As primeras 200 linias.
আগস্টে তামিলনাড়ুতে সরকারি প্রতিনিধি দলের আসার কথা রয়েছে।
গ্রামবাসী শুধু তাদের এক পলক দেখার অপেক্ষায় ভিড় জমাচ্ছে।
প্রশাসন শেষ পর্যন্ত তামিলনাড়ুতে পা রাখছে।
সবাই এগিয়ে আসুন! ভোট দেওয়ার সময় হয়ে গেছে।
ভোট দেওয়া প্রতিটি ভারতীয়র নাগরিক অধিকার।
স্যার, আমরা ভোট দিতে প্রস্তুত।
কিন্তু আমরা জানি, আমাদের হয়ে কথা বলার মতো কেউ নেই।
আগামী তিন নির্বাচনে আমরা আর ভোট দেবো না।
যারা ভোট দিয়েছে তাদের দশাটা একবার দেখুন!
এভাবে বাঁচা যায় না—একদিন ভোট দিয়ে সারা বছর আতঙ্কে থাকা!
এমনকি আমাদের সন্তানদেরও স্কুলে যাওয়ার পথে মারধর করা হয়।
আমরা এক চরম বিভীষিকার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।
বাবা, যখনই আমি ভয় পাই, আমি সাহসী বীরদের কথা ভাবি।
তারা ভয় দূর করে আমাদের মনে ভোটের লড়াইয়ে নামার সাহস জোগায়।
তোমাকে কি তেমন এক সাহসিকতার গল্প শোনাবো?
বীরত্বের এক কিংবদন্তি উপাখ্যান...
এইমাত্র ভেতরে কে ঢুকলো?
বলো নারায়ণন, কী ব্যাপার?
স্যার, বাইরে ২০ জন লোক নির্বাচন নিয়ে প্রতিবাদ করছে।
তাদের কি ভেতরে ঢুকতে দেবো নাকি আপনার আসার অপেক্ষা করবো?
আমি এখন কোয়ার্টারে চলে যাচ্ছি।
অ্যাডমিশন ব্লকের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নাও।
বুঝতে পেরেছি স্যার।
আজ একজন পুলিশ অফিসারকে দেখলাম।
রাস্তা ছাড়ো! সরো সবাই!
আমি আসছি। ওখানের পরিস্থিতি কী?
স্যার, প্লিজ ওর দিকে একটু খেয়াল রাখবেন। ও সি-ব্লকের দিকে গিয়েছে।
তারপর?
স্যার, ওই ব্লকের দায়িত্ব ওর কাঁধেই।
পুরো এলাকাটা এখন ওর অধীনে।
স্যার, ওর দেখাশোনার দায়িত্বটা আমি আপনার ওপরই ছাড়লাম।
আমাকে মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দাও।
খবরদার! ওকে ছোঁবে না একদম!
এই যে তুমি! ওখানেই থামো।
হুজুর, আমাকে মাত্র এক মিনিট সময় দিন।
বললাম না, এক মিনিট!
তোমাদের এই চিল্লাপাল্লা আর দৌড়ঝাঁপে দাদাজি জেগে গিয়েছেন।
ওকে আগে বিশ্রাম নিতে দাও, তারপর তোমরা খেলতে যেও।
একেবারে গাধা একটা!
এই! কী করছিস এসব? বের হ এখান থেকে!
আরে শান্ত হও, এটা তো স্রেফ একটা খেলা।
শোনো! আগে ওকে ঘুমাতে দাও।
তোর আচরণটা একদম মূর্খের মতো!
তোর এই ফাজলামির কি এটাই সঠিক সময়?
শেষবারের মতো বলছি—কথাটা কান খুলে শুনে রাখ।
দাদাজির এখন ঘুম দরকার।
মনে রাখিস, আমি তোর জামাতা।
দাদাজি গভীরভাবে ঘুমানো পর্যন্ত অপেক্ষা কর।
তারপরেই এই হিসাব মেটানো হবে।
এক পা এগোলেই তোকে শেষ করে দেবো!
সব পরিষ্কার তো?
এবার যা।
দাদাজি, পানির বোতলটা একটু নিয়ে আসুন না।
আচ্ছা মা, আনছি।
ঠিক আছে, তুমি আসতে পারো।
দাদাজি, পানির বোতলটা জলদি আনুন।
এখন কেমন লাগছে?
ওটা কি কোনো বাঁশির সুর ছিল?
ঘুমিয়ে পড়ো সোনা।
আমি গান গেয়ে শোনালে তুমি শান্তিতে ঘুমাতে পারবে।
দাদাজি...
আপনার মনটা মনে হয় আজ খুব একটা ভালো নেই।
ওভাবে কী দেখছেন?
গান গাওয়া শুরু করো।
আমি হচ্ছি সেই ছায়া যাকে তুমি ভয় পাও।
দাদাজির জীবন এখন আমার হাতের মুঠোয়।
ওকে শেষ করতে আমি দু'বার ভাববো না।
তুমি চাও ও ঘুমাক? এই নাটক বন্ধ করো!
এই! চুপ একদম!
আমি শুধু একটা অভিনয় করছিলাম।
আর তুই আমাকে পিছু হটতে বলছিস?
আমি এখন একটু বিশ্রাম নেবো।
পরে কি আমার সাথে খেলতে আসবে?
আমরা কি মন খুলে কিছুটা সময় কাটাতে পারি?
এসো না, আমার সাথে একটু খেলো!
আমি স্রেফ তোমার সাথে কথা বলতে চাই।
এই! শুনছো আমার কথা?
অস্পষ্ট একটা শব্দ কানে আসছে।
অবশেষে ও ঘুমিয়ে পড়েছে।
আমি আগে থেকেই সব জানি।
যাও, বিয়ের আবেদনটা সেরে ফেলো।
আমি খেয়াল রাখবো ও যেন আজ রাতে এখানেই থাকে।
বেশ তো।
কী পাগলি একটা মেয়ে রে বাবা!
কেন জানি আজ দু'চোখে ঘুম আসছে না।
সে এখনো এখানে কেন এলো না?
তুমি আমাকে আঘাত করার হুমকি দিয়েছিলে...
কিন্তু তুমি কি সত্যিই প্রতিশোধ নিতে এসেছিলে?
দাঁড়াও... কী হচ্ছে এসব?
দাদাজি!
ও দাদাজিকে নিয়ে যাচ্ছে!
কী?!
পাগলের মতো কী বলছিস এসব?
দেখো! রক্ত!
এক ঝটকায় সব আঁধারে মিলিয়ে গেল।
আমি সত্যিই ভেবেছিলাম তোমার কাছে কোনো নিঁখুত পরিকল্পনা আছে।
আমি ভেবেছিলাম তোমার কাছে কোনো নিঁখুত পরিকল্পনা আছে।
কিন্তু নিজের দশাটা একবার দেখো... তুমি আজ সব হারিয়েছো!
শাকা!
এই বিশৃঙ্খলা আমাদের দুুজনেরই সৃষ্টি।
দয়া করে দরজাটা এখনই খোলো!
বাইরের পরিস্থিতি এখন চরম বিপজ্জনক।
ওকে এখনই গ্রেপ্তার করো!
তুমি হয়তো ভাবছো তুমি ঠিক, কিন্তু তুমি ভুল করছো।
আমি নিজেই সব সামলে নেবো।
আমার মনে হয় ও এখন কথা বলতে প্রস্তুত।
প্রধান ফটকটা খুলে দাও!
স্যার, ওরা ইতিমধ্যে ২০ বার ওকে হত্যার চেষ্টা করেছে।
ও পছন্দ করুক বা না করুক, সত্যের মুখোমুখি ওকে হতেই হবে।
নদীতীরে আমি আর কোনো ভুল হতে দেবো না।
একমাত্র মুরুগানই জানে আসল সত্যটা কী।
আমার পেছনে একটা বিশাল বাহিনী আছে।
আমরা বড় বড় ব্যাংক ডাকাতি করতে ওস্তাদ।
আমি বললাম যে আমার একটা গ্যাং আছে।
ব্যাংকের ভল্ট খালি করাই আমাদের কাজ।
গ্রেপ্তারের সময় তো সেলের দরজা লক করাই ছিল না।
পুরো নিরাপত্তা বলয় বাইরে থেকেই ভেঙে ফেলা হয়েছে।
আমরা স্রেফ কোনো পাহারাদার নই।
আমরা হচ্ছি উপরতলার ওই মানুষটার রক্ষাকবচ।
স্যার!
আমার জন্য নিজের জীবন বাজি রাখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
পরিণতি যাই হোক, আমি আপনার পাশেই থাকবো।
স্যার, আমি খুব ভালো করেই জানি আপনি কে।
আমার জন্য অপেক্ষা করুন, আমি আসছি।
নারায়ণন, আমার ওর পুরো ফাইলটা দরকার।
ওর নামটা তো তোমার নামেই রাখা হয়েছিল, তাই না?
নিজেকে কি খুব বড় কোনো সুপারম্যান ভাবো?
আমি খুবই সাধারণ একজন মানুষ।
কিন্তু আমার কাজই আমার আসল পরিচয়।
তুমিই আমার আসল সুপারম্যান, বাবা!
ওর মা কি এখনো জেলের ভেতরে?
হ্যাঁ স্যার।
ও তো কেবল একটা নিষ্পাপ শিশু।
ওকে রক্ষা করতে হলে তোমাকে কঠোর হতেই হবে।
দ্বিধা করলে ও আর কখনো ফিরে আসবে না।
আপনি ইতিমধ্যে ৫০ বার জামিনের আবেদন করেছেন।
তবুও কেন ওকে আটকে রাখা হয়েছে?
সারা জীবন আমি শুধু ওর অপেক্ষাতেই কাটিয়েছি।
এখন তো ওর সাথে দেখা করাটাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
তুমি অনেক দীর্ঘ সময় ধরে এই যন্ত্রণা সহ্য করেছো।
আমি শুধু আমার ছেলেকে একবার বুকে জড়িয়ে ধরতে চাই।
ওকে দেখা না দিয়ে আমি এখান থেকে এক পা-ও নড়বো না।
আমি আপনার কাছে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছি।
আমার ভাইকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনলে ও খুব খুশি হবে।
স্যার, এই জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে আমি অনেক দিন পচেছি।
ওর দফারফা করেই আমি এখান থেকে বিদায় নেবো।
আমি নিজের হাতে ওকে খতম করবো।
আমি ওকে জানাবো যে ওর মা আর এই পৃথিবীতে নেই।
সুপারম্যান? ও এখন স্রেফ আমার শিকার।
চলো, এখনই এটার শেষ দেখে নিই!
নারায়ণন, আগামীকাল আমরা ওকে নিয়ে জঙ্গলে যাবো।
নিশ্চিত করো যেন শাস্তিটা বনের অনেক গভীরে কার্যকর হয়।
চলো, কাজটা শেষ করে ফেলি।
বুঝতে পেরেছি স্যার।
আগামীকালের অভিযানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন।
অবশেষে আমি আমার ছেলেকে দেখতে পেলাম...
কিন্তু ও চিরতরে হারিয়ে গেছে।
আমি কীভাবে পারবো...
...আমার মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে?
আমি তো এই ব্যবস্থার এক অদৃশ্য ছায়া মাত্র।
বাবা, এক মুহূর্তের জন্যও ভেবো না যে ওরা জিতে গেছে।
আমি ঠিকই তোমার কাছে ফিরে আসার পথ খুঁজে নেবো।
আমি শপথ করছি, আমি ফিরে আসবোই—প্রতিশোধ নিতে।
লোকটা একসময় একনিষ্ঠ একজন সৈনিক ছিল।
আমার স্ত্রীর মনে সবসময় সামরিক অফিসারদের জন্য একটা শ্রদ্ধা ছিল।
যখন ওকে জোড় করে অমতের বিয়ে দিতে চেয়েছিল...
...ও নিজের পথ বেছে নিয়েছিল এবং আমাকে বিয়ে করেছিল।
গত বছর যুদ্ধের লেলিহান শিখা ওকে আমার থেকে কেড়ে নিয়েছে।
ওর স্বপ্ন ছিল আমাকে একদিন ওই ইউনিফর্মে দেখার।
কিন্তু আমার স্বপ্নগুলো ওর জন্য এক বিভীষিকা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
ওর মৃত্যুর পর, আমি আমার জীবনটা দেশের সেবায় বিলিয়ে দিয়েছি।
আর আজ কিনা ওরা আমাকে বিশ্বাসঘাতক বলছে!
আমি ভেবেছিলাম সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে ওর স্মৃতিকে সম্মান জানাবো।
স্যার, কোনো সমস্যা হয়েছে কি?
কিছু না... স্রেফ পুরনো সব স্মৃতি।
বনের নিস্তব্ধতায় আমি আমার মায়ের কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছিলাম।
ভষ্ম থেকেই আমি ফিনিক্সের মতো জেগে উঠবো।
আমি আসলে কোথা থেকে শুরু করবো?
শোনো, এই দুনিয়াটাকে ভয় পেলে চলবে না।
তোমাকে বাঘের মতো কলিজা নিয়ে বাঁচতে শিখতে হবে।
দুর্দান্ত!
বিধাতা তোমাকে যে জীবন দিয়েছে, তাকে কখনো ভয় পেয়ো না।
শুধু ভয় পেয়ো সেই কাপুরুষকে, যে তোমাকে ধমক দিয়ে দমিয়ে রাখতে চায়।
সাহসী হও, নির্ভীক হও, আর কখনো পিছু হটো না।
তবেই তুমি এই দুনিয়ার আসল রূপ বুঝতে পারবে।
তুমি কি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে প্রস্তুত?
আমি আমার প্রাপ্যটা বুঝে নিতে আসছি।
আমরা লক্ষ্যবস্তুকে কব্জা করে এখানে নিয়ে এসেছি।
চূড়ান্ত আঘাতের জন্য প্রস্তুত হও।
অবিলম্বে এখানে চলে এসো!
আমি অনেক দিন ধরে এই মুহূর্তটার অপেক্ষায় ছিলাম।
হিসাব চুকিয়ে দেওয়ার সময় এসে গেছে।
খবরদার! ওকে যেন কোনোভাবেই হাতছাড়া না করা হয়!
আমি আসছি তোর জন্য, তৈরি থাক।
প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে তোর মৃত্যুপরোয়ানায় সই করে দিয়েছেন।
মরার আগে শেষ কোনো ইচ্ছা আছে?
তাকে গিয়ে বলিস, আমিই তাকে খতম করবো।
ফিরে যা আর তোর প্রেসিডেন্টকে গিয়ে জানা...
গৃহযুদ্ধ সরকারিভাবে শুরু হয়ে গেছে।
বুরাচিগড়ের সাধারণ মানুষকে পশুর মতো জবাই করা হচ্ছে।
No comments yet. Be the first to leave one.