প্রথম 171টি লাইন।
- হেই... - হেই!
না, না, না!
আমার ছেলে সত্যকে আগে রং মাখাও।
যদি সেই সাহস থাকে, তবেই আমার কাছে এসো।
হুম!
হেই, হেই... থাম, থাম, থাম!
থাম!
তোরা নিত্যাকে রং মাখাতে চাস?
আগে আমার ভাইকে রং মাখিয়ে আয়, তারপর আমার কাছে আসিস।
হেই, এসব কী?
আরো অনেকেই আছে..
চল, যাই আমরা!
হেই, হেই... থাম, থাম, থাম!
যদি তোদের সাহস থাকে...
থামুন!
সত্যাকে আগে রং মাখাতে হবে, তাইতো?
হুম!
সত্যা, সত্যা, সত্যা!
- আসলে কে এই সত্যা? - হেই!
সত্যা..যার গায়ে কখনো রংয়ের ছিটেফোঁটাও লাগেনি!
অনুবাদ ও সম্পাদনায়: ⌛ জয়ানন্দ ঘোষ ⏳
ধুর!
হুম?
হু?
দুঃখজনক!
আরে!
- সময়মতো ওষুধ নিস। - আচ্ছা।
- শরীরের দিকে নজর রাখিস। - আচ্ছা, মা।
- ঠিক আছে? পরে দেখা হবে। - আচ্ছা মা।
আজ আসি জামাই।
- বাই, সাবধানে থাকিস। - বাই, মা।
রাজকুমারী, ছেলেকে নিয়ে কোথাও যাচ্ছিস মনে হয়?
আমার ছেলে এমবিবিএস কমপ্লিট করেছে।
ওর ইন্টার্নশিপের জন্য এখন কার্ণুল যাচ্ছি।
টেক্সিওয়ালাকে আবার ফোন কর।
বলেছিলো আশেপাশেই থাকবে।
হ্যালো!
হাই, হ্যালো, ওয়েলকাম, নমস্তে!
আমি আপনাদের হুঁইসেল মহালক্ষী।
গানের আগে আপনাদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ একটা ঘটনা শেয়ার করতে চাই।
আমার বন্ধু যে কি-না সদ্য নতুন ভিলা কিনেছে, বাড়ির জন্য কাষ্ঠফলক অর্ডার করেছে।
সুক্কুপাল্লি প্রসাদ, ১১এ।
যে ওই কাষ্ঠফলক বানিয়েছে, সি নিশ্চয়ই জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিলো...
আপনার নামে দশটা বানিয়েছি, এগারো নম্বরটা কেন বানাবো?
আপনারা এই অনুষ্ঠানের সাথেই থাকুন।
মিরচি ৯৮.৩ শুনুন। গরম গরম খবর, বস!
কী ব্যাপার? আমরা একই রাস্তায় বারবার ঘুরছি কেন?
আশেপাশে একই দোকান বারবার দেখতে পাচ্ছি।
এখানে সব দোকান প্রায় একইরকম, ম্যাডাম।
দোকান দেখতে একইরকম বুঝতে পারলাম...
কিন্তু মানুষজন দেখতে একইরকম হয় কীভাবে?
আপনি রাস্তা না চিনলে, অন্য কাউকে জিজ্ঞেস করে নিন।
সরি, স্যার। দেখছি আমি কী করা যায়।
এই মেয়ে!
এই ঠিকানাটা কোথায় বলতে পারবেন?
আমাকে অনুসরণ করুন।
আচ্ছা।
তার আসলে কী সমস্যা?
মনে হচ্ছে না আজ বাসায় পৌঁছাতে পারবো!
ধন্যবাদ!
নারকেল কত করে?
দুইটা দিন।
হেই! সে আমাদের সাহায্য করবে না।
চলুন, অন্য কাউকে জিজ্ঞেস করে নিবো।
কিন্তু, সে...
- কোনো প্রয়োজন নেই, চলুন আপনি! - আচ্ছা, আচ্ছা।
- আচ্ছা। - অযথা সময় নষ্ট!
আমাকে অনুসরণ করলে, আরো আগে পৌঁছাতে পারতেন।
হু?
তুমি ইচ্ছেমতো বিভিন্ন জায়গায় থামছিলে..
তবুও তুমি চাও আমরা তোমাকে অনুসরণ করতাম?
হ্যালো, হ্যালো! এক মিনিট!
আঙ্কেল ফোন দিয়ে বললো নতুন ভাড়াটিয়া উঠবে, ডাক্তারের পরিবার।
তাদের পূজার জন্য ফুল, ফল, নারকেল কিনে দিতে বলেছিলো।
বিলের রশিদ ভেতরে রেখেছি।
ধন্যবাদ।
নিজে আগে সেটেল হয়ে নাও, এ ব্যাপারে পরে সেটেল করা যাবে।
ওহ!
কী ব্যাপার?
- আমার স্বামী শ্বাস নিতে পারছে না, স্যার। - তাকে ঘুরান।
- ভয় পাচ্ছি, স্যার! - তাকে ঘুরান!
একটা বালিশ দিন।
- স্যার, আমার স্বামীকে বাঁচান প্লিজ। - এই পাশে...
হেই!
চলুন!
স্যার!
- স্যার, ইমার্জেন্সি রুম কোথায়? - তাকে আইসিইউতে নিয়ে যাও।
- রহিম, তাকে নিয়ে যাও। - হ্যাঁ, ডাক্তার! নার্স!
তার দমবন্ধ অবস্থা বেড়েই চলেছে, দ্রুত অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যাবস্থা করুন।
- চিন্তা করো না, তারা সামলে নিবে। - এক মিনিট, স্যার!
সাথে ১ সিসি ইনজেকশন দিয়েন।
হ্যালো!
তারা তাকে সামলাতে পারবে।
তুমি?
আমি ড.সত্যা। ডিউটিতে যোগদান করতে এসেছি।
ডিনের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলাম। আপনি?
ওহ, আচ্ছা!
আমি রবার্ট, এই হাসপাতালের ডিন।
ওহ, স্যার! আপনি-ই ডিন!
এসেই তোমার ডিউটি শুরু করে দিয়েছো!
ওহ, না। সরি, স্যার! আপনার সাথে দেখা না করেই ডিউটিতে যোগ দিয়ে ফেলেছি।
সমস্যা নেই, সত্যা।
ডাক্তারের পেশা মানেই সেবার পেশা।
তুমি ঠিক কাজই করেছো।
চলো, ভেতরে গিয়ে কথা বলি।
হ্যালো, কারনুল!
আমি আপনাদের হুইসেল মহালক্ষী!
সবসময়ের মতো হাসতে হাসতে আপনাদের পেটব্যথা বানানোর জন্য,
আজও আপনাদেরকে একটা ঘটনা বলছি, যা আমার সাথে কাল ঘটেছে।
একজন উদ্ধত মা আর তার নিষ্পাপ ছেলে হাইদ্রাবাদ থেকে কাল কারনুল এসেছে।
তারা একটা ঠিকানা জিজ্ঞেস করেছিলো, আমাকে অনুসরণ করতে বলি তাদের।
পথে কিছু দোকানে থেমে থেমে কিছু জিনিসপত্র কিনেছিলাম।
এতটুকুই!
কিন্তু তারা এটাকে সময় নষ্ট মনে করে অন্য পথ দিয়ে ঘুরে যায়।
অনেক ঘুরাঘুরি করে শেষপর্যন্ত তারা পৌঁছায়।
তাদের জন্য আধা ঘন্টা অপেক্ষা করেছি আমি।
যখন তারা বুঝতে পারলো, জিনিসগুলো তাদের জন্যই কিনেছি...
তাদের চেহারা দেখা উচিৎ ছিলো আপনাদের!
শুনতে থাকুন, পাশেই থাকুন!
এই মেয়ে!
কাল মাত্র ঘটেছে, আর আজই রেডিওতে প্রচার করছে!
অনেক চালাক মেয়ে, তার থেকে সাবধান থাকতে হবে।
হুম!
প্লিজ, তাড়াতাড়ি ডাক্তারে কাছে নিয়ে যান।
বিয়ের ব্যাপারে কথা বলা কি পাপ?
স্যার, প্লিজ কিছু করুন।
- স্যার, কী হয়েছে? - স্যার, আমার একমাত্র মেয়ে...
বিয়ের ব্যাপারে কথা বলায় বিষপান করেছে।
তাকে বাঁচান প্লিজ, স্যার!
তাকে ইমার্জেন্সি রুমে নিয়ে যান।
স্যার, তাকে বাঁচাতে হবে আপনার।
ভয় পাবেন না, আমি দেখছি। ঠিক আছে?
চিন্তা করবেন না!
তাকে নতুন ট্রিটমেন্ট দিতে হবে...
টিউবটা দিন, সিস্টার।
- স্যার! - না, বড়টা দিন!
- স্যার... - উপরের তাকে বড় টিউব আছে।
- স্যার, এতো বড়? - সমস্যা নেই, এতেই কাজ হবে।
হুম।
এটাই ঠিক আছে।
বিষ এতক্ষণে নিশ্চয়ই মস্তিষ্কে পৌঁছে গেছে...
তাড়াতাড়ি বিষ বের করতে হবে।
- নাক দিয়ে এই টিউব ঢুকাতে হবে... - হেই!!
এসব কী? এত্তবড় টিউব!
আহ! ইউটিউব!
নাকের ভেতরে এতবড় টিউব কীভাবে ঢুকাতে পারো তুমি?
কিন্তু তুমি তো বিষ খেয়েছো, তাই এভাবেই চিকিৎসা করতে হবে।
শুয়ে পড়ো!
হেই! তুমি কী করতে চাচ্ছো?
তুমি কি আসল না নকল ডাক্তার?
কোনটা আসল আর কোনটা নকল, বলছি আমি।
স্যার, আমার একমাত্র মেয়ে...
বিয়ের ব্যাপারে কথা বলায় বিষপান করেছে।
বিষপান করলে অচেতন অবস্থায়,
নাকের উপর মাছি উড়লে টের পাবার কথা নয়।
তাকে ইমার্জেন্সি রুমে নিয়ে যান।
তোমার নাটক ভালোমতোই খেয়াল করেছি আমি।
আসলে...
বিয়ের জন্য জোরজবরদস্তি করছিলো, তাই বিষপানের মিথ্যা অভিনয় করেছি।
এতটুকুই!
ওই!
বিয়েতে আগ্রহী নও? না-কি বয়ফ্রেন্ড আছে?
তাতে তোমার কী?
বাবা হিসেবে মেয়েকে বিয়ে দেওয়া তার দায়িত্ব, তাই-না?
আমাদের জন্য তারা কতকিছু বিসর্জন দেয়!
তাদের জন্য আমরা এতটুকুও করতে পারবো না?
তুমি কি ডাক্তার না ঘটক?
আমার পারিবারিক ব্যাপারে তোমাকে ভাবতে হবে না।
রেডিওতে তো ঠিকই অন্যদের পারিবারিক ব্যাপারে কথা বলো...
কিন্তু এখন নিজের বেলায় অন্যদের মুখবন্ধ করতে চাচ্ছো?
হেই, পাঙ্গা নিও না!
No comments yet. Be the first to leave one.