প্রথম 200টি লাইন।
....Bangla Subtitle By Rakib Mahmud Roktim....
....Bangla Subtitle By Rakib Mahmud Roktim....
....Bangla Subtitle By Rakib Mahmud Roktim....
Join Our Facebook Group ★ Bangla Subtitle
সকাল ৭ টা বাজে।
ম্যাট বুঝতে চাইবে না।
জানো কী বলবে ও?
যে আমরা একেবারে অস্থির?
না, বলবে আমরা বোকার মতো কাজ করছি।
"আবেগের বশীভূত হয়ে কাজ" বললে ভালো শোনায়।
হ্যাঁ, বোকা শব্দটাকেই উকিলরা এভাবে বলে। কফি খাবে?
দেখো একসাথে গোয়েন্দাগিরি খেলতে চাইলে, আমাদের মধ্যে যথেষ্ট পরিমান সততা থাকা উচিত।
কী? আমার কফি তোমার পছন্দ না?
না, জঘন্য লাগে একেবারে।
তোমার চেষ্টার তারিফ করি আমি, কিন্তু যেভাবে কফি বানাও তুমি...
তুমি দেখি আস্ত একটা হারামি!
মানি মাঝেমধ্যে আমি একটু উল্টাপাল্টা বকি, তার মানে এই নয় যে ভুল বলি।
তার কিছু না কিছু তো মানে হয়ই।
ওকে, ধরে নিলাম আমরা ম্যাটকে কিছু জানাব না,
কিন্তু আর কতদিন...
পর্যন্ত আমার চুল বড় করব? ম্যাট, তুমি কী বলো?
- একদম পনিটেল রেখে দিবো? - শিট
- আবারো পড়ে গিয়েছিলে? - ওহ, তেমন কিছু না।
- আমাকে কী বলবে না বলছিলে? - ধুশ শালা!
তুমি শুনে ফেলেছ?
ও একদম বাদুরের মতো।
অন্ধের কথা বলছি না, শ্রবণশক্তির কথা বলছিলাম।
- বাদুরেরা অন্ধ নয়, ফগি। - তাই নাকি?
এটা একটা ভ্রান্ত ধারনা।
তাহলে তো হলোই।
- ক্যারেন - হ্যাঁ?
তোমরা দুজন আমাকে কী জানাতে চাও না?
আমরা ইউনিয়ন অ্যালাইডের উপর তদন্ত করছি।
ভুলেও তোমাকে কখনো সাক্ষী বানানো যাবে না।
- তোমরা সেটা করতে পারবে না। - কেন?
প্রথমত, ওদের কিছুতে নাক গলাবে না এই মর্মে টাকা নিয়ে তুমি লিগ্যাল পেপারে সাইন করেছ।
না, আমি লিগ্যাল পেপারে সাইন করেছি এই মর্মে জনগনের কাছে ওদের কোনো তথ্য ফাঁস করব না।
- সেই কাজের জন্য অন্য কাউকে ব্যবহার করছি। - কোন কাজ?
এই গল্পটা লোকের সামনে তুলে ধরা যে,
ইউনিয়ন অ্যালাইড বা ওরা নিজেদের যেই নামেই চলুক না কেন,
এদের পেছনে যারা আছে তারা এলেনার মতো
মানুষকে এমনভাবে জোর করছে যেন তারা নিজেদের বাড়ি ছেড়ে দেয়,
সেখানে এমন বিল্ডিং বানাবে যেখানে তাদের থাকার সাধ্য নেই।
আর যখন এই লোকেরা জানতে পারবে তোমরা ওদের পেছনে লেগেছ তখন কী হবে বলো শুনি?
- সেটার ব্যবস্থা ইতোমধ্যে করে ফেলেছি। - কিসের ব্যবস্থা করেছ?
যে শয়তানেরা এলেনার বাড়িতে হামলা করেছিল...
গতকাল রাতে এলেনার বাড়ি থেকে ফেরার পথে আমাকে হামলা করেছিল।
তুমি ঠিক আছো তো?
ঠিক আছি।
ফগি আমাকে ফলো করেছিল।
- ওকে ফলো করছিলে কেন? - ওর ব্যবহার কেমন সন্দেহজনক লাগছিল।
- না, আমি সন্দেহজনক কিছু করিনি। - কিছু তো করেছই।
এটার কথাই আমি বলছিলাম, বাহিরে ওদের লোক সর্বত্র ছড়িয়ে আছে।
তোমরা এটা করতে পারবে না। নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে আনছো।
আমি ইতোমধ্যেই ওই বেজন্মাগুলোর আক্রমণের শিকার হয়েছি।
জানো, আমি কোনকিছু পরোয়া করি না,
কোন পেপারে সাইন করেছি বা কত টাকা নিয়েছি এসবে কিছু যায় আসে না।
এই ভয়ে চুপসে থেকে অন্য কারো ক্ষতি চোখের সামনে ঘটতে দিতে পারি না।
যদিও আমি অনেক বেশি... ভীত।
যদি ওর চেহারাটা দেখতে পারতে তাহলে বুঝতে পারতে ও সত্যিই ভীত।
হ্যাঁ, আমি অনুধাবন করতে পারছি।
ঠিক আছে, এর সাথে আর কে জড়িত?
কে তোমাদের সাহায্য করবে এই গল্প মানুষের সামনে তুলে ধরতে, যেটা তোমরা খুঁজে বের করবে বলে আশা করছ?
বুলেটিন সংবাদপত্রের বেন ইউরিখ।
যিনি ইউনিয়ন অ্যালাইডের কেলেঙ্কারির ঘটনা লিখেছিলেন?
ক্যারেন উনার সাথে অনেকদিন ধরেই কাজ করছে, দেখে ভালো মানুষই মনে হলো।
হ্যাঁ, প্রথমে সবাইকেই এমন মনে হয়, পরে ভন্ডামি বের হতে থাকে।
না, তোমাকে আর ফগিকে যেমনটা বিশ্বাস করি, বেনকেও তেমনটা করি।
আমি কোনো বাচ্চা নই, আমি জানি কী করছি আমি...
তাহলে বাচ্চামো কোরো না। তোমাদের দুজনকেই বলছি।
আমি জানি তোমরা এখানে সঠিক কাজটি করার চেষ্টা করছ,
কিন্তু আমাদের এই ব্যাপারে আরো সতর্ক থাকতে হবে।
আমরা মানে?
প্রথম কথা, এভাবে মানুষকে প্রশ্ন করে নিজেদের বিপদ বাড়ানো যাবে না।
আমাদের যদি তা করতেই হয় তাহলে বৈধ নিয়ম মেনে করতে হবে।
ব্যাপারটা যতটা সহজ ভাবছো তা নয়।
আমি চাই না তোমরা হিরোগিরি করো, আমি চাই তোমরা যাতে নিরাপদে থাকো।
আমরা এখানে যে ফার্মটা গড়তে চাচ্ছি সেটাকে রক্ষা করতে চাই।
আমরা যেহেতু আইন জানি, সেটার সদ্ব্যবহার করবো।
রাজি?
এ ছাড়া আর কোনো উপায় আছে?
তেমন একটা নেই।
ঠিক আছে।
তাহলে দ্বিতীয় রুলটা কী?
জানি না, সময় হলে জানিয়ে দিব ।
আমি তোমার ব্যাপারটা বুঝেছি, তোমাকেও আমার ব্যাপারটা বুঝতে হবে।
ও আপনার পদ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
আমি বলেছি এটা জঘন্য আর ফালতু!
আপনি ব্যাপারটাকে এভাবে দেখছেন দেখে দুঃখিত, কিন্তু আমার কথারও যুক্তি আছে।
আপনি গ্যারান্টি দিয়েছিলেন আমাদের।
- সেটা আমি পুরন করেছি। - ব্ল্যাক স্কাই মারা গেছে।
তুমি চেয়েছিলে ডকে এবং ট্রানজিট পাসে
যাতে কোনো পুলিশি ঝামেলা না থাকে।
তুমি কি কোনো পুলিশ দেখেছিলে?
না
অবশ্যই না। কারন আমি নিজের কথা রাখি।
আরেকটা ব্ল্যাক স্কাই খুঁজে পাওয়া অনেক কঠিন হয়ে যাবে।
ওরা খুবই দুর্লভ।
কার্গোর মালামালের গুরুত্ব যদি আগেই জানাতেন আমাকে,
তাহলে হয়তো হারাতে হতো না।
উনি বলছেন আপনাদের পারষ্পারিক সম্পর্কের ব্যাপারে
পুনরায় আলোচনা করতে চান কিনা।
আমি...
আপনাকে যদি হতাশ করে থাকি তাহলে আমি দুঃখিত।
ক্ষমাপ্রার্থনা করছি।
শেষের লাইনটা বুঝেছেন?
হ্যাঁ, হুমকি যে কোনো ভাষাতেই বোঝা যায়।
ওকে কিছু শিক্ষা দেয়া উচিত।
বাদ দাও।
যদি রাশিয়ানরা আপনার সাথে এভাবে কথা বলতো...
ওরা রাশিয়ান না।
না, রাশিয়ানরা তো তাও কোনো কাজ করেছিল।
লিল্যান্ড টাকা সামলায়, গাঁও মালামাল দেয়
আর ভ্ল্যাদ আর আনাতোলি ওগুলো ডিস্ট্রিবিউট করেছে সব ঝামেলার আগ পর্যন্ত।
কিন্তু নবু আর ওর লোকেরা কি করেছে আমাদের জন্য?
এসবে... ওদের বিনিয়োগটা কী?
দরকারী গুন্ডা বাহিনী।
ও যেভাবে আপনার সাথে কথা বলে, ব্যাপারটা আমার পছন্দ না।
বিশেষ করে এই সময়ে, যখন সবকিছুই আমাদের অনুকূলে রয়েছে।
এই সময়টাতেই তোমাকে বেশি সাবধান হতে হবে।
ভলিউমটা একটু কমাবে প্লিজ?
তোর মা মিউজিক পছন্দ করে না।
- আমার ভালো লাগে। - কারন তোর রুচি আছে।
মিউজিক ভালো লাগে আমার, বেশি জোরে শুনতে বিরক্ত লাগে।
শোনা নাই গেলে মিউজিক শুনে কী লাভ?
- তাই না উইলি? - ঠিক!
শান্ত চুপচাপদের বিশ্বাস করবি না,
ওই শয়তানগুলোই সবসময় ঘোট পাকানোর তালে থাকে।
অনেক ছোট করে কেটেছিস।
কী বলেছি তোকে আমি?
স্যরি
স্যরি, কী?
স্যার
সম্মান নিতে হলে, আগে দিতে হবে।
সবসময় মনে রাখবি এটা।
পরেরটা আরো লম্বা করে কাট।
তুই চাস তোর বাবার পোস্টার মাটিতে লুটোপুটি খাক?
- না, স্যার। - তাহলে ঠিকমতো কাট।
দেখতে পাচ্ছিস? এটাই আমাদের টিকিট।
একবার যখন সিটি কাউন্সিলে ঢুকে পড়বি,
সবাই তোর পকেট ভর্তি করে দিবে।
রাস্তার শেষ মাথার মিস্টার ফ্লোরেসকে মনে আছে?
- না - থাকার কথাও না।
জানিস কেন? কারন উনি যখন কাউন্সিলে ঢুকে তুই তখন প্যান্টে হাগু করতি।
বিল!
কিন্তু সে আর এখানে নেই।
ভোটে জেতার একবছরের মধ্যে সে নিজের জন্য একটা বিরাট হাইফাই বাড়ি বানিয়ে ফেলেছিল।
সত্যি?
ঠিক যেমনটা আমরা কিনব।
এই শহর? এটাই সবকিছু।
আমাদের সামনেই পড়ে আছে।
শুধু একটু বুদ্ধি খাঁটিয়ে কাজ হাসিল করতে হবে।
এক চুমুক নিবি?
- অবশ্যই না। - হ্যাঁ?
মুখে বুলি ফোটার আগেই আমার বাপ আমার মুখে মাল ঢেলে দিছিল, নে খা।
আরে খা! মায়ের দিকে তাকাচ্ছিস কেন?
আমি বলছি খা। বড় এক চুমুক নে।
নে খা।
এই তো।
খোদা! কী করছ এসব বিল?
আরে এটাই তো মজা, ও একটা ব্যাটা ছেলে।
ওকে আসল পুরুষ হতে দাও।
- তুমি একটু বেশিই টেনশন করো। - কাউকে না কাউকে তো করতেই হবে।
আমরা এসবের দাম দিব কীভাবে?
ম্যানেজ হয়ে গেছে, ধার করেছি আমি।
ধার করেছ?
- ব্যাংক তোমাকে কী খেয়ে লোন দিল? - না, না, ব্যাংকের গুলি মারি।
রিগোলেটো আমাকে ধার দিয়েছে।
- রিগোলেটো? - সে আবার কে?
কেউ না, ভুলে যা। এটা একটা ইনভেস্ট, মার্লিন।
টাকা কামাতে হলে টাকা ঢালতে হবে।
একবার কাউন্সিলে ঢুকলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
- এসবের কিছুই বুঝতে পারছি না আমি। - সে তো বুঝবেই না তুমি!
ঝুঁকি নিতে হবে।
জীবনে কিছু পেতে হলে, নিজেকে বাজি ধরতে হবে।
তোমার নিজেকে বাজি ধরতে হবে মা।
দেখেছ? এই বাচ্চাও তোমার থেকে চালাক।
হ্যাঁ, সত্যি বলছি।
জীবনের বেশীরভাগ সময় আমি এশিয়াতে কাটিয়েছি।
হ্যাঁ
অবশ্যই করবো।
হয়তো, আমরা...
আমরা হয়তো...
একটু হোল্ড করবে প্লিজ?
দাঁড়াও
দুঃখিত, ফোনটা ধরতেই হবে।
জানি আমি। শুভরাত্রি ভেনেসা।
হ্যাঁ?
একটা ঝামেলা দেখা দিয়েছে।
- নবু? - ডিটেকটিভ ব্লেক, ওর জ্ঞান ফিরেছে।
আমাদের মিডিয়ার লোকজন জানালো আজকের খবরে নাকি এটাই ব্রেকিং নিউজ হবে।
ও এমন কিছু বলতে পেরেছে যেটা আমাদের বিপদের কারন হবে?
না, জ্ঞান ফিরেছে, কিন্তু আঘাত খুব গুরুতর।
শুনলাম এখনো কথা বলতে পারছে না।
কিন্তু যখন বলবে,
আমরা যে ওকে গুলি করেছিলাম বিষয়টা ও ভালোভাবে নেবে না।
হ্যাঁ
তাহলে...
বুঝতেই পারছ কী করতে হবে!
এখানেও একটা ঝামেলা আছে,
No comments yet. Be the first to leave one.