব্রেক নেওয়া যায়?
কফি? খাওয়াই যায়।
ভালো।
বাবা!
আবার আমার ট্রাক নিয়ে গিয়েছিলি?
বলিনি এটা বিপদজনক?
তোমার চেয়ে অনেক ভালো চালাই।
দাও আমায়, আমি খাওয়াচ্ছি।
তোমার শরীর ভালো না, ভেতরে যাও, বাবা।
ছুটির দিনে আমি সামলাতে পারি।
সমস্যা নেই, এটা ব্যায়ামের মতোই।
অতো সহজে মরবো না।
গিয়ে তোর মাকে শান্ত কর।
লাঞ্চও করেনি।
কেন? আবার রেগে আছে?
যা।
তাড়াতাড়ি ভেতরে আসো।
পশুখাদ্য নিয়ে এসেছি, পরে ওদের খাওয়াবো।
তোর কিছু কাপড় কেনা উচিত, আরেকটু মেয়েদের মতো সাজ।
ছেলেরা কখনোই তোর প্রতি আগ্রহী হবে না।
সবসময়ই তো স্কুলের ইউনিফর্ম পরে থাকি।
চিন্তা করতে হবে না,
শুধু প্রমিজ করো আমার বিয়েতে কাঁদবে না।
খাবার আছে যখন খা। কাছে আয়।
মা?
মা!
আমার সোনামণি এসে গেছে, একটা ঝাপ্পি দে।
মা, আবারও খাওনি কেন?
দারুণ জাউ রেঁধেছে বাবা।
শোন, আজকে আমি ব্রেকফাস্ট করিনি,
তাই খিদা লেগে যাওয়ায় ওকে বললাম তাড়াতাড়ি লাঞ্চ খেয়ে নিতে।
তখন তোর বাবা বললো,
সবে ব্রেকফাস্ট করলাম।
বেশ, ইদানীং নাহয় সব ভুলে যাই, তাই বলে খাওয়ার কথা ভুলবো?
আমার সাথে রুগীর মতো আচরণ করে কীভাবে?
হ্যাঁ, আমরা ব্রেকফাস্ট করিনি, বাবা এরকম করে কেন?
বাবা হয়তো ভুলে গেছে।
- তাই না? - হ্যাঁ।
লাঞ্চের সময় আমার ক্ষুধা লেগেছিল।
জানি তো!
ইদানীং তোর বাবা অদ্ভুত আচরণ করে।
সম্ভবত ওর স্মৃতিভ্রংশ হয়েছে।
তোমাকে চমৎকার একটা ডিনার বানিয়ে খাওয়াবো।
- তাড়াতাড়ি খেয়ে নেবো। - হুম।
কী খাবে বলো?
যে-কোনোকিছু।
আমার লক্ষ্মী মেয়ের হাতে বানানো যে-কোনোকিছুই খাবো।
গতকাল একটি আগুনে দগ্ধ বাড়ি থেকে নিজ পরিবারের সাথে মৃত অবস্থায়
প্রখ্যাত প্রজনন বিদ্যা বিশেষজ্ঞ হান মিন-সু'কে উদ্ধার করা হয়।
মৃতদেহে ছুরিকাঘাতের ক্ষত থাকায়, এটাকে খুন হিসেবে বিবেচনা করা হয়,
যার ফলে পুলিশ সক্রিয়ভাবে সন্দেহভাজনকে খুঁজছে।
গবাদিপশুর মূল্যের মুক্ত পতন বজায় থাকায়,
পশুসম্পদ শিল্পে চাঞ্চল্য দেখা দিচ্ছে।
বিস্তারিত জানাচ্ছেন রিপোর্টার সং।
আজকাল গবাদিপশুর খালি চালা হরহামেশাই দেখা যায়।
অনেকদিন হয়ে গেলো কেউ শুনেছে যে...
পশুখাদ্যের দোকানদার কিছু বলেছে?
যেমন? কী বলবে?
আমি বরং আরও কয়েকটা গরু বিক্রি করে দিই।
না, বাবা।
দাম এখন অনেক সস্তা, খুব লস হয়ে যাবে।
অনাহারে রাখার চেয়ে এটা ভালো।
শুনলাম আবারও ট্রাক চালিয়েছিস।
দজ্জাল মেয়ে, আমার বাবা দেখেছে।
অপ্রাপ্তবয়স্কদের ড্রাইভ করা নিষিদ্ধ জানিস না তুই?
একদিন না একদিন জেলে যাবি দেখিস।
কিন্তু পুলিশ তো তোর বাবা,
মেয়ের বেস্টফ্রেন্ডকে এরেস্ট করার সাহস তিনি দেখাবেন না।
সেটা আমি পছন্দ করবো না, নিয়ম মেনে চল।
কাজ আর বাড়ি আলাদা করার কথা উঠলে বাবা অতিব্যস্ত হয়ে যায়।
আমি কখনো এরেস্ট হলে, একা ডুববো না।
তোর বইয়ের টাকা ওড়ানোর কথা জানিয়ে দেবো।
তোর অকাজের জন্য আমি কেন শাস্তি পাবো?
তোর অপরাধের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
খি-ইউং এর সাথে দেখা করতে আমাদের স্লিপওয়াভের ব্যাপারে কতবার মিথ্যে বলেছিস?
আবার ওকে টেনে আনছিস কেন?
৪, ৫ বার মোটেও বলিনি!
দোহ মিউং-হি, তোকেও তো ফেলা যায় না।
ছেলেদের সাথে অপ্রাপ্তবয়স্কদের স্লিপওভারের অনুমতি আছে?
চুপ কর।
দাঁড়া, যে লোকটা আমার বাড়িতে এসেছিল...
পাগল হলি?
তোর বাবাকে শিকল পরা যদি আমার মুখ বন্ধ রাখতে চাস।
ধড়িবাজ শালী... তুই একটা দজ্জাল!
- পাগল করে দিলি! - মারিস না!
তোর টাকা লাগবে বলেছিলি, না?
কেন? তুই দিবি নাকি?
ধুর দজ্জাল!
এটা দেখ।
অবশেষে! তারকার উন্মেষ!
পুরষ্কার $৫০০,০০০
এই টাকা দিয়ে, তোর গরু,
আর তোর মায়ের হসপিটাল বিলের ব্যবস্থা হয়ে যাবে, ঠিক তো?
দেখি তো।
আমার পেশাদারী পরামর্শ হলো,
তোর মুখে একটু ঘষামাজা করতে হবে,
No comments yet. Be the first to leave one.