أول 200 سطر.
.:.:.: Justice League: Gods and Monsters (2015) :.:.:. অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ মোহাম্মদ ইউসুফ
ভূমিকম্পের মাত্রা হচ্ছে ৯.৮!
- আমরা বিলুপ্তির শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছি! - তোমার ডিম সেট করা হয়ে গেছে, লারা!
এখন শুধু এতে আমার জেনেটিক কোড যুক্ত করতে হবে! জাস্ট একটা আঙ্গুলের ছাপ!
যড!
একটা ইনকিউবেটর পড, তাহলে গুজবটা সত্য ছিল!
আমার বিরোধিতা করা তোমার উচিৎ হয়নি, জর-এল!
আমার এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না তুমি কাউন্সিলের সেসব অথর্বদের সাথে জোটবদ্ধ ছিলে!
আমরা একসাথে ক্রিপ্টনকে শাসন করতে পারতাম!
তুমি এই গ্রহটাকে ধ্বংস করে দিয়েছ!
- আমাকে অপর্যাপ্ত তথ্য দেওয়া হয়েছিল। - আমি তোমাকে বলেছিলাম! সবাই বলেছিল তোমাকে!
- চুপ করো! একদম চুপ! - যড, প্লিজ!
যুদ্ধের জন্য একটা অস্ত্রের উদ্ভাবন করেছি আমি!
আমার বাহিনীর সেজন্য প্রচুর এনার্জির প্রয়োজন ছিল! ড্রিলটা আমাদের করতেই হতো!
তোমরা ছিলে অসম্পূর্ণ, অকর্মন্য! আমার ছিল দূরদর্শিতা! একটা লক্ষ্য ছিল!
যদি অন্তরীক্ষে কারো বংশের বিস্তার করতেই হয়...
সেটা হবে আমার!
তোমার সেজন্য গর্ব করা উচিৎ, লারা!
তোমার ডিমে, আমি আমার বীজ পুঁতে দেব!
আমাদের সন্তান হবে ক্রিপ্টনের শেষ উত্তরসূরি!
যাও! মহাবিশ্বে নিজের উপস্থিতি জানান দাও!
- এটাতে কী ছিল? - আমরা এখনো জানি না, মি. লুথোর!
কৃষকেরা বলেছে, এটা তারা খোলা অবস্থাতেই পেয়েছিল!
পুরো জায়গায় তল্লাসি চালাও।
স্টার ল্যাবে শিপটাকে নিয়ে যাও! কোড ব্ল্যাক, সার্জেন্ট!
কেউ যেন কোনো কিছু জানতে না পারে!
তাড়াতাড়ি করো, তাড়াতাড়ি করো!
চলো, এবার যাই!
নক, নক!
- ওরা এখানে কতক্ষণ ছিল? - অনেকক্ষণ!
সুপারম্যান!
সুপারম্যান, তুমি কোথায়?
মি. ট্রেভর, আপনার উপস্থিতি ছাড়া কোনো রেইড কি ভাবা যায়?
কাস্নিয়ান দূতাবাসার ঠিক নিচেই ওদের বাংকারের সন্ধান পেয়েছি।
আমরা সেখানে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিচ্ছু করবে না!
শুনেছ? কিচ্ছু করবে না!
আবারও হতাশ হলাম!
ডেটাগুলো পাঠিয়ে দাও!
যা করার তাড়াতাড়ি করো!
ঈশ্বর!
- দর্শকেরা সবেমাত্র আসলো! - কিন্তু, সিনেমা তো শেষ হয়ে গেছে!
রক্তের সাগরে গোসল করেছ দেখছি! এসবের আসলেই কি কোনো প্রয়োজন ছিল?
ওরা নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল!
তোমার বোঝা উচিৎ যে জায়গাটা দূতাবাসের সম্পত্তি!
টেকনিক্যালি, এটা আইনের লঙ্ঘন!
টেকনিক্যালি, আমরা পুলিশ নই!
আমার সাথে তর্ক করবে না! অই বুড়ো মহিলা (প্রেসিডেন্ট) এটা মোটেও পছন্দ করবে না!
কী বলছ? সে উল্টো আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাবে!
সে তার হারানো ফাইলগুলোর পাশাপাশি এক ডজনেরও বেশি সন্ত্রাসীর সন্ধান পেয়ে গেছে!
যারা আর কোনো ঝামেলা করবে না!
সে তো এটাকে ক্রিস্টমাসের উপহার হিসেবে ধরে নেবে!
প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলিয়ে দাও, আর এই জায়গাটা পরিষ্কার করো!
এই নির্দয় পশুগুলো এলিয়েন যারা আমাদেরকে নজরদারীতে রেখেছে!
কিন্তু, ওদেরকে নজরদারী করছে কে?
বাইবেল অনুযায়ী, "আমিই তোমাদের প্রভু, তোমাদের ঈশ্বর!"
"আমি ছাড়া আর অন্য কোনো ঈশ্বর নেই!"
কেউ শ্বদন্ত কিনবেন? ব্যাটম্যানের সূচাল লম্বা দাঁত! ওয়ান্ডার তরবারি!
এদের কি খেয়ে দেয়ে আর কোনো কাজ নেই?
দূতাবাসের ঘটনায় অন্তত ৫০ জন প্রাণ হারিয়েছে।
তারা শুধুই মৃতই নয়, তাদেরকে কেটে টুকরো টুকরো...
জীবন্ত আগুনে পোড়ানো, পাশাপাশি তাদের রক্ত চুষে খাওয়া হয়েছে! পুরো দৃশ্যটাই ছিল গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো।
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারা সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য।
তোমার তো এতে সন্দেহ থাকার কথাও না!
কিন্তু, আমাদের সন্ত্রাসী সন্ত্রাসী সংগঠনকে কে সামলাবে? কে জবাবদিহি করবে জাস্টিস লীগকে?
এমন নয় যে আমরা তাদেরকে সতর্ক করিনি।
সরকার তাদের সোয়াট টিমের চেয়েও বেশি মর্যাদা দিয়েছে।
যাদের ক্ষমতা সর্বনাশা এবং আমরা জানি তারা সেই ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে কী কী করতে পারে!
খুব শীঘ্রই ওভাল অফিসের সাথে জাস্টিস লীগের মৈত্রির বন্ধন ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে!
- তখন কে সবাইকে শাসন করবে? - তোমরা নও অবশ্যই, সে সুযোগ পাবেও না।
এসব শোনো কেন? ওরা আমাদেরকে ঘৃণা করে।
নিচে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনের কথায় বিভ্রান্ত হয়ো না, বেকা।
তারা সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না!
আমাদের হাত থেকে নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নিতে চাওয়া মানুষের সংখ্যা খুব বেশি নয়।
- ওকে বলো, কার্ক। - দেশে এদের সংখ্যা ২২%, বিদেশে ২৯%।
খুব কমই বিদ্রোহের আলামত পাওয়া গেছে।
কল্পনা করো কোনো আদর্শিক দ্বন্ধ নেই...
নেই কোনো যুদ্ধ, নেই কোনো বিদ্রোহ!
নিচে দাঁড়িয়ে থাকা সব মানুষ একটা লক্ষ্যের দ্বারা একে অপরের সাথে সংযুক্ত।
পুরো দুনিয়া সংগঠিত হবে এক বিন্দুতে।
- আমাদের নিয়ন্ত্রণে? - আমাদের নিয়ন্ত্রণে।
তোমার কথার মধ্যে মিষ্টতা দিনদিন কমে যাচ্ছে!
আমি শুধু একটা সম্ভাবনার কথা বললাম, কিন্তু ওয়াশিংটনের সাথে বোঝাপড়াটা এত সহজ হবে না...
এবং, সেই দিন খুব বেশি দূরে নেই যে আমাদেরকে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছুতেই হবে!
নতুন শাসন ব্যবস্থা শুরু হতে এখনো বেশ দেরি আছে। তোমার অ্যাপয়েন্ট নেওয়া লোক এসেছে।
- কে আসলো এই সময়? - সাইলাস স্টোন।
এই গ্রহের সবচেয়ে মেধাবী মানুষদের মধ্যকার একজন।
ড. স্টোন।
তুমি বেশ দ্রুত উড়ো!
আমি কাজে নামার জন্য মুখিয়ে আছি, যদি আপনি প্রস্তুত থাকেন।
নার্ভাস হবেন না, এটাকে অ্যাডভেঞ্চার হিসেবে ধরে নিন!
- ভিক, আছো? - হ্যাঁ, হ্যাংক! কী অবস্থা?
ঝড় প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত শুরু হতে যাচ্ছে, তোমার শীঘ্রই ফিরে আসা উচিৎ!
ব্র্যান্ডি খেয়ে শরীর তেতে আছে আমার। একটা রিডিং নেওয়া বাকি ছিল।
কিসের শব্দ এটা?
ভেবেছিলাম, তোমাকে হারিয়ে ফেললাম নাকি!?
সিনেটের কমিটির সামনে যখন ওদেরকে দেখানো হবে, তখন যদি সেখানে থাকতে পারতাম!
বিকালেই বক্তৃতা লিখে শেষ করে করেছি।
Molecular miniaturization,
একটা সংকুচিত দুনিয়ার মাস্টারপ্ল্যান!
মনে হয় না তোমাকে খুব বেশি কিছু বলতে হবে, ড. পালমার।
থ্যাংক্স, রায়ান।
- প্লিজ, বার্তা রেখে যান। - তোমার স্বামী বলছি।
বাড়ির পেছনের উঠানে একটা আস্তাবল চেয়েছিলে না?
হয়তো জায়গার সংকুলান হবে। আমাকে ফোন দিও।
প্রত্যেকবার যখন তোকে ফোন দেই, তোর রুম আগের চেয়েও অন্ধকার লাগে!
একটু জায়গাটা সামান্য আলোকিত রাখতে পারিস না, কার্ক?
কলেজে পড়ার সময় হলে তোর রুমে যত্তসব বিতিকিচ্ছিরি পোস্টার দেখতাম!
- ওকে বলো অন্য কাপড়চোপড় পরতে। - কাপড়চোপড়? ওর রুমের জানালাগুলো খুলে দিতে বলো?
- টিনা কথা বলছ নাকি? - আমার প্রিয় বাদুড় বন্ধুর কী অবস্থা?
কিছু কৃত্রিম প্লাজমা (রক্তরস) রান্না করছি!
ইয়াম্মি! থ্যাংক ইউ!
বিয়েশাদির ধারেকাছেও যাস না, কার্ক! টেনশনের চোটে তোকে ওরা আঁচলের তলায় রেখে দেবে!
চিন্তা করিস না। আমি এসব নিয়ে ভাবা অনেক আগেই বন্ধ করে দিয়েছি।
শোন, সাম্প্রতিক টেস্টগুলোতে আশানুরূপ রেজাল্টটা পাচ্ছি না!
যখনই অ্যান্টিজেনের গতি বিপরীত করে দেই, সেলুলারের আবরণ টিকে থাকছে না!
- আশাও করিনি অবশ্য। - আশা ছেড়ে দিস না!
তোর জন্য একটা কার্যকর ওষুধ বানাবোই! অসম্ভবকে সম্ভব করেই ছাড়ব!
ধন্যবাদ, টিন।
- এটা শুধু... - সময় নে।
হুম, তবে আমি সেজন্য তোকে কল করিনি।
নিশ্চয়ই রে পালমারের নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে শুনেছিস।
ওর ট্রাক ভেঙ্গেচুরে একাকার! বেচারা জিন! ও টিনাকে ১০ বার কল দিয়েছিল!
এটা শহরের উত্তর পাশে, উইল। আমার আওতাধীন এলাকা নয়।
জাস্টিস লীগ কবে থেকে আবার এলাকা ভাগাভাগি করে কাজ শুরু করল? কার্ক, আমি রে'র কথা বলছি!
খোঁজ নিয়ে দেখব, কিন্তু এতে করে তো কোনো বন্ধু পাবো না, লোকাল পুলিশের সাহায্যও পাবো না!
তো? মানুষ তো তোকে এমনিতেও পছন্দ করে না!
সেটাও ঠিক।
মাইক্রো বুস্টারের কার্যক্ষমতা আরেকটু বাড়াতে পারলে একটা ট্যাংকও উড়িয়ে দিতে পারবো!
- এখন তো আমাকে বলো? - সবকিছুই বলেছি তোকে।
আরে আব্বু, উনি দেখতে কেমন? কী বলেছিল তোমাকে?
সে বেশ লম্বা ছিল।
ধুত্তোরি, আমি তো জানি উনি দেখতে কেমন! তুমি ভয় পাওনি? উনি তো একটা খুনে এলিয়েন!
একটু কড়া নজরের মাধ্যমেই লেজার মেরে বুম করে দেয়!
সে স্পষ্টভাষী মানুষ। সে বলেছে আমাকে একটা কাজ করে দিতে।
- সেটাই করছি। - সেটা কী?
বলতে পারবো না।
তবে, ওয়ান্ডার ওম্যানকেও দেখেছি!
বলো, বলো! উনি তো বেশি লম্বা না, না?
সে হচ্ছে...
এটা আবার কী?
পালাও!
যাও!
ধ্যাত!
তো, এখানে এফবিআইয়ের লোক আসলো কেন?
মি. স্টোন মিলিটারির হয়ে কাজ করতেন, মিস ল্যান। এটা রুটিন চেক!
সত্য নাকি?
আমি একটু চারপাশটা ঘুরে দেখতে চাই।
তোমাকে বুঝিয়ে নিরস্ত তো করতে পারবো না! এটা ক্রাইম সিন!
আমি কিচ্ছু স্পর্শ করব না!
তোমার বয়ফ্রেন্ডের সাহস আছে বলতে হবে।
ও আমার বয়ফ্রেন্ড নয়। আর হ্যাঁ, ওর সাহস আছে।
ঈশ্বর!
এই হলুদ টেপ পার হয়ে শুধু পুলিশ ঢুকতে পারে, মিস ল্যান!
আমি তো তোমার ব্যাজ দেখতে পাচ্ছি না!
ভালো বলেছ! কিন্তু সেটা কি এই পুলিশ ভাই মানবে?
- বলো। - মৃত বিজ্ঞানীর তালিকায় স্টোন বাদেও আরো অনেকে আছে।
এখানে কতোটা দ্রুত আসতে পারবে?
উনার নাম ভিক্টর ফ্রিস। একজন থার্মাল এক্সপার্ট।
নোবেল এবং কিয়োটো পুরস্কার পাওয়া বিজ্ঞানী।
উনি আর্কটিকে কার্বনের পরিমাণ বিশ্লেষণের জন্য তিন দিন ধরে অবস্থান করছিলেন।
ওরা বরফের একটা গিরিখাতের পাদদেশে তার লাশ খুঁজে পায়।
উনি গিরিখাত থেকে ভূপাতিত হয়ে মারা যাননি।
তার কাঁধের রক্তনালীতে জখম আছে।
ধারণা করা হচ্ছে, বরফের সাথে বাড়ি খেয়ে এই অবস্থা।
- রক্তক্ষরণে মারা গেছে। - হ্যাঁ, কিন্তু কোনো রক্ত পাওয়া যায়নি।
ঘাড়ের কাছাকাছি জায়গায় বরফে জমাট বাধা রক্ত থাকার কথা ছিল...
অন্তত অর্ধেক কোয়ার্ট। সেখানে রক্তের ছিটেফোঁটাও পাওয়া যায়নি।
এটা রে পালমারের ট্রাক।
কয়েকদিন আগে পাহাড়ের নিচে পাওয়া যায় ট্রাকটা।
ট্রাকের উপর অংশটা দু'টুকরো অবস্থায় ছিল।
কিন্তু, চমক আসলে এটা নয়।
একটা পায়ের ছাপ, মনে হচ্ছে কেউ ট্রাকটাকে লাথি দিয়েছিল।
ছাপটা ক্ষুদ্র, হিলের সাথে মিলে যায়।
- একজন মহিলা? - সেটাই মনে হচ্ছে।
পুলিশ এখনো পালমারের লাশ খুঁজে পায়নি।
তবে, উনাকে জীবিত দেখার আশাও সবাই ছেড়ে দিয়েছে।
আর, এই জায়গাটা থেকেই মাত্র আসলে। স্টোনের ল্যাব।
স্ক্যানার দিয়ে কয়েকবার ফিল্টার করেছি।
এখানে উত্তপ্ত একটা রেখা দেখা যাচ্ছে যেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত।
মনে হচ্ছে, কেউ লেজার দিয়ে স্টোনের ল্যাবের এই অবস্থা করেছে।
- অথবা, হিট ভিশন। - হুম, ভাবলাম এটা বুঝি তোমার কাজ।
আমাদেরকে ফাঁসানো হয়েছে। কেউ জাস্টিস লীগকে ফাঁসাতে চাচ্ছে।
কার এত সাহস?
পুলিশের পক্ষে দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে ফেলার জন্য বেশি সময় লাগবে না।
হয়তো, এতক্ষণে তারা মিলিয়েও ফেলেছে।
তাদের মধ্যে কেউ যে এটা প্রেসের কাছে লিক করে দেবে না তারও কোনো গ্যারান্টি নেই।
এই বিজ্ঞানীদের মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে?
তারা একবার নয়তো বেশ কয়েকবার একই সাথে কাজ করেছে।
সরকারের বিভিন্ন প্রজেক্ট, যেগুলো সাধারণত গোপন হয়ে থাকে।
স্টোন গোথাম ইউনিভার্সিটির একজন গেস্ট প্রফেসর ছিলেন।
তার ফাইলগুলো চেক করে দেখতে হবে আমাকে।
ট্রেভরের সাথে তোমার এখনো বন্ধুত্ব আছে? সে আমাদের কাজে আসতে পারে।
- মাঝেমধ্যে কথাবার্তা হয়। - যোগাযোগ করো ওর সাথে।
কী বলছি আশা করি বুঝতে পারছো।
আমাদের সবকিছু থেকে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে হবে। এর মধ্যে মিডিয়াও আছে।
কেউ আমাদের সাথে ঝামেলা করতে চাচ্ছে এবং এর জন্য তাদেরকে পস্তাতে হবে!
"ফেয়ার প্লে"
ফ্রিস, পালমার, স্টোন...
ম্যাগনাস।
লুথোরের সন্তানেরা!
No comments yet. Be the first to leave one.