أول 192 سطر.
জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০০৩"
আপনার লাঞ্চে ব্যাঘাত ঘটানোর জন্য দুঃখিত।
ক্ষমা চাইতে হবে না।
প্রায় শেষই হয়ে গেছিলো।
মাফ করবেন, স্যার।
- আমি কি কোনো অপরাধ করেছি? - না, অবশ্যই না।
- আপনারা কি সঠিক মানুষকে---? - আপনি ইবু রত্না,
মাইকোলজির প্রফেসর,
ইন্দোনেশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা সঠিক ব্যক্তির কাছেই পৌঁছেছি।
ইবু রত্না, আপনি কি আমাদের প্রস্তুতকৃত নমুনা পরীক্ষা করতে পারেন?
- আপনি... - উনি নিজেই তার সিদ্ধান্ত জানাবেন।
এটা ওফিওকর্ডিসেপস।
স্লাইডটা প্রস্তুত করতে ক্লোরাজল কেন ব্যবহার করেছেন?
কারণ প্রস্তুতিটি মানুষের থেকে আসা নমুনার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।
কর্ডিসেপস মানবদেহে টিকে থাকতে পারে না।
যদি বমি বমি ভাব অনুভব করেন তবে দ্রুত বেরিয়ে আসুন, প্লিজ।
তার বা পায়ের নিচে।
এটা মানুষের কামড়, তাই না?
- কখন ঘটেছে এটা? - প্রায় ৩০ ঘন্টা আগে।
- কোথায়? - শহরের পশ্চিমের একটি ময়দা এবং শস্য কারখানায়।
আদর্শ সাবস্ট্রেট।
আর তারপর?
একজন সাধারণ মহিলা হিংস্র হঠে ওঠেন।
চার কাউবয়কে আক্রমণ করেন এবং তাদের মধ্যে তিনজনকে কামড়ে দেন।
তারা তাকে বাথরুমে আটকে দেয়।
পুলিশ আসলো, সে তাদের উপর আক্রমণ করার চেষ্টা করলো,
আর তারা ওকে গুলি করে।
- যাদের কামড় দিয়েছিলো, তাদের কী হয়েছে? - তাদের পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
কয়েক ঘন্টা পর...
প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি অনুসারে এটি কার্যকর করা আবশ্যক হয়ে ওঠে এবং
তাদের মারার জন্য।
কে কামড়েছিলো?
আমরা জানি না।
তাহলে তারা এখনো বাইরে।
আর কোনো কর্মচারী নিখোঁজ রয়েছে?
১৪ জন।
ইবু রত্না, আমরা আপনাকে এনেছিলাম এটা ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করার জন্য।
আমাদের একটা ভ্যাক্সিন দরকার।
কিংবা কোনো ওষুধ।
আমি আমার সারাটা জীবন এই বিষয়গুলি নিয়ে অধ্যয়ন করেছি।
তাই, ভালো করে শোনো।
এর কোনো ওষুধ নেই।
আর না আছে ভ্যাক্সিন।
তো, আমরা কী করবো?
বোমা।
বোমা ফেলা শুরু করুন।
এই শহরে বোমা ফেলুন...
এবং তারা সবাই এতে জড়িত আছে।
মাফ করবেন।
কেউ কি আমাকে বাড়িতে নিয়ে যেতে পারেন?
আমি আমার পরিবারের সাথে থাকতে চাই।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
THE LAST OF US
শুভ সকাল।
- আমাকে দেখে সংক্রমিত মনে হয়? - তোমার হাত দেখাও।
হ্যাঁ, এটা খারাপ হবে না, তাই না?
আমরা যদি উন্মুক্ত শহরে থাকি, তাহলে ওরা আমাদের আক্রমণ করল না কেন?
- এটা নিয়ে চিন্তা কোরো না। - আমি চিন্তা করব।
মার্লিন একটা সংক্রামিত শিশুকে নিয়ে কী করছিল?
আমি সংক্রমিত নই।
আমাকে কামড়ানোর পর সে আমাকে খুঁজে পেয়েছিল।
- এবং সে তোমাকে গুলি করেনি। - অবশ্যই না।
সে আমাকে তালাবদ্ধ করে রেখেছিলো এবং তার লোকেরা আমাকে ...
প্রতিদিন পরীক্ষা করতো যে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ছি কিনা।
কিভাবে পরীক্ষা করতো?
- আমার হিসু পেয়েছে। - পরীক্ষা করতো, কীভাবে?
তারা আমাকে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুণতে বলতো এবং আমার হাত বাড়িয়ে...
তা স্থির রাখতে বলতো।
তবে, আমি মনে করি তারা যে জিনিসটাতে মুগ্ধ হয়েছে...
তা হলো আমার দানব না হয়ে ওঠাটা।
এবার একটু হিসু করতে পারি?
বেশ।
ওখানে, ওখানে জায়গা থাকতে পারে।
আর এই নাও।
হিসু হয়ে যাওয়ার পর কয়েকটা কাগজ দিয়ে মুছে নিও।
এখানে কি খারাপ কিছু নেই?
শুধু তুমিই আছো।
ওহ, মজার কৌতুক।
ভেঙে গেছে।
হয়তো একটা ছোটখাটো ফ্র্যাকচার। এটা জলদি সেরে যাবে।
আজ রাতে ওর কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি, জোয়েল।
সেটা বিষয় নয়।
এখন নয়তো পরে লক্ষণগুলো দেখাই যাবে।
বুঝেছো? আমরা এখনও দেয়ালের কাছাকাছি আছি,
আমরা ওকে কোয়ারেন্টাইন জোনে লুকিয়ে রাখবো।
ব্যাটারিটা হাতে পেতে আমরা অন্য উপায় খুঁজে নেবো।
এটাই আমাদের মোক্ষম সুযোগ।
যদি ওকে আবার কোয়ারেন্টাইন জোনে রাখি, কেউ ওর হাত লক্ষ্য করবে ...
ওকে স্ক্যান করবে, এবং এরপর মেরে ফেলবে।
আমাদের থেকে তারা হত্যা করলেই ভালো।
তোমার এই বাচ্চাটার সম্পর্কে কথা বলা বন্ধ করতে হবে
যেন তার সামনে একটি জীবন পড়ে আছে।
তোমার ক্ষুধা পেয়েছে?
চাইলে আমাদের কিছু খাবার শেয়ার করতে পারো।
ধন্যবাদ। মার্লিন আমাকে আমার নিজের খাবার সমেত পাঠিয়েছে।
- এটা কি মুরগি? - হ্যাঁ।
মার্লিন বলে তারা এগুলো চোরাকারবারীদের থেকে আনে।
আশা করি তোমাদের থেকে না।
- হেই। হেই! - কেন--
কেন... তুমি মেরিলিনের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?
আর মিথ্যা বলবে না, নয়তো তোমাকে ফিরিয়ে দিয়ে আসবো।
আমাকে ফিরিয়ে দিয়ে আসলে, তোমরা তোমাদের ব্যাটারি পাবে না।
শুনেছো?
তাহলে তুমি নিশ্চয়ই শুনেছো যে সে তোমাকে গুলি করতে চেয়েছিলো।
তুমি প্রাপ্তবয়স্ক ধরেই তোমার সাথে কথা বলছি।
কেমন?
জোয়েল আর আমি খুব একটা ভালো মানুষ নই।
আমরা আমাদের নিজেদের ভালোর জন্য এটা করছি, কারণ তোমাকে মূল্যবান মনে হচ্ছে।
কিন্তু আমরা জানব না তুমি কিরকম মূল্যবান যদি আমরা না জানি যে আমাদের কী আছে।
তাই আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।
আমাকে বলেছিল কাউকে না বলতে, এবং এখন আমি প্রথম দুইজনকে বলছি---
পশ্চিমের কোথাও একটা ফায়ারফ্লাই ক্যাম্প আছে যেখানে ডাক্তাররা আছেন।
তারা একটা প্রতিষেধকের উপর কাজ করছেন।
আমি এটা আগেও শুনেছি।
এবং আমার সাথে যা হয়েছে, তা ওই ভ্যাক্সিন খুঁজে পাওয়ার চাবিকাঠি।
এই কথা?
এ তো লক্ষ লক্ষবার শুনেছি।
ভ্যাক্সিন, অলৌকিক প্রতিষেধক। এর কোনোটাই কাজ করে না।
- কখনো না। - বাল, মিয়া। আমি কখনোই এটা চাইনি।
তুমি আমি দুজনেই।
এর পরিণতি ভালো হবে না, টেস।
আমাদের ফিরে যেতে হবে।
কথাটা শেষ করা যাক।
ফায়ারফ্লাই যা বলে ও তা হোক বা না হোক এটা কোনো বিষয় না।
যদি তারা মনে করে ও সেটাই,
আমরা যা চাই তাই পাব।
যদি ওর অনেক ঝাঁকি ওঠে।
না।
ঠিক আছে।
কেমন?
ঠিক আছে।
একটা বন্দুক পেতে পারি?
- মোট্টেও না। - না।
হায়, ঈশ্বর! বেশ! আমাকে ওদের মুখে একটা স্যান্ডউইচ ছুঁড়ে মারতে হবে।
কেউ নেই।
দিনের আলোতে অন্যরকম দেখাচ্ছে, তাই না?
আমাদের এগোনো উচিত।
এ যেন ছিন্নভিন্ন চাঁদ।
- তারা কি এখানে বোমা ফেলেছে? - হ্যাঁ।
এভাবেই তারা বেশিরভাগ বড় শহরে বোমা ফেলেছে।
কোনোভাবে তাদের বিস্তারকে কমিয়ে আনতে হয়েছিল।
এটা এখানে কাজ করেছিলো, তবে বেশিরভাগ জায়গায় কাজ করেনি।
তাহলে, সংসদ হলো ওখানে।
সোজা হেঁটে গেলে ১০ মিনিটের রাস্তা।
- তো? - লম্বা রাস্তা না কি ছোট রাস্তা?
বরং বলি, লম্বা পথ নাকি সর্বনাশের পথ।
আমি এতটা সীমিত তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘ পথের জন্য ভোট দিচ্ছি।
আমাদের প্রথম হোটেল থেকে চেক করতে হবে।
ঠিক আছে।
তারা কোথায়?
তারা কাছকাছি এলে তুমি টের পাবে।
গতবার টের পাইনি।
হাতে কামড় লাগলো কীভাবে?
কোয়ারেন্টাইন জোনে পুরনো মলটা চেনো?
যেটা তারা তক্তা দিয়ে তালাবন্ধ করে দিয়েছে,
এবং যেখানে কারো যাওয়ার অনুমতি নেই?
ওইটা?
সে যাই হোক। আমি চুপিসারে ওখানে ঢুকেছিলাম।
ভেতরটা কেমন তা দেখতে চেয়েছিলাম।
ভাবিনি ওখানে কিছু হবে,
তখন হঠাৎ কোথা থেকে কেউ একজন আমার উপর এসে পড়ল।
ভাবলাম ওর কাছে থেকে পালিয়ে এসেছি, কিন্তু।
আচ্ছা, তুমি কি সেখানে একা ছিলে?
হ্যাঁ।
বয়স কত তোমার?
১৪
বাহ।
তুমি খুব সাহসী, বোন।
ধন্যবাদ।
কেউ তোমাকে খুঁজবে না, তাই না?
যেমন, মা,
বাবা,
বয়ফ্রেন্ড?
আমি একজন অনাথ,
এবং দ্বিতীয় উত্তর হল না।
সবাই বলেছিলো মুক্ত শহরের অবস্থা নাকি প্রচন্ড করুণ।
যেমন, সংক্রমিতদের ঝাঁক নাকি সর্বত্র ঘুরে বেড়ায়।
ঠিক সেরকম না।
জানোই তো, মানুষ গল্প বলতে পছন্দ করে।
তাহলে, এমন কোনো অতি সংক্রামক লোক নেই যে তোমাদের উপর ফাংগাসের স্পোর বর্ষণ করে?
ছিঃ, আশা করি নেই।
কিংবা মাথা ফাটা সংক্রামক লোকটা যাকে অন্ধকারে বাদুড়ের মতো দেখতে লাগে?
কীসের শব্দ ছিলো ওটা?
এগোতে থাকো।
নিশ্চয়ই মশকরা করছো!
তোমরা আগে কখনো এমন জায়গায় থেকেছো?
না, এটা আমাদের সাধ্যের বাইরে ছিল।
- তুমি কী করে জানলে এটা কী? - বই বলে কিছু আছে তা জানো?
দাঁড়াও, আমরা এর মধ্যে নামবো?
হ্যাঁ, আমাদের ওপারের সিঁড়িতে উঠতে হবে।
আমি সাঁতার কাটতে পারি না।
আসলেই?
No comments yet. Be the first to leave one.