أول 200 سطر.
অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
আরে, শুনো বড় মা! দিজদাস, কুমুদ, পদ্মা, ধর্মাদাস কোথায় গেলে সব?
আরে, শুনো শুনো! দেবদাসের চিঠি এসেছে! দেবদাস ফিরে আসছে লন্ডন থেকে!
সত্যি ভাবি? খুশির খবর, খুশির খবর!
- শুনো, দিজদাস! দেবদাস আসছে! - আমি বিশ্বাস করি না! মা, উনি মিথ্যা বলছে!
আরে, নারে বাবা! দেখ আমার হাতে কার চিঠি?
প্রথমে চিঠিটা তো দেখাও!
শুভঙ্কর, আজ আমি অনেক খুশি! আমার দেব আসছে!
যাও, তোমার ভাইকে সুসংবাদটা জানাও!
বড় মা...বড় মা...আমার তুফান আসছে! তুফান!
ধন্যবাদ মা দুর্গা!
- অভিনন্দন, ছোট মালিক! - দেখো দেখো, কত বছর পর আমার দেবদাস ফিরছে!
ওয়াদা করছি, ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে আমিই ওকে আনতে যাবো! শুধু আমি!
হ্যাঁ, তুমিই যাও। কিন্তু, যাবার আগে সব ঘড়িতে চাবি দিয়ে যাও! আজ কত বছর পর, আমার ছেলে ফিরে আসছে!
ঘড়িতে চাবি দিলেই তো সময় দ্রুত চলবে না, আর আপনার ছেলেও দ্রুত ঘরে ফিরে আসবে না।
আমি জানি, কুমুদ! কিন্তু, দেখো আমার বুকে ঢাক বাজছে!
বুঝতে পারছি না, কখন দিনের শেষ হবে? কখন রাত হবে?
এই কুশলা দিদি, দেখো!
তোমার জন্য সন্দেশ নিয়ে এসেছি!
- আরে, সুমিত্রা! ঠিক সময়ে এসেছ! - সুমিত্রা কাকি তো প্রত্যেকবার ঠিকসময়েই আসে...
সুযোগ পেলেই! আপনার সন্দেশ তো পুরো গ্রামজুড়ে বিখ্যাত!
- শুনলে দিদি? - আরে ওকে, বলতে দে। কে আসছে জানিস?
আমি জানি! সারপ্রালি গ্রামের চট্টোপাধ্যায় বাবু!?
আরে, ধুর পাগলি! তুই বিশ্বাসই করতে পারবি না, আমার তুফান আসছে! আমার দেবদাস আসছে!
- সত্যি দিদি? - হ্যাঁ, হ্যাঁ, সত্যি!
ধন্যবাদ মা দুর্গাকে!
- অভিনন্দন, দিদি! - ১০ টা বছর পর আমি আমার ছেলের মুখ দেখব!
কেমন দেখতে হবে ও? ওর গলার আওয়াজ কেমন হবে? এসে কী বলবে আমাকে?
এই রাত কখন শেষ হবে, সুমিত্রা? এই রাত কখন শেষ হবে?
জানো, আমার চোখের পলক ফেলতে ইচ্ছে করছে না! পলক ফেললেই দেখি যদি ও চলে এসেছে?
আরে, দিদি! ওতো আমার কাছে এখনও সেই শিশু দেবদাসের মতো! আমাদের বাড়িতে আসতো...
আর, দরজায় ধাক্কা দিয়ে বলতো, "কাকি মা, পারু কই?"
দেখো, কাকি মায়ের আহ্লাদিপনাও শুরু হয়ে গেল!
আর জানো, সুমিত্রা? যখন দেব কোনো কারণে রাগ করে বাইরে যেত, আমি পারুকে ওকে খুঁজতে পাঠাতাম!
- আর, ওদের দুজনকে সবসময় বাগানে পাওয়া যেত! - আর, ধর্মাদাস ওকে কান টেনে...
- নিয়ে আসতো! কত দুষ্টু ছিল ! - আর, তোমার মনে আছে দিদি? যেদিন...
তুমি দেবদাসকে বিদেশে পড়ার জন্য পাঠালে, তখন ওর ঘোড়ার গাড়ির পেছনে পেছনে পারু কেমন পাগলের মতো দৌড়াচ্ছিল!
আরে, ও দেব?
পাথুরে জমিনে দৌড়ে ওর পায়ের পাতা ছিলে গিয়েছিল, তাও ও চিৎকার করে দৌড়াতে দৌড়াতে বলছিল, "আমিও দেবের সাথে যাবো!"
- আমিও বিদেশে যাবো! - পাগল হয়ে গিয়েছিস তুই?
বিদেশে কোথায় পাঠাতাম ওকে? আমার পাগলি মেয়েটা!
ও দেবের ৩ রুপি ফেরত দিতে চেয়েছিল!
আমাকে ছেড়ে দাও, মা! ওর ৩ রুপি আমাকে ফেরত দিতে হবে!
প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখলে নাকি প্রিয়জন তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরে আসে!
এটা জেনে ও ১০ টা বছর দেবের জন্য ঘরে প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছে!
একবারের জন্যও প্রদীপ নিভতে দেয়নি, দিদি! ওকে খবরটা দিয়ে আসি! ও অনেক খুশি হবে!
- ও অনেক খুশি হবে! - হ্যাঁ, হ্যাঁ, সুমিত্রা যাও!
ছেলে আপনার আসছে, আর আপনার চেয়েও বেশি খুশি উনাকে মনে হচ্ছে!
কেন হবে না? ও আমাদের প্রতিবেশী। আর, পারু ও দেবদাস ছোটবেলা থেকেই একে অপরের বন্ধু!
এখন কি ওরা আগের মতো ছোট আছে, ছোট মা?
এখন তো ওরা বড় হয়ে গেছে! কাকি মায়ের সন্দেশ!
পারু!
- আরে, কাকি মা? কী হলো? কী হয়েছে? - পারু কোথায়?
কোথায় আবার? নিশ্চয়ই উপরে ওর ঘরে প্রদীপের সাথে কথা বলছে!
প্রদীপ না, দিদি! দেবদাস!
- হায় দুর্গা! - আরে, হয়েছেটা কী?
আজ ওকে এমন খুশির খবর দেব, শুনলে একদম পাগল হয়ে যাবে!
আরে, আরে কাকি মা? কী খবর?
পারু, দেবদাস আসছে!
- সত্যি? - সত্যি! দেবদাস আসছে!
ওরা ওকে ঘরে তোলার জন্য এন্তেজাম করছে! কুশলা দিদি তো বলতে গেলে পাগলই হয়ে গেছে!
আর, পুরো মহলটা খুব সুন্দর করে সাজিয়েছে...
আরে, এটা কী পাগলি? তুই কাঁদছিস?
দেব আগে ঘরে ফিরুক, তারপরে যুত খুশি কাঁদ!?
না, মা! দুনিয়ার কোন শক্তি এই দেবের আলো নেভাতে পারবে না!
ওরে বাবা! একটু আমরাও দেখি! না নিভে যাবে কোথায়?
আরে, ঘোড়ার গাড়ি চলে এসেছে! কুশলা, তাড়াতাড়ি করো!
- দেবদাস চলে এসেছে! - আসছি!
আসছি তো রে বাবা! প্রদীপে আলো জ্বালাচ্ছিলাম! বড় মাকে বলো দেব চলে এসেছে!
এত সময় নিয়ে নিলে, দেবদাস বিরক্ত হয়ে যাবে!
আরে, ও বিরক্ত হওয়ার সুযোগই পাবে না! ওকে মঙ্গল প্রদীপ দিয়ে আজ বরণ করে নেবো!
আচ্ছা, সবাই থামো! আজ দেবদাসকে সবার আগে আমি দেখব! তোমরা সবাই চোখ বন্ধ করে ফেলো!
- করো না আমার জন্য? - ঠিক আছে?
ছোট মালিক! বিশ্বাসই করতে পারছি না যে ১০ বছরের মধ্যে ও এত বদলে যেতে পারে!
দেব আমার কাঁধে বসে খেলতো, আর এখন কত বড় হয়ে গেছে ও!
ওকে একবার দেখলে পলক ফেরানোটা মুশকিল হয়ে যায়!
আরে, আমাকে তো এটা বলো, আমার দেব কোথায়?
মাঝরাস্তায় নেমে বলল, "আগে আমার পারুকে দেখে আসি!"
আরে, চলে আসবে! এখনই!
ছোট মা, আপনি তো বলছিলেন সবার আগে দেবদাসকে আপনি দেখবেন?
কিন্তু, এখন তো পারুর নজর লেগে গেছে ওর উপর।
ছোট মা, এগুলো দিয়ে কী করব?
পারু!
মনে হচ্ছে, দেবদাস চলে এসেছে!
দেবদাস!
কেমন আছো তুমি? ভালো তো! আসো, আসো!
বেঁচে থাকো, বাবা!
তোমাকে তো দেখতে একদম ইংরেজদের মতো লাগছে! আমরা তো তোমাকে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি!
- কুশলা দিদি তো তোমাকে দেখার জন্য মরে যাচ্ছে! - পারু কোথায়?
আরে, এখানেই তো ছিল একটু আগে!
একটু আগেও বলছিল, দেব আসার পরে এটা করব, ওটা করব!
ওকে মারবো, নখ দিয়ে আঁচড়ে দেবো! আর, এখন তুমি এসেছ আর ও লুকিয়ে পড়েছে!
এই পারু!
- আমি উপরে যেতে পারি? - হ্যাঁ, হ্যাঁ বাবা! যাও! তুমিই গিয়ে দেখা করে আসো!
কেমন আছো, পারু?
অনেকদিন দেখা হয়নি আমাদের। মুখ ফিরিয়ে একটু দেখবে না আমার চেহারা?
দিন? তোমার জন্য দিন হবে। আমার জন্য...
১০ বছর, ৬ মাস, ৪ দিন, ৬ ঘন্টা।
- আমাকে কখনো তোমার মনে পড়েনি? - হ্যাঁ, পড়েছে।
মিথ্যে! ১০ বছরে মাত্র ৫ টা চিঠি দিয়েছ! বছরে ঋতুও তো চারটা হয়!
- কমপক্ষে, প্রত্যেক ঋতুতে একটা করে চিঠি লিখতে? - বেশ বুদ্ধিমানের মতো কথাবার্তা বলছ! অনেক বড় হয়ে গেছ তুমি!
তাই বুঝি?
সাগরের সাথে মোলাকাত করার জন্য নদীও তো সামনে বইতেই থাকে!
তাহলে, তোমার চেহারা দেখাবার জন্য এত সময় নিচ্ছো কেন?
আজ এতোটা বছর পর আসলে, ভয় লাগছে আমাকে দেখে না আবার তুমি জ্ঞান হারাও!
- এত ভয় তো চাঁদেরও নেই! - কিন্তু, চাঁদেরও তো কলংক আছে!
তো, ঠিক আছে। আকাশে চাঁদ উঠার পরই দেখবো নে তোমার চেহারা!
দেখি, কার রূপ দেখে জ্ঞান হারাই! চাঁদের আলো দেখে নাকি তোমাকে দেখে?
পারু, তোমাকে অন্য কেউ স্পর্শ করবে সেটা আমার ভালো লাগবে না।
- বৌদি, দেখো দেবদাস চলে এসেছে! - আসতে দাও ওকে!
আমি ওর সাথে কথা বলতে চাই না!
ওকে এখান থেকে চলে যেতে বলো
- আমি বললাম না, আমি ওর সাথে কথা... - মা!
যাও, আমি তোমার চেহারা দেখতে চাই না!
কেন? আমার চেহারা এতই খারাপ হয়ে গেছে যে...
পারুও দেখতে চায় না, আবার তুমিও না?
১০ বছর ধরে তোর জন্য অপেক্ষা করেছি আমি, আর প্রতিবেশী করেছে তোকে বরণ!
তুই তোর পারুর কাছে চলে যা!
- চোখ খুলবে না? - না, খুলবো না।
আমার চেহারাও দেখবে না?
- তো, ঠিক আছে। চলে যাচ্ছি আমি এখান থেকে? - কিন্তু, দেব? কোথায়?
- কোথায় যাচ্ছো, দেব - দেব, থামো!
আপনারা ওকে যেতে দিলেন কেন? আমি তো মজা করছিলাম!
আমিও মজা করছিলাম!
দেব!
আমার গুণধর পুত্র উকিল হয়ে ফিরেছে, অথচ স্বভাবটা এখনও বদলায়নি?
- বাবা? - বাবা, উনি সকালেই চেম্বারে চলে গেছে!
- কোনো দরকার পড়লে... - আচ্ছা, আচ্ছা!
রোজ রোজ অভিযোগ আসে!
আজ দেব আর পারু পাঠশালায় আসেনি! আজ দেব ধূমপান করেছে!
রাতদিন পারুর সাথে গ্রামজুড়ে ঘুরে বেড়াও!
আর এক সেকেন্ডও এই বাড়িতে তুমি থাকবে না!
বেরিয়ে যাও!
যখন আমি চলে গেলাম, উনি বাড়িতে ছিলেন না!
আজ ফিরে আসলাম, আজও উনি বাড়িতে নেই!
দেব, তুই জানিস? ইংরেজ সরকার উনাকে বড় করে সংবর্ধনা দেবে!
- আচ্ছা! - আর, উনি তোকে দেখে অনেক খুশি হবে!
- আচ্ছা? - খুশি তো হবেই, তবে কাজ করলে।
আমাদের বংশে যখন পুত্র ঘরে ফিরে আসে, বাবা তখন তাকে...
- বুকে টেনে নেয়! - আমাদের বংশেও এরকম হয়, বউমা!
দেবদাস, আয় আমার সোনা!
বড় মা!
আমি তোকে একটা ভালো বিদেশী ঘড়ি আনতে বলেছিলাম!
এনেছিস!
না, তবে ভালো সময় নিয়ে এসেছি।
দেখতো...
এইদিকে! ঠিকমতো দেখাই যাচ্ছে না!
- শুধু কাগজ ব্যবহার করে? - তো কী? কখনো কখনো তো সেটার ধারও ধারে না!
আমি তো এজন্য ওদের সাথে হাতও মিলাই না!
আরে, ওটা কি তোমার হাতে?
আমার বক্স আমাকে ফিরিয়ে দাও!
ফিরিয়ে দে বলছি!
- কী হচ্ছে এখানে? - কিছু না।
দেবদাসকে দেখেছিস? কেমন লেগেছে তোর কাছে?
- বলবো না! - আরে, বল না?
- কেমন লেগেছে ওকে? - একদম বোকা!
- ধ্যাত! আর তোকে দেখে ও কী বললো? - ওকে তো আমার চেহারা দেখাইনি!
- মায়ের দিব্যি দিয়ে বল? - সত্যি!
- হে রাম, ও তো ছটফট করছে মনে হয়! - করতে দাও!
আরে, এতোটা কষ্ট দিস না ওকে!
নয়তো, ছোটবেলার মতো বাড়ির দরজায় জোরে জোরে ধাক্কা দেবে...
আর বলবে, "কাকি মা, পারু কোথায়?"
শুধুমাত্র রাতের আকাশের চাঁদের আলোয় দেখবে ও আমার চেহারা!
- আর এই ৩য় কার্ড! আমি জিতে গেছি! - ধুর!
হেই, কী করছ তুমি?
- অল্পের জন্য হেরে গেলাম! - সবসময় অল্পের জন্যই হেরে যাস তুই!
- কুমুদ, একবার ওকে জিততে দিলে কী এমন হয়? - উহুম! এরকম না! আজ শুভংকরের দিন!
আর কেউ জিততেই পারবে না! ওই দেখো, পারু এসেছে! পারুও জিততে পারবে না!
- বাজী ধরবে, কাকা? - আরে, বাজী ধরো না! ও তোমাকে লুটে নিয়ে যাবে!
- কিরে পারু? কী নিয়ে এসেছিস তুই? - সন্দেশ, দেবদাসের জন্য। মা পাঠিয়েছে।
- দেবদাস কোথায়, ভাবী? - লে বাবা, দেবদাস আর কোথায় থাকবে?
লন্ডনী বাবুমশাই উপরে উনার কামরাতে নিশ্চয়ই আছে! দূরবীনে করে লন্ডনকে দেখছে হয়তো বা!
দেখেছ, ছোট মা? আগে তো এসে প্রথমে আপনার সাথে কথা বলত! আর, এখন সুন্দরী দেবদাসের সাথে দেখা করার জন্য সোজা উপরে উঠে গেল!
দেখলাম, সুমিত্রার ঘর থেকে ঘনঘন সন্দেশ আসছে ইদানিং!
- আজ চাঁদ মাটিতে নেমে এলো কেন? - তোমার দম বন্ধ করে দেওয়ার জন্য!
- এটা কী করছ? - দেখলাম, আমার আন্দাজ কেমন।
- ঠিকঠাক লেগেছে? - আমার ভুলই হতে পারে না!
- কেন? - তোমাকে তো বাচ্চাকাল থেকেই চিনি!
- এটা কী? - থালা!
- সেতো দেখতেই পাচ্ছি, কিন্তু কী আছে এতে? - বাহানা!
- আমার জন্য সন্দেশ এনেছ? - নিজেই দেখো না?
- এটা তো খালি! - এর জন্যই তো বাহানা, বুদ্ধু!
ওরে বাবা! এত রাগ!
মেজাজ হারায় কীভাবে সেটা শিখতে হবে তোমার কাছ থেকে, দেব!
একদমই সেই আগের মতোই আছো!
তুমিও তো একদম সেই আগের মতোই আছো!
- কেমন? - মূর্খ!
হ্যাঁ, এখন তো আমাদের সবাইকে মূর্খই লাগবে! লন্ডনে পড়াশোনা করেছ!
- আচ্ছা, লন্ডন বেশ বড় শহর, তাই না দেব? - লন্ডনের ভাবই আলাদা!
বড় বড় লোক, বড় বড় বাতি, বড় বড় রাস্তা, বড় দালান! রাণীর মহল!
আর যেদিকেই চোখ যায় শুধু মানুষ!
তুমি জানো, পারু?
লন্ডনের মানুষ নিজেদের মতোই থাকে!
- আর, তুমি? - অবশ্যই!
তুমি অনেক নির্বোধ প্রকৃতির!
বলতে হবে না!
- আচ্ছা, দেব একটা কথা বলো তো! গ্রামের কথা কখনো মনে পড়েনি তোমার? - কখনো না, এক মুহূর্তের জন্যও না!
শুধু যখন হোস্টেলের খাবার খেতাম, মায়ের হাতের রান্নার কথা মনে পড়ে যেত! ব্যাস!
যখন লন্ডনে কেউ আমাকে বকাঝকা করতো...
বাবার কথা মনে পড়ে যেত! আর কাউকে মনে পড়ত না।
No comments yet. Be the first to leave one.