প্রথম 200টি লাইন।
আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ★ Bangla Subtitle
আমি একটু আসছি, ঠিক আছে?
মিসেস ইউরিখ?
আমি ক্যারেন
ক্যারেন পেইজ, জানি না বেন কখনো...
ক্যারেন, হ্যাঁ।
সবসময়ই তোমার কথা বলত।
সত্যিই?
তোমার ব্যাপারে ওর অনেক উঁচু ধারণা ছিল,
যেভাবে তুমি সত্যটা বের না করা পর্যন্ত হাল ছাড়ো না।
ব্যাপারটা ওকে মুগ্ধ করেছিল।
আমরা কখনো সন্তান নেয়ার চিন্তা-ভাবনা করিনি,
ব্যস্ততার কারণে সুযোগই পাইনি।
কিন্তু যদি হতো, আমার ধারণা তাকে ও তোমার মতোই বানাতে চাইত।
মিসেস ইউরিখ, আমি...
আমি মনে করি সব দোষ আমার,
বেন এর এই দুর্দশার...
আমি ওনাকে এমন একটা গল্পের দিকে ঠেলে দিয়েছিলাম, যেটা ও নিতে চায়নি...
বেন ইউরিখ করতে চায় না, এমন কোন কাজ তাকে দিয়ে কখনো করানো যায়নি।
সে ছিল একজন সাংবাদিক।
সেটার জন্যই ও বেঁচেছিল।
আর সেই কাজ করেই সে বিদায় নিয়েছে যেটা সে ভালোবাসত,
যেটা তাকে করতেই হতো।
আমাদের ফেরা উচিত।
দেখা হয়ে ভালো লাগল, ক্যারেন।
আপনার জন্য... কোন কিছু করতে পারি?
- যেকোনো কিছু... - না।
বেন সব ব্যবস্থা করে গিয়েছে।
সেই নদীর পানির কেলেংকারির ঘটনাটার সময় ও একটা পলিসি নিয়ে রেখেছিল।
ও সবসময়ই আমাকে দেখে রাখত।
এখনও রাখছে।
কেমন অনুভব করছ?
একজন আদর্শ ক্যাথলিক বালকের মতোই।
এতটা খারাপ?
সে একজন ভালো মানুষ ছিল।
আর এখন সে নেই।
কারণ এই শহরটাকে নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারিনি আমি।
এটা নিজের উপর টেনে নিও না, ম্যাথিউ।
তোমার যতটুকু করার ছিল তুমি করেছ।
হয়তো একটু বেশিই করেছ।
আর আজ আমরা এখানে।
লোকটা এমন আচরণ করছিল যেন কতকালের বন্ধু,
যেন যা ঘটে গেল তার পেছনে ওর কোন হাত নেই!
আমি তো জানতাম বেন বলেছিল, এলিসন ফিস্কের থেকে টাকা খাচ্ছে,
এর কোন প্রমাণ তার কাছে নেই।
না, কিন্তু সেটা হলেই সব কিছু খাপে খাপে মেলে...
সবচেয়ে খারাপ লেগেছে কোন ব্যাপারটা জানো?
ফগি।
একটু এলোও না।
তুমি বললে মেসেজ দিয়েছিল নাকি?
হ্যাঁ, মেসেজ একটা দিয়েছে,
বলেছে ওর নাকি অন্য কাজ আছে, বেনের শেষকৃত্যের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ!
- ও এরকম কথা বলবে না। - হ্যাঁ, এরকমটাই বুঝিয়েছে।
দোষটা আমারই, ক্যারেন
ফগির সাথে যত ঝামেলা হয়েছে।
না, সম্পর্কে ঝামেলা হলে দোষ দুই পক্ষেরই থাকে।
সম্পর্ক শব্দটার মানেই এরকম।
না, সবসময় না।
বাড়ি গিয়ে একটু বিশ্রাম নিচ্ছ না কেন?
আমি পারব না।
যখনই আমি চোখ বন্ধ করি... মনে হয়,
যদি ফিস্ক জেনে যায়...
যে আমিও বেনের সাথে ছিলাম, সেইন্ট বেনেজেট আশ্রমে!
যদি ও জেনে যায় আমিও ওরা মায়ের সাথে কথা বলেছিলাম?
সেরকম কিছু ঘটলে আমরা সেটা সামলাবো।
কীভাবে?
খবরে বেন এর ঘটানাটার তেমন কোন উল্লেখ্যই ছিল না,
কারণ ফিস্ক মিডিয়ায় টাকা খাইয়েছে।
আর পুলিশও কাউকে গ্রেপ্তার করেনি
কারণ ফিস্ক তাদেরও টাকা দেয়।
ফগি ঠিকই বলেছিল
যার এত ক্ষমতা তাকে কীভাবে তুমি আটকাবে?
যার ক্ষমতা বেশি তার হারানোর ভয়ও বেশি।
- ও জেনে যাবে আমি কী করেছি! - না।
ও জানবে, আর তারপর আমাকে ধরতে আসবে।
যেমনভাবে এসেছিল বেন এর কাছে।
আমি বলেছিলাম তোমাকে সুরক্ষিত রাখব, ক্যারেন,
যখন ইউনিয়ন অ্যালাইড কেলেঙ্কারিতে ও তোমার পেছনে লেগেছিল।
সেই প্রতিজ্ঞা এখনও বিদ্যমান।
যারা যারা ওর থেকে টাকা খেয়েছে,
এই শহরকে ধ্বংস করতে ওকে সাহায্য করেছে,
সবাই নিজের কর্মফল ভোগ করবে,
এমনকি ফিস্কও।
উইলসন?
তোমার এখন বিছানায় থাকা উচিত।
ডেকেছিলাম তোমাকে।
দুঃখিত,
আমি শুনতে পাইনি।
নতুন কিছু?
শুধু ট্রান্সফারের টাকাটা নিয়ে ভাবছিলাম,
ওয়েসলি তোমাকে দেশের বাইরে পাঠানোর বন্দোবস্ত করে রেখেছিল।
- তুমি জানো আমি তোমাকে ছাড়া যাচ্ছি না। - সেটা বলছিও না।
শুধু হিসাবটা দেখছিলাম, আবার ফেরত পাঠিয়ে দিতাম।
সব ঠিক আছে তো?
টাকার অংকে একটু সমস্যা হয়েছে,
দেখি লিল্যান্ডকে একবার দেখতে বলব,
নিশ্চিত হওয়ার জন্য।
সিনেটর চেরি সর্বশেষ জায়গার ঝামেলাটা মিটিয়ে ফেলেছে,
যদিও চাপ দিয়ে আমাদের থেকে আরও ১০% খসিয়ে নিয়েছে।
আনন্দের সংবাদ হচ্ছে, তুমি এখন তোমার জায়গায়
যা খুশি বানাতে পারবে।
সবার টাকা শোধ হয়েছে, কাজ শুরু করার জন্য প্রস্তুত সবাই।
তবে গাও এর হিরোইন ব্যবসার বিকল্প খুঁজে বের করতে হবে,
ওটা ছাড়া,
আমাদের পয়সা খরচ করতে ঝামেলা হয়ে যেতে পারে।
কোন খবর পেয়েছ ওর কী হলো?
মনে হচ্ছে বাতাসে মিলিয়ে গেছে,
এরকমটা আশা করিনি, কিন্তু ও হয়তো আমদের দরকারী বন্ধু না।
হুম, হয়তো না।
এটা কী?
ওয়েসলি মারা যাবার আগের রাতে আমার জন্য ফান্ডের ব্যবস্থা করতে বলেছিলাম,
টাকা-পয়সার লেনদেন তো আমার কাজ!
হ্যাঁ, সে কারণেই এই ব্যাপারটা তোমাকে দেখাতে চাচ্ছি।
আমার অ্যাকাউন্টে কিছুটা গোলমাল দেখা যাচ্ছে।
তা তো থাকবেই, আমি সবসময়ই টাকা আদান-প্রদানের উপরে রাখি।
একটা চক্রাকার খেলা যাতে ট্যাক্সের লোক পিছনে না পড়ে, তেমন কিছু না।
তোমার হাত কাঁপছে।
কারণ এখানে জন্মের ঠান্ডা!
তাহলে তুমি ঘামাচ্ছ কেন, লিল্যান্ড?
ঠিক আছে, ও খোদা!
আমি জানতাম তুমি একদিন জেনেই যাবে।
কিন্তু কিইবা করার ছিল।
ওয়েসলিও জেনে গিয়েছিল, তাই না?
আর ও যখন তোমাকে জিজ্ঞেস করতে আসে,
তুমি ওকে গুলি করো।
আমার কোন ধারণাই নেই ওর কী হয়েছিল, ওতে আমার কোন হাত নেই।
কিন্তু দাতব্য সংস্থার ঘটনাটার পেছনে তুমি ছিলে,
তুমি আর গাও?
ও ভেগেছে, আর তুমি আমার থেকে চুরি করছ!
যেমনটা ভাবছ তেমন কিছু নয়।
তুমি আমাকে খুন করার চেষ্টা করেছিলে!
দাতব্য সংস্থায়, পানীয়তে বিষ
দেয়া হয়েছিল, যাতে দেখে মনে হয় তোমাকে খুন করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
কিন্তু তুমি কখনোই নিশানা ছিলে না।
ভেনেসা?
আমাদের দোষ দিতে পারো?
ওর সাথে ঘোরার পর থেকে কী কী হলো চিন্তা করো।
তুমি অমনোযোগী, অস্থির আর আবেগী হয়ে পড়েছিলে।
আমরা চেয়েছিলাম একটু ঝাড়া দিয়ে তোমাকে লাইনে ফিরিয়ে আনতে।
কিন্তু
স্বাভাবিকভাবেই ঝামেলা হয়ে যায়।
আমরা এখন আলাদা হয়ে যাবো,
আর আমি তোমার অর্ধেক সম্পত্তি নিয়ে যাছি।
তুমি ভাবছ, এতো কিছু করার পরও আমি তোমাকে যেতে দেবো?
ঠিক সেটাই তুমি করবে,
কারণ ডিটেকটিভ হফম্যান আছে আমার হাতে।
হফম্যান ওর সঙ্গীকে হাসপাতালে খুন করার পর শহর ছেড়ে যায়নি।
আমি ওকে তুলে নিয়ে যাই, যাতে প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করতে পারি।
যদি প্রতি ২৪ ঘন্টায় আমি সারা না দেই,
হফম্যানকে এফবিআই এর হাতে তুলে দেয়া হবে।
আর ও সবার কুকর্ম ফাঁস করে দিবে।
হফম্যান,
একটা ভীত সন্ত্রস্ত পতঙ্গ,
আমার বিরুদ্ধে এমন কিছু করার সাহস ও কখনোই পাবে না।
দশ মিলিয়ন ডলার অনেক সাহস যোগাতে পারে।
ওর ধারণা, সাক্ষী হলে সাজা কমে যাবে,
আর বেরিয়ে এসে প্রচুর টাকা পেয়ে যাবে।
আমি জানি ওই টাকা নিতে পারার আগেই তুমি ওকে ধরে ফেলবে,
কিন্তু ততদিনে যা ক্ষতি করার ও করে ফেলবে।
আর এই যা কিছুর জন্য তুমি এতো চেষ্টা করছ, সব ধুলায় লুটোবে।
হ্যাঁ, কিন্তু এতে তো তুমিও ধরা পড়ে যাবে।
আমি তো জীবন পুরাটাই কাটালাম
তোমার মতো শয়তানদের সম্পত্তি এদিক সেদিক করে।
আমি আর আমার ছেলেও সেরকমই একটা লেনদেন হবো,
ট্যাক্স-ফাঁকির ধুম্রজালে উধাও হয়ে যাবো।
কিন্তু আমি সুবিবেচক লোক,
তাই শুধুমাত্র তোমার অর্ধেক টাকাই নিচ্ছি।
তুমি তোমার রাস্তায় যাবে, আমি আমার রাস্তায়।
বলব না যে, দুজনেই জিতছি,
কিন্তু এর চেয়ে ভালো ফলাফল আর আশা করা যায় না।
তো,
আমার প্রস্তাবে রাজী তো?
আমি...
না!
কখনোই রাজী না।
তুই ওকে আঘাত করেছিস!
দাঁড়াও! থামো!
তুই ভেনেসাকে আঘাত করেছিস!
পুরো শহরে অভিযান চালাও।
হফম্যানকে খুঁজে বের করে ওর মাথায় একটা বুলেট ঢুকিয়ে দাও।
কীভাবে জানলে আমি এখানে থাকব?
আগে থেকেই তোমার এই আখড়ার কথা জানতাম,
কিছু বলিনি, ভাবতাম তোমার বাবার স্মৃতিচারণের জন্য আসো।
এখন আসল ব্যপারটা জানি।
ভেবেছিলাম এই সময়ে মানুষ পিটিয়ে বেড়াবে।
গিয়েছিলাম, বেন এর এডিটরের সাথে দেখা করতে।
- এলিসন? - হ্যাঁ
ক্যারেনের ধারণা ও ফিস্কের হয়ে কাজ করছে।
মুখ খুলেছে?
না, কাছেই যেতে পারিনি।
ওর স্ত্রী-ছেলে ওকে অফিস থেকে নিয়ে যায়।
আগামীকাল রাতে আবার চেষ্টা করব।
মনে হচ্ছে বেশ রেগে আছো, খুলে বলবে?
তুমি আমার পাদ্রী নও, ফগি।
বেন এর শেষকৃত্যে আসলে হয়তো তার দেখা পেতে।
ক্যারেন রেগেছে?
ওকে বলেছি দোষটা আমারই,
তোমার আর আমার মধ্যে যে ঝগড়া চলছে।
আমি মাথা নাড়লাম।
তুমি নিশ্চয়ই ধরতে পেরেছ?
No comments yet. Be the first to leave one.