أول 200 سطر.
- এটা থেমে গেল! - কী হয়েছে, ডেভ?
কিছু না। কী অবস্থা তোমাদের?
আমরা রেডি!
- ভয় লাগছে নাতো? - ভয়? সে আবার কী? কোনও ব্যাপার না!
- চলো, কিস্তিমাত করে দেই! - হ্যাঁ!
- চলো, যাওয়া যাক! - ঠিক আছে!
- ওদের চোখ ছানাবড়া হয়ে যাবে! - চলো, এক তুড়িতে ৩০ মিলিয়ন ডলার কামিয়ে আসি!
গুড মর্নিং!
আলোচনা শুরু করার আগে, আমি পরিচয়...
- ডেভিড? - আমি ডাক্তারকে ফোন দিচ্ছি!
হায় ঈশ্বর! ডেভিড!
- ৯১১- এ কল দাও! - ডেভিড!?
নিক? নিকি!?
নিকি!
ওকে!
ভয় পাবেন না! ওকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে চলুন!
উনি ছাড়া বাকি সবাই বাস থেকে নেমে যান!
শব্দ তরঙ্গ!
যদি...
আমরা এটা জানি যে শব্দ তরঙ্গের কারণে তরঙ্গগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব বৃদ্ধি পায়...
এবং, কম্পাঙ্ক থেমে যায়...
যেহেতু, এই তরঙ্গগুলো বেশ পুরু সব উপাদানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়...
তাই, এই তরঙ্গগুলোর মধ্যকার অসঙ্গতি...
যেটার ভিত্তিতে আমরা এই গ্রহের মৌল স্থাপত্যশৈলী...
সম্পর্কে অনুধাবন করতে পারি।
নখে কোন রঙের নেইলপলিশ দিচ্ছ, ক্রিস্টিন?
আচ্ছা, এবার বাহ্যিক একটা উদাহরণ দেওয়া যাক।
মি. আকার এবং ভ্যারোনিকা, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাদের!
মানলাম যে মিসেস লাইমস্টোম কোমল হৃদয়ের অধিকারী একজন মানুষ..
পার্কে হাঁটা, বাচ্চাকে রাতে গল্প বলে ঘুম পাড়ানো, স্বামীকে ভালোবাসা, গল্পগুজব পছন্দ করেন!
কিন্তু, আমি তো গল্পগুজব পারি না! তাই, যেটা পারি সেটাই করব!
এই অসিলোস্কোপ'টার দিকে সবাই একটু তাকান, ঠিক আছে?
এবার দেখুন।
- ড. জশুয়া কিইস? - হয়তো!
- হ্যাঁ অথবা না বলুন, স্যার? - প্রথমটা!
প্লিজ, আমাদের সাথে আসুন, স্যার!
- ভাই, আমাকে এভাবে নিয়ে যাওয়ার কারণটা কী? - আমরা কিছু জানি না, স্যার।
জানেন না মানে?
আপনার সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স আমাদের চেয়েও বড় লেভেলের!
আমার সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্সও আছে?
আমরা শুধু আপনাকে আপনার জেট প্লেনে করে নিয়ে যেতে এসেছি!
আমার জেটও আছে?
হেই, সার্জ!
সার্জ! সার্জ!
ধ্যাত! সময়ের প্রসঙ্গ আসলে তুই তো সবসময়ই লেট লতিফ!
যেতে থাকুন, জেন্টলম্যান।
এখানে করছিটা কী? ওরা তুই না আসা পর্যন্ত আমাকে কিছুই বলবে না বলল!
এখানে অনেক বায়োকেমিস্ট, মিলিটারির লোক আছে! এগুলোকে দুই চোখে দেখতে পারি না!
তুই কবে একটা সুন্দরী মেয়েকে নিয়ে ডিনারে যাবি বলত?
- আমি তো আমার কাজকে বিয়ে করেছি! - আমিও!
সেজন্যই আমার কলিগ এখন আমার বউ! ওকে এখনও বড্ড ভালোবাসি!
- তুই তো সবসময়ই রোমান্টিক মুডে থাকতি! - আমি আমার বউকে ভালোবাসি!
- হ্যাঁ, জানি, আমিও না তোর বউকে ভালোবাসি! - আমিও জানি!
তবে আমি কিন্তু তোর বউকে ভালোবাসি না! বুঝতেই পারছিস কী বলতে চাইছি!
তোর ভালোবাসার ধরনটাই আলাদা!
বউ মানে শুধু ফ্রেঞ্চ ফ্রাই নয়, বউ মানে মাখনও!
মাখন!
- তুই কিন্তু এবার আমাকে রাগিয়ে দিচ্ছিস! - আরে, আরে...
এগুলো মানুষের মৃতদেহ!
মনে হচ্ছে, আমরা ভুল জায়গায় চলে এসেছি!
- হ্যাঁ, আমরা ভুল জায়গায় চলে এসেছি! - না, যদি আপনারা ভুল জায়গায় ভুলেও পা রাখতেন...
এতক্ষণে আপনাদের গুলি করে মেরে ফেলা হতো।
- আপনার অভ্যর্থনা দেখে তো কলজে কেঁপে গেল! - সার্জ!
- সার্জ! - জ্বি, সার্জ! পরিচিত হয়ে ভালো লাগল!
আমারও, থমাস! ড. কিইস!
চিনি উনাকে।
জেন্টলম্যান, এটা তো বুঝতে পারছেন যে এখানকার সবকিছুই বেশ গোপনীয়?
স্থানীয় সময় সকাল ১০.৩০ টায়...
দশ ব্লক ব্যাসার্ধের মধ্যে, ৩২ জন সাধারণ মানুষ...
মারা গেছেন।
উনারা সেভাবে অসুস্থ ছিলেন না! তারা স্রেফ মুখ থুবরে পড়ে যান।
- জীবাণু অস্ত্র? - আমাদের প্রথম অনুমান, "না"
- উনারা সবাই একই সময়ে মারা যান? - যতোটুকু জানি, মূহুর্তের মধ্যে।
"CNN"-এ এক ঘন্টা পর কথা বলব। আমার একটা কারণ দরকার।
মৃতদের লিঙ্গ, বয়স, শারীরিক গঠনে কোনও ভিন্নতা আছে?
তাদের সবার হার্টে পেসমেকার ছিল।
এই এক মিনিটেই আপনারা আপনাদের যোগ্যতা প্রমাণ করলেন।
- হেই, হেই, হেই! - আপনারা কীভাবে অনুমান করলেন বিষয়টা...
- ভিক্টিমকে ভালভাবে পরখ না করেই? - না, আসলে...
সার্জ আর আমার পেশার ভিত্তিতে অনুমান করলাম।
মানে, ও হচ্ছে উচ্চশক্তিসম্পন্ন অস্ত্রের বিশেষজ্ঞ! আমি জিওম্যাগনেটিক্সে!
তাই, আমাদেরকে ডাকা মানে আপনি কোনও ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক পালস অস্ত্রের ব্যাপারে সন্দেহ করছেন!
যদি মৃত্যুর কারণ এটাই হয়, তাহলে নিশ্চয়ই এদের হার্ট...
- ইলেক্ট্রোনিক তরঙ্গের ব্যাপারে সংবেদনশীল! - কিউইডি পেসমেকার?
- মাঝেমধ্যে কিসব যে বলিস! - আমার শুধু এটা জানা দরকার যে...
কোনও অস্ত্রের সাহায্যে এসব মানুষকে হত্যা করা হয়েছে কিনা?
হার্টে শক্তিশালী পালস তৈরীর জন্য আপনার যথেষ্ট পরিমাণে...
মানে... এরকম কোনও অস্ত্রের ব্যাপারে আমার আসলে জানা নেই!
- না! - বেশ, আমাদের কথা এখানেই সমাপ্ত।
কিন্তু, আমাদের কথা শেষ হয়নি, স্যার! আমরা মুদ্রার অপর পিঠের রহস্যটা এখনও জানি না!
- আমি জশুয়ার সাথে একমত! - ধন্যবাদ।
আমাদের উদ্বেগের বিষয় ছিল এটা কোনও যুদ্ধের পয়গাম কিনা...
কিন্তু, যেহেতু ঘটনা যেহেতু এরকম নয় আমরা সবাই খানিকটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারি।
আমার টুপিটা দেখো!
কী হয়েছে, বাবু?
ভয় পেয়ো না, খোকা! এসব মাঝেমধ্যে হয়ই!
চলো, চলো!
জাস্টিন!
আপনাদের কি মরার ইচ্ছা হয়েছে?
পালাও! পালাও!
ড্যাডি!
নেলসন স্কয়ারে আকাশ এখন পরিষ্কার দেখা গেলেও...
ঘন্টাখানেক আগের গল্পটা ছিল সম্পূর্ণই আলাদা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত অনুযায়ী, আচানক পাখিদের উত্তেজিত...
আক্রমণে লন্ডভন্ড অবস্থা হয়ে যায় চারদিকে...
এরকম যে এখানে প্রথমবার হলো, তা কিন্তু মোটেও না!
গত মাসে অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানে সব মিলিয়ে ১৪ বার...
পাখিদের সহিংস আচরণের কথা রিপোর্টে এসেছে।
লন্ডনের ঐতিহাসিক ট্রাফলগার চত্বরে এই অদ্ভুত এবং আতংকজনক ঘটনা...
- অদ্ভুত! - একই সাথে অবাক করা ঘটনাও!
বিস্ময়কর তো বটেই।
- পাখিরা উড়ার সময় দিক ঠিক রাখে কীভাবে? - চোখে দেখে?
- না, না, না, দীর্ঘ দূরত্বে যখন উড়ে তখনকার কথা বলছি। - ম্যাগনেটিক ফিল্ড।
ওদের ছোট্ট ব্রেইনের একটা অংশ পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড ডিটেক্ট করতে পারে।
- হ্যাঁ, ওর কথা ভুল না। - সেটাই।
অ্যাকার! নেটে একটু খোঁজো তো ভালো করে! গত দু'বছর টাইমলাইনকে প্রাধান্য দেবে।
যে কোনও ধরনের উদ্ভট খবরাখবর, এই যেমন ধরো পশুদের হঠাত স্থান ত্যাগ করা...
বিশেষ করে পাখি, তিমি এবং ডলফিনের স্থানান্তর।
অস্বাভাবিক আবহাওয়া, ব্যাখ্যাতীত কোনও প্ল্যান ক্র্যাশের ঘটনা...
- মানে, তোমার মাথায় যা আসে তাই খোঁজো! - বাপরে, খড়ের গাঁদায় সূচ খোঁজার মতো!
চাইলে আমাদের একমাত্র টি-ওয়ান লাইন ব্যাবহার করতে পারো এই তল্লাসির কাজে।
ড্যানি, ব্যাবহারিক ক্লাসের মেধাবী বাচ্চাদের ডাকো...
তাদেরকে নিয়ে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ডের একটা কম্পিউটার মডেল ডিজাইন করো।
- আমরা আসলে কী করতে যাচ্ছি? - পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ডের...
- একটা থ্রিডি কম্পিউটার মডেল আমার চাই! - ওররে, পুরো পৃথিবী গ্রহের?
হ্যাঁ, ভাইজান, পুরো পৃথিবীর কথাই বলছি! অই যে নীল রঙের গোলকটা আরকি!
আকারের ব্যতিক্রমী ঘটনাগুলো জোড়াতালি দিয়ে একটা ফর্মূলায় প্রকাশ করার চেষ্টা করো।
এবং...ক্লাসে যে আঁতেলমার্কা বিচ্ছুগুলো থাকে তাদেরকেও কাজে লাগাও!
জশ, এসব করার কি আদৌ সময় আছে আমাদের?
সময় বের করো, তোমার পিএইচডির ব্যবস্থা করে দেব।
- ব্যবস্থা করে দেবে? - হ্যাঁ, দেব।
যেনতেন বিষয়ে বলিনি, পিএইচডির কথা বলছি আমি!
যেন আমার ধারণা ভুল হয়! যেন আমার ধারণা ভুল হয়!
টিম, মনে হচ্ছে উত্তেজনায় ফেটে পড়ব! উল্টোপাল্টা কিছু করলে আমায় আটকিও।
জ্বি, স্যার।
আমরা এখন পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে ভূমিতে অবতরণের জন্য প্রস্তুত।
ভাল কাজ দেখিয়েছ, মেজর।
কন্ট্রোল এখন আমার হাতে।
চাইলে আমিও হাত লাগাতে পারি।
পারো... কিন্তু, সেটা করবে না।
- আমি কিন্তু কন্ট্রোলিং-এ হাত লাগানোর জন্য প্রস্তুত, বব! - ধরে নিলাম, তুমি প্রস্তুত না, বেক!
যদিও তুমি প্রশিক্ষিত, অনুমোদনও আছে, তবুও এতে করে তুমি কমান্ডার হয়ে যাওনি।
কমান্ডার পাখিকে উড়িয়ে নিয়ে যায়! তুমি মহাশূন্যে আসা সবচেয়ে কম বয়স্ক...
একজন, তোমার উল্টো শুকরিয়া করা উচিৎ এতে!
এনডেভর, হিউস্টন বলছি। আমরা এখন আপনাদের মানচিত্র দেখাচ্ছি।
হিউস্টন, এনডেভর মাটির ৪ লক্ষ ফিট উপর...
- থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। - এনডেভর, ফ্লাইট বলছি।
এবারও কি কমান্ডারকে পটিয়ে ড্রাইভিং এর কন্ট্রোল নিজের কাছে নিতে পারোনি?
না, পারিনি। আশা করি, পরেরবার ঠিকই ভুলিয়ে ভালিয়ে কন্ট্রোল নেব।
এটা কি আদৌ সম্ভব?
এনডেভর, বায়ুমন্ডলে প্রবেশে কোনও বাধা নেই আর।
ঠিক আছে, হিউস্টন।
কোনও নির্দেশনা?
আমি এখন প্লাজমার সারিগুলো দেখতে পাচ্ছি।
- ঠিক আছে, সাড়ে চব্বিশ মার্ক করো। - তো, আর এক মিনিট সময় আছে।
আমি ভাগ্যে বিশ্বাস করি না।
দ্রুত পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে স্পেসশিপ নিয়ে প্রবেশ করুন।।
নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
- ব্যাকআপ চালু করো। - একটু অপেক্ষা করে দেখা যাক...
নেটওয়ার্ক এসেছে।
সবাই চুপ!
আমরা তো পজিশন থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছি।
মনিটরে জ্বালানি আর পজিশন দেখাচ্ছে।
আমি তো সিমুলেটরে এটা ২১৩ বার প্র্যাকটিস করেছি!
- যেখানে থাকার কথা সেখানে নেই আমরা! - তাহলে, আমরা কোথায় আছি?
এনডেভর, পরিস্থিতি সুবিধার না।
তোমরা পজিশন থেকে ১/২ মাইল দূরে আছো।
জ্বি, হিউস্টন! আমরা ব্যাপারটা লক্ষ্য করলাম। এখন কী...
লস অ্যাঞ্জেলস! নতুন পজিশন!
আমরা এখন ১৫০০০ ফুট উপরে।
অবতরণের জন্য হয়তো সর্বোচ্চ দু'মিনিট পাওয়া যাবে।
ঠিক বুঝলাম না! মনিটরের নির্দেশিকাগুলো কি তাহলে ভুল ছিল?
আমরা সোজা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবতরণ করতে যাচ্ছি।
আমরা লস অ্যাঞ্জেলসে ক্র্যাশ করব না!
ওরা ৩০০ নট গতিতে লস অ্যাঞ্জেলসের রাস্তায় অবতরণ করতে যাচ্ছে!
বব, লস অ্যাঞ্জেলসের রাস্তাঘাট চেনো? একটা বুদ্ধি এসেছে মাথায়।
হিউস্টন, এখানকার বিল্ডিংগুলো কিন্তু বিশালাকৃতির!
- কোনও খালি রাস্তার সন্ধান দিতে পারবেন? - ওকে, থ্যাংক ইউ।
কাম অন! কাম অন!
কমান্ডার, এখন রাস্তায় মানুষের ঢল আছে! নামলে আমরা সহ অনেক মানুষ মরবে!
স্যার, একটা বিকল্প রাস্তা পেয়েছি! যদি আপনি ১-৭-৫ কোণ ধরে এগোন...
হিউস্টন লাইনে আছে! শুনতে পাচ্ছেন?
- কম্পিউটার এখনও কো-অর্ডিনেট বিশ্লেষণ করছে! - তাড়াতাড়ি করুন!
হিউস্টন, আমাদের হাতে সময় ফুরিয়ে আসছে।
- স্যার, আমার কাছে বিকল্প রাস্তা আছে। - আচ্ছা, বেক, কোথায় যাব বলো?
হিউস্টন, একটা বিকল্প কো-অর্ডিনেটের সন্ধান পেয়েছি! কনফার্ম করবেন?
- এনডেভর, দ্রুত সেগুলো বলুন। - একটা সম্ভাব্য অবতরণের পথ পেয়েছি..
৩৩-৫৫ উত্তরে, ১-১৮-১০ পশ্চিমে।
- বিল? - আপাতদৃষ্টিতে, সম্ভব মনে হচ্ছে।
এনডেভর, কো-অর্ডিনেট কনফার্ম করা হলো।
ডানে যান, ১-৭-৫ কোণ ধরে আগান, দৃষ্টিসীমায়...
পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে লস অ্যাঞ্জেলস ঘেঁষা নদীটা চোখে পড়বে!
না, অবতরণ সম্ভব হচ্ছে না, হিউস্টন! প্রত্যেক ১০০ গজ পরপর ব্রিজ আছে!
ব্রিজ পেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্পেসশিপের ডানায় আঘাত লাগবেই।
কোণাকুণি না গিয়ে নাক বরাবর এগুতে হবে শুধু!
যদি নাক বরাবর এগোই শুধু তবেই অবতরণ করতে পারব।
তাহলে, তোমার কথাই রইল।
২৯০ ফিট, ৩২০।
- ২৭০ ফিট, ৩-০-৫... - গিয়ার চাপো।
- চাকাগুলো! - চাকা অবতরণের জন্য খুলেছে।
No comments yet. Be the first to leave one.