أول 200 سطر.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
কেস রেকর্ড মৃতের পরিবারকে দেখতে দেওয়া হয়।
আমি মৃতের পরিবার। বাবার ছেলে।
[ এই ফাইলে প্রবেশ করতে সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স আবশ্যক ]
- মশাই। আমরা কোথায় যাচ্ছি? - স্যার একবার বলেছিল...
তুমি নিজেই সেরা টোপ।
কিন্তু বুড়োটা কি কখনো টোপ হয়েছিল?
এই, এই!
জ্যাইল নিউজের মালিক এখানে কেন এসেছে?
জানি না।
মনে হয় এমন কিছু। প্রথমে ভাইকে পাঠিয়ে একদিন পত্রিকা হাত করেছে,
এখন বড় ভাই হাত করে নিজের কোম্পানির সাথে এটা যুক্ত করছে...
স্যার?
এর মানে হলো আমি জ্যাইল নিউজের একজন ডিরেক্টর।
- আমার নতুন বার্ষিক আয় কত হবে? - আবোলতাবোল বকা বন্ধ করুন।
লেবু চা এনেছি।
আমাদের কাছে পর্যাপ্ত কাপ পিরিচ নেই, তাই যা ছিল তাতেই এনেছি।
ধন্যবাদ।
ওহ, কিম মুন হো...
মানে... প্রেসিডেন্ট কিমকে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই এসে পড়বেন।
প্লিজ নিন। দুই কাপ বানিয়েছি।
তুমি বুদ্ধিমতী ও সুন্দরী হয়েছো।
বুদ্ধিমতী ও সুন্দরী?
আমার অবশ্য সেসব গুণ আছে। হ্যাঁ, ধন্যবাদ।
পিপাসা পেয়েছে?
আংকেল তোমার জন্য কিছু আসছে।
ততক্ষণ তুমি এখানেই থাকো।
মা!
কিম উই চানের সংবাদ সম্মেলনে তোমাকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে দেখেছি।
খুব সাহসিকতা দেখিয়েছো।
ওহ, আমি? আসলে, শুধু তাই করেছি যা মুন হো আমায় শিখিয়েছেন।
- তুমি কতটা লম্বা? - জ্বী?
তোমায় টিভিতে লম্বা লাগছিল।
দেখি তো।
তখন হাই হিল পরে ছিলাম। এখন এটা পরে আছি।
একই।
হয়তো বা না।
তুমি একটু খাটো?
কার তুলনায়?
- ছে ইয়ং সিন, বের হও! - আচ্ছা।
কী হয়েছে? কী হয়েছে?
মেয়েটাকে চমকে দিয়েছিস।
- কোন সাহসে এখানে এসেছ? - মুন হো।
ওর সাথে দেখা করার কথা ভাবো কী করে?
লজ্জিত কিংবা নতজানু হওনি, এমনিতেই ওর মুখোমুখি হয়ে গেলে?
তোর কারণে...
আজ ও বিপদে।
তুই সেটা জানিস, নাকি?
তুমি ওর জীবনে না থাকলে, ওর বিপদের কোনো কারণই থাকবে না।
ভাবছিস ওর কথা দুনিয়াকে জানান দিলে...
কেউ আর ওর ধারে কাছে ঘেঁষতে পারবে না।
- তোর কথা মানছি। - কী?
যথেষ্ট হয়নি?
আবার করবো?
তোর কল্যাণে মনে হচ্ছে, আমি সিউলের পরবর্তী মেয়র পদপ্রার্থী হবো।
আজেবাজে সম্প্রচারের মাধ্যমে কিম উই চানকে নিচে টেনে নামিয়েছিস।
এখন আমাকে সেই গদিতে বসানো হচ্ছে।
আর যে তোমাকে গদিতে বসাচ্ছে তাকে তোমরা বড় ভাই ডাকো?
ঠিক। বড় ভাইয়ের বিশ্বাস জিয়ান আমার দুর্বলতা।
বড় ভাই বিশ্বাসী...
দুর্বলতা উপড়ে ফেলায়।
মেয়েটি এখন বিপদে, মুন হো।
তাই...
আমি ওকে নিতে যাচ্ছি।
আমার কাছে ওকে নিরাপদে রাখবো।
- ওকে নিয়ে গিয়ে নিরাপদে রাখবে? - ঠিক তাই।
কীভাবে?
ওর দুই পা ভেঙে দিবে যাতে কোথাও না যেতে পারে?
নাকি, একটি বদ্ধ খাঁচায় বন্দী করে রাখবে?
তাতে হয়তো, প্রকৃতপক্ষে নিরাপদে থাকবে।
মুখ সামলে কথা বল।
নিরাপদে রাখবে বলে, এটাই বুঝিয়েছ।
আর তুই? তাদেরকে ব্যবহার করছিস যারা কিছু জানেই না।
সেও জং হো? ছেলেটাকে খুঁজে পেয়েছিস?
কী ভাবছিস?
ওদেরকে সাথে নিয়ে ২১ বছর আগের সত্য উদঘাটন করবি?
সেও জং হো? মানে যুন সেওকের ছেলে?
ওকেও পেয়ে গেছো?
তাহলে, জিয়ানের সাথে যা করেছিলে ওর সাথেও তাই করবে?
ও দুর্বলতা হয়ে তোমার অতীত ফাঁস করে দিলে সমস্যা হবে, তাই তো?
কয়েক দিন আগে, আমাদের বাড়িতে এক লোক এসেছিল।
আমি ভাবছি হয়তো, লোকটা সেই ছেলেটিই হবে।
জিজ্ঞেস করার সুযোগ পাইনি।
বেশ তাড়াতাড়ি চলে গিয়েছিল।
সেও জং হো?
এ নিয়ে পাঁচবার আমার নাম জিজ্ঞেস করা হয়েছে।
সেও জং হো? সেও জং হো? তুমি সত্যিই কি সেও জং হো?
হ্যাঁ, আমি সেও জং হো।
সেও যুন সেওকের কিছু ফাইল চেয়েছো?
হ্যাঁ, চেয়েছি।
তুমি তার ছেলে, ঠিক তো?
হ্যাঁ, ঠিক বলেছেন। আমার বাবার নাম সেও যুন সেওক।
তোমার সাথে কেউ একজন দেখা করতে চাচ্ছে, আমরা কি যাবো?
তোমার বাবার এক বন্ধু অপেক্ষা করছেন।
আচ্ছা।
আমার এখনো ঘুম পাচ্ছে।
কী করছেন? চলুন।
জলদি চলুন, হ্যাঁ? মশাই?
ক্লান্ত নিশ্চয়ই।
হ্যাঁ। কোরিয়ায় আসার বেশিক্ষণ হয়নি।
মানিয়ে নিতে পারছি না।
একটু ঘুমাতে হবে।
ওয়াও, মশাই। এরকম বাড়িতে...
থাকাটা নিশ্চয়ই বেশ আরামের।
এদিকে।
কোনদিকে? ওদিকে? আচ্ছা।
কত্ত বই, সেকেন্ড ফ্লোর পর্যন্ত উঠে গেছে।
বইয়ের কালেকশন নাকি? ওয়াও!
হ্যালো।
তুমি সেও জং হো?
ছয়বার।
ছয়বার হলো। হ্যাঁ, আমি সেও জং হো।
বাহ্, জং হো!
স্বাগতম।
আচ্ছা।
আমাকে চেনোনি?
না, তো।
- বসো দেখি। - খুব ছোট ছিলাম।
একটু কষ্ট পেলাম। তোমাকে কয়েকবার পিঠেও চড়িয়েছিলাম।
তোমার বাবা আর আমি খুব ঘনিষ্ঠ ছিলাম।
আচ্ছা, আপনি কি তাদের মধ্যে একজন?
- হ্যাঁ? - আমার কাছে একটা ছবি আছে।
পাঁচজন লোকের ছবি।
আমার বাবা আছে, একটা মহিলা আছে...
আচ্ছা, আপনি...
- হ্যাঁ। - তাই?
আমিও সেটায় আছি। পাঁচজনের একজন আমি।
ওয়াও! অসাম! কোরিয়া এসেই বাজিমাত।
এতদিন কোরিয়ায় ছিলে না?
রাশিয়ায় ছিলাম।
- ও, রাশিয়া। - হ্যাঁ, বাইরে পড়াশোনা করি। ছাত্র আরকি।
কে এসেছে?
বললো তার সাথে আপনার দেখা করতেই হবে।
আপনার অনেক টাকা, না?
আর, লোক হিসেবেও বেশ ক্ষমতাধর।
ক্ষমতাধর কিনা জানি না।
কিন্তু, আমাকে আটক করার পর, আপনিই মুহূর্তের মধ্যে ছাড়িয়ে আনলেন।
- তাই না? - ও... হ্যাঁ।
কিন্তু... আটক হয়েছিলাম কেন?
আর... আপনি জানলেনই বা কী করে?
তোমার বাবার রেকর্ড কেউ নিতে চাইলে...
তার সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স ও একটি রিপোর্ট লাগবে।
রিপোর্ট পেলে, আমাকে জানাতে বলেছি।
- কেন? - বলেছি না।
ও আমার খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল।
বন্ধুরা বোধহয় একে অপরকে সবকিছু বলে।
ভালোই।
শুনলাম গেস্ট এসেছে।
হ্যালো বলো।
হ্যালো।
কমবয়সী গেস্ট।
ও কার মতো দেখতে বলো তো?
- কার মতো? - সেও যুন সেওকের মতো।
কোথায়? আমার তো মনে হয় না।
ও যুন সেওকের ছেলে।
হ্যালো।
আমার নাম সেও জং হো।
কাছে আসো...
একটু।
আমি...
আমি দাঁড়াতে পারি না। বসবে একটু?
তোমাকে ভালোভাবে... একটু দেখি।
জং হো।
হ্যাঁ।
কত বড় হয়ে গেছো।
ছোট্টটি ছিলে, এখন বড় হয়ে গেছো।
কোথাও দেখেছি লোকটাকে।
দেখেছি তো নিশ্চয়ই।
কী?
আহ... কিছু বলার ছিল।
- পরে আসছি। - আসো।
নতুন আর্টিকেলের জন্য আপনাকে একটা আইডিয়া দিতে চাচ্ছি।
- যেটা সত্যিই করতে চাই। - শুনি।
হোয়াং জে গুকের কেস নিয়ে আবার তদন্ত করবো।
খুঁটিয়ে দেখলাম।
হোয়াং জে গুক আত্মহত্যা করলো, সুইসাইড নোট রেখে গেলো, আর কেস ক্লোজ।
সমগ্র ব্যাপারটা সন্দেহজনক।
কেন?
সবটা সহজে হয়ে গেলো।
আমার মনে হয়...
অন্যরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে, হোয়াং জে গুককে ফাঁসিয়েছে।
তুমি হোয়াং জে গুককে পছন্দ করো না।
ওর কারণে যু ইয়ন হি আইনি সমস্যায় পড়ছিল।
এমনকি, একদিন পত্রিকাও, ওর সব মামলা আমাদের বিরুদ্ধে ছিল...
ও মরায়, সব সমস্যা মিটেছে, এতে আমাদের খুশি হওয়ার কথা নয়?
হ্যাঁ, খুশি। আসলে, একজন মানুষ মরায় খুশি হবো কিনা বুঝতে পারছি না, কিন্তু...
একজন রিপোর্টার হিসেবে, সত্যটা উদঘাটন করতে চাচ্ছি।
ব্যক্তিগত পক্ষপাতিত্বে প্রভাবিত হতে চাচ্ছি না।
তাই, নিজের দিক থেকে কিছু নোট করে রিসার্চও করে রেখেছি।
সত্য ও ন্যায়ের কথা বলার সময়
সেগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকা চাই।
কারণ ফালতু কথাগুলো মানুষের বলা লাগে না।
যদি না তার নিজস্ব কোনো নিগূঢ় উদ্দেশ্য থাকে।
তোমার নিগূঢ় উদ্দেশ্যটা কী?
সত্যি বলতে, একজন ডিটেকটিভ এসেছিল।
হোয়াং জে গুকের গো সং ছুলকে মারার কথা নোটে স্বীকার করা,
এবং গুকের আত্মহত্যাকে সন্দেহ করছে ওই ডিটেকটিভ।
- সন্দেহ করছে? - তার বিশ্বাস হিলারই দুজনকে মেরেছে।
তারপর?
সত্যিটা সামনে আনতে চাই।
No comments yet. Be the first to leave one.