أول 200 سطر.
অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
পুলিশ তাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে। মনে হচ্ছে, কোন কিছু তাকে কামড়েছে।
হতে পারে কোন জানোয়ারের কাজ।
খোদা! তার তো পানি ভাঙছে!
প্রচন্ড ব্যাথায় পুরো শরীর কুঁকড়ে আছে!
উনাকে সিজারিয়ান সেকশনে নিয়ে চলো!
ওখানে কী লুকিয়ে রেখেছ, সোনা?
শরীর গরম রাখে এটা!
তাই নাকি?
তো, আমরা কোথায় যাচ্ছি?
তোমার জন্য সারপ্রাইজ আছে, জান!
হুম্ম, সারপ্রাইজ পেতে ভালোই লাগে আমার!
হ্যাঁ!
হে ঈশ্বর!
এখানে আমরা কী করবো?
ওয়াও! দেখো ওদেরকে!
ওটা আবার কী?
হেই!
কী বললে?
জোশ!
এই! কী অবস্থা?
ঠিক আছে!
কী হচ্ছে?
বাল!
হুর, মাল না খেলে আর চলছে না!
না! না!
কোনো সমস্যা, সোনা?
না! না!
আহ! না!
ওই লোকটা নাকি?
সেই তো!
ও ব্লেড। ডে ওয়াকার!
আয় শালা, ডে ওয়াকার!
তোর শরীর থেকে মাথাটা আলাদা করে ফেলবো!
হ্যাঁ, ওই তো! এই সেই লোক! ধর ওকে!
ওকে মেরে ভর্তা বানিয়ে ফেল!
এবার বুঝবি কত ধানে কত চাল! কঠিন যন্ত্রনা দিয়ে মারবি ওকে!
কুইন...
কাটাকুটি করে তেমন মজা পাচ্ছি না।
হয়তো আগুনে পুড়িয়ে কাবাব বানালে ভালো হবে।
ফ্রস্টকে আমার সালাম জানাস।
না! এরকমটা করিস না!
উনাকে বের করো!
জি, স্যার! ডাক্তার!
আগুনে পুড়ে কাবাব হয়ে গেছে! তারপরও দম আছে!
১, ২, ৩
খোদা, মাংস পোড়া গন্ধ!
উদ্ধারকারীরা বলছিল, সে নাকি তখনও চিৎকার করছিল যখন তাকে দেয়ালে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।
শুনতে মন্দ লাগছে না।
উনার পালস মেপেছ?
রক্তে সুগারের পরিমাণ ৩ গুণ বেশী।
চার্টে ফসফরাস আর ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণও উল্লেখ আছে।
পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এসবই জানতে পেরেছ?
হুম।
কোন যুক্তিতেই মেলানো যাচ্ছে না।
রক্ত কণিকাগুলো বেশ স্ফীত...
যা কোনভাবেই সম্ভব না।
পলিস গুলো দেখো। জোড়ায় জোড়ায় আছে।
ওকে কার্টিস, ভোর ৩ টা বাজে এখন...
এটা মজা করার সময় না...
মর্গে বডিটা ওভাবেই আছে এখনো!
ভেবেছিলাম, আমাকে কিছুটা ছাড় দেবে।
আমি শুধু চাচ্ছি গিয়ে তাকে একবার দেখো শুধু।
ওকে, দেখা যাক বডিটা।
আর, আমাদের বিষয়টা নিয়ে দ্বিতীয় কোনো কথা যেন না শুনি।
আচ্ছা, ওসব তো কবেই চুকেবুকে গেছে!
এখনো ভেতরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো আস্ত রেখেছ?
কেবল রক্তের নমুনা নিয়েছি।
টিস্যুগুলো কেমন মনে হচ্ছে পুনর্গঠিত হয়েছে!
দাঁতের চারপাশের মাড়ির গঠনও কেমন অদ্ভুত।
দেখি, বুকের খাঁচা থেকে কিছু পাওয়া যায় কিনা।
একটা কথা জিজ্ঞেস করি?
সত্যি করে বলবে...
আমাদের সম্পর্কের ব্যাপারে পুনরায় কিছু ভেবেছিলে কখনো?
মাঝেমধ্যে।
তারপরই মনে পড়ে যায়, তুমি কেমন বানচোত প্রকৃতির ছিলে।
কাজে মন দেই আমরা?
আমাকে ছাড় দিতে বলেছ, কথামতো ছাড় দিয়েছি।
দেখো, কার্টিস...
আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি।
আর চেষ্টা করে লাভ নেই।
সিকিউরিটিকে কল করো!
তোকে জন্মের মতো শেষ করে দিতে এসেছি!
আমাকে বিরক্ত করবি না, কুত্তার বাচ্চা!
ওই মাদারচোতেরা, মাথা ঠিকঠাক আছে তোদের?
অই, তুই! থাম বলছি!
থাম!
ওখানেই থাক!
আমার কাঁধের হাড়!
সরে গেছে খানিকটা!
হুইস্টলার!
হুইস্টলার!
আবারও আরেকটা ঝামেলা এনেছ?
ওকে কামড়ানো হয়েছে।
মেরে ফেলা উচিত ছিল।
হ্যাঁ, জানি।
কিন্তু, মারিনি।
ওকে দেখতে থাকো।
যদি ভ্যাম্পায়ারে রূপান্তরিত হওয়া শুরু করবে, সাথে সাথে মেরে ফেলবে।
নয়তো, আমি মেরে ফেলব।
জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে।
ঘন্টাখানেক পরেই ভ্যাম্পায়ারে রূপান্তরিত হওয়া শুরু করবে সে।
ড. ক্যারেন জেনসন।
মনোযোগ দিয়ে শুনুন।
আপনাকে অ্যালিউম সাটিভাম ইঞ্জেক্ট করছি।
রসুন।
বড্ড ব্যাথা করবে।
কুইনের কাজ এটা।
ফ্রস্টের বার্তা বাহক ছেলেটা না?
কোথায় পালিয়েছে খোঁজ জানো কোনো?
না।
খাসা কাজ করেছ।
ধরো ওকে।
যা দেয়ার দিয়েছি।
রাত পর্যন্ত টিকে থাকতে পারলে...
ব্লেড...
ডে ওয়াকার...
এখনো ওর মরণ যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে?
কতজন মারা গেছে?
সঠিক সংখ্যাটা এখনো জানা যায়নি।
এবারে সে প্রচুর সিলভার ব্যবহার করেছে।
ঝামেলায় ফেঁসে আছি আমরা।
ফ্রস্টকে ডাকো।
ডেকন ফ্রস্ট।
এখন আসতে পারো।
তুমি ভ্যাম্পায়ার সমাজের জন্য একটা কলংক ছাড়া আর কিছুই নও, ফ্রস্ট!
যদি আমরা পরম্পরা অনুযায়ী কাজ না করি...
যদি আমরা জোট বাঁধি...
মনুষ্য রাজনীতিবিদেরা আমাদের বেঁচে থাকাই মুশকিল করে দেবে!
তুমি এসব বুঝবে না, ফ্রস্ট।
যদি বিশুদ্ধ রক্তের কেউ হতে!
ব্লেডকে নিয়ে কম ঝামেলা পোহাচ্ছি আমরা?
তোমার এই নাইট ক্লাবগুলো বেশ ঝুকিপূর্ন।
তাই বুঝি?
ওগুলো প্রয়োজনের চেয়ে একটু বেশীই দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সবার।
আমাদের নীতি সম্পর্কে জানো তুমি।
আপনাদের নীতি, আমার না।
আমাদের জীবিকা...
পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়া আর...
সতর্কতার নির্ভর করে।
এবার এসবের নিকুচি করার সময় এসেছে।
আমাদের উচিত মানুষদেরকে শাসন করা...
ইঁদুরের মতো তাদের হাত থেকে পালিয়ে বেড়ানো নয়।
ধুর ছাই, এই মানুষগুলো আমাদের খাদ্যের উৎস।
তাদেরকে ভয় পেয়ে লাভ নেই।
তুমি সীমা অতিক্রম করেছ, ফ্রস্ট।
তাই?
নাকি আমিই একমাত্র ব্যক্তি যে সবার মনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কথাটা বলে ফেলেছি?
আমরা এভাবেই নিজেদের অস্তিত্ব হাজার বছর ধরে টিকিয়ে রেখেছি।
আমাদের তরিকাকে চ্যালেঞ্জ করার তুমি কে?
তুমি তো বিশুদ্ধ রক্তের কেউ নয়।
তাতে এমন কী আসে যায়?
আমি এই কক্ষে অবস্থান করা সবার মতোই জন্মগতভাবে একজন ভ্যাম্পায়ার।
কিন্তু ফ্রস্ট তুমি...
তেমনটা নও।
দুনিয়াটা আমাদের...
মানুষদের নয়।
সেটা আপনিও জানেন।
কেউ আর কিছু বলবেন?
আচ্ছা...
আমাদের অফশোর একাউন্টস গুলো নিয়ে কিছু ইস্যু ছিল।
অর্থ গুলো ঠিকমতো স্থানান্তর...
গিতানো!
একদিন নিজেকে বেশ বিব্রতকর অবস্থায় আবিষ্কার করবেন।
এক সপ্তাহ আগেই চলে এসেছ।
হ্যাঁ।
হুইস্টলারের মত অনুযায়ী, সিরামটা কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে।
হ্যাঁ, এমনটা হবে জানতাম।
নিজের খেয়াল রেখো।
আগের মতো মাথা ঠান্ডা রাখতে পারি না।
মেয়েটাকে এখানে এনে ভুল করেছ।
গাধামি করেছ।
ভাগ্য ভালো ছিল যদিও।
তার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করেছি।
সে একজন হ্যামাটোলজিস্ট।
আমাদের কাজে আসতে পারে হয়তো।
আমার সন্দেহ আছে।
আমি সিরিয়াস।
ওর নোটবুকে এক নজর চোখ বুলিয়েছিলাম।
কিছু একটা নিয়ে বেশ ব্যাস্ত সে।
ডোজ বাড়ানো ছাড়া উপায় ছিল না।
৫০ মিলিগ্রাম বেশি এখন।
দিনদিন অবস্থা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।
চুপচাপ ইঞ্জেক্ট করো।
বুড়ো।
আরশোলার মতো পালাতে চাচ্ছো, ডক্টর?
তোমরা কারা?
আমার নাম আব্রাহাম হুইস্টলার।
ব্লেডের সাথে তোমার আগেই পরিচয় হয়েছে।
এখানে তাহলে আমি একজন কয়েদি?
একদমই না।
তোমাকে ছেড়ে দেওয়ার আগে আমাদের শুধু কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিষয়টা বুঝতে হবে তোমাকে।
তারা সবখানেই ছড়িয়ে আছে।
ভ্যাম্পায়ারের দল...
জীবন্ত অভিশাপ।
ওদেরকে শিকার করি।
তাদের অবস্থানের উপর নির্ভর করে এক শহর থেকে আরেক শহরে প্রতিনিয়ত ছুটে চলি আমরা।
ওদেরকে মারাটা বেশ্য কঠিন।
যে কোনো আঘাত তারা মুহূর্তেই সামলে নেয়।
No comments yet. Be the first to leave one.